০৬ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯, ৯ রবিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

মশা নিধনে ড্রোন

মশা নিধনে ড্রোন - ছবি : সংগৃহীত

প্রবাদে আছে মশা মারতে কামান। তবে বাস্তবে মশা মারতে কামানের ব্যবহার না দেখা গেলেও এবার ড্রোন দিয়ে মশা খুঁজতে দেখে গেছে।

শনিবার রাজধানীতে ড্রোন উড়িয়ে মশক নিধন অভিযান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)। আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত ডিএনসিসি আওতাধীন প্রতিটি বাসা-বাড়িতে অত্যাধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে মশার উৎস খুঁজতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শনিবার সকালে গুলশান-২-এর ৭৪ নম্বর রোডের একটি সুউচ্চ ভবনের ছাদে এ কার্ক্রম উদ্বোধন করা হয়। এ সময় ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ জোবায়দুর রহমানসহ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, মশক নিধন কর্মীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ড্রোনের মাধ্যেমে অন্য ছাদে মশার উৎপত্তিস্থল খুঁজে দেখার অভিযানের খবরে ভবনের নিচে উৎসুক মানুষ ভিড় করে।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান বলেন, আমাদের মশক নিধন কর্মীদের যদি বলি তোমরা ছাদে উঠে উঠে মশার উৎপত্তিস্থল চিহ্নিত করো, তাহলে তারা দুই, চার বা সর্বোচ্চ ১০টি বাড়ি দেখবে। আবার অনেক বাড়িতে ঢুকতে দেয় না তাদের। কিন্তু একটি উঁচু ভবনে যখন আমরা উঠে ড্রোন দিয়ে দেখছি, তখন আশপাশের শত শত বাড়ি কিন্তু আমরা একঘণ্টার মধ্যে দেখে ফেলতে পারছি। এতে করে যেমন কাজ সহজ হয়েছে, তেমনি দ্রুততার সাথে মশার উৎপত্তিস্থল ছাদও কিন্তু আমরা চিহ্নিত করে ফেলছি। সেই সাথে তাৎক্ষণিক সেই ভবনে গিয়ে আমরা মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছি। মূলত এই কারণেই আমরা মশক নিধন কর্যক্রম বেগবান করতেই আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করছি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার উত্তরা সেক্টর-৪ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে মশার উৎস শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছিলেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ওই সময় তিনি বলেন, নগরের প্রতিটি বাড়িতে প্রবেশ করে ছাদ বা বেলকনিতে মশার উৎস খুঁজে বের করা কঠিন এবং এটি অনেক সময়সাপেক্ষ কাজ। তাই অত্যাধুনিক ড্রোন ব্যবহার করে প্রতিটি বাড়ির ছাদে এডিসের লার্ভা আছে কি না, তা খুঁজে বের করা হবে।


আরো সংবাদ


premium cement