০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

রাত ১২টা-সকাল ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের পূজা মণ্ডপগুলো পাহারা দেয়ার অনুরোধ আইজিপির

রাত ১২টা-সকাল ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের পূজা মণ্ডপগুলো পাহারা দেয়ার অনুরোধ আইজিপির - ছবি : নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, সকল মহলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালন করছি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন সে অনুযায়ী আমরা কাজ করে চলেছি। যার ফলে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে একটি রোল মডেল হিসেবে নজির স্থাপন করেছে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। তারপরেও কিছু দুষ্কৃতিকারী চক্র যখনই সুযোগ পায় তখনই একটি অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করে।

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, 'অনুরোধ করবো আজকে শেষ রাত, ১২টা পর্যন্ত মানুষ আছে। ১২টার পর থেকে সকাল পর্যন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই সতর্ক থাকবেন। অন্তত একজন যেন এখানে (মণ্ডপে) থাকেন। মিডিয়ার মাধ্যমে সবাইকেই এ অনুরোধ করছি। দেশের সব মণ্ডপের কথাই আমি বলছি।'

তিনি আরো বলেন, 'রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অন্তত একজন পাহারাদার যেন মণ্ডপে থাকে। যদি কেউ দুষ্কর্ম করতে আসে তাকে যেন ধরে ফেলতে পারে। না ধরতে পারলে চিনে রাখবেন আমরা ধরে ফেলব।'

'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন আমরা ধরে রাখব। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প যাতে ছড়িয়ে না পড়তে পারে সেজন্য আমরা সবাই সচেতন আছি,' যোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, 'জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে আমরা অবিচল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন সবাই মিলে আমরা কাজ করছি। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা বিশ্বের কাছে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। এরপরও দুষ্কৃতিকারীরা অপকর্মের চেষ্টা করে।'

আইজিপি বলেন, ‘আমরা সকল ধর্মের মানুষরা মিলে যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সৃষ্টি করেছি সেই ঐতিহ্যকে তারা নষ্ট করতে চায়। আমি চাই না, আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছি সেটা নষ্ট হোক।‘

তিনি বলেন, আজকে কিন্তু পূজার শেষ দিন। অপকর্মটা কখন করে, যখন আরতি শেষ করে সবাই আরাম করতে যায় তখনই তারা একটা অঘটন ঘটায়। এতে করে সারাদেশে একটি আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এতে ধর্মীয় উৎসাহ উদ্দীপনা সেটা নষ্ট করে ফেলে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ডিআইজি হায়দার, অতিরিক্ত ডিআইজি নুরুল ইসলাম,সাইদুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু, এফবিসিসিআই-এর পরিচালক ও আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা মণ্ডপের সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল সাহা, নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন, কৃষ্ণ আচার্য্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ।


আরো সংবাদ


premium cement