০৪ আগস্ট ২০২১
`

নান্দনিক মসজিদ : আল-আমান বাহেলা খাতুন

-


সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার অন্যতম আকর্ষণ আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। মসজিদটি দেখতে প্রতিদিনই শত শত মানুষ সেখানে ভিড় জমায়। এত মানুষ মসজিদটি দেখতে গেলেও আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদটিতে রয়েছে এক ধরনের প্রশান্তি আর অদ্ভুত নীরবতা। আর এটি বেলকুচির সবচেয়ে নান্দনিক মসজিদ এটি। তাই পর্যটক ও মুসল্লিদের কাছে এটি কতটা জনপ্রিয়, তার প্রমাণ মিলবে এখানে একবার এলেই। গত কয়েক মাসে লাখ লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে এখানে। চলতি বছরেই ভ্রমণবিষয়ক স্থাপনার মধ্যে দ্বিতীয় জনপ্রিয় স্থাপনার নাম হিসেবে আসে এই মসজিদটির নাম।
বেলকুচির জাঁকজমকপূর্ণ এই মসজিদটিতে একসাথে হাজার হাজার মানুষ নামাজ পড়তে পারেন। এ ছাড়াও মসজিদের দু’পাশে নির্মিত হচ্ছে বিশাল বড় বড় সুউচ্চ মিনার। আর মসজিদের মাঝখানের বৃহত্তম গম্বুজের কারুকার্যের সৌন্দর্য এই মসজিদটির সৌন্দর্যের এক রূপকার। এই মসজিদের সৌন্দর্য দেখে যে কেউ অবাক হতে হয়। মার্বেল পাথরের তৈরি গম্বুজ ও ভেতরের কলাম, বাইরের দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য ও কালার সত্যিই এক অসাধারণ সৌন্দর্যে ফুটে উঠেছে। ভেতর-বাইরের ঝাড়বাতিগুলোও সবাইকে আকর্ষণ করে সূর্যাস্তের পর। তখন এর রঙিন আলো আরো অসাধারণ সুন্দর হয়ে ফোটে সন্ধ্যার আঁধারে। দেখে চোখ জুড়িয়ে দেয়। দিনের বেলায় দেখার থেকে সন্ধ্যার পর দেখা মসজিদটি সম্পূর্ণ ভিন্ন মনে হয়।
দিনের বেলা সেখানে ঘোরার সময় প্রয়োজন হবে সানগ্লাস। কারণ মসজিদের সামনের ও দোতলার মেঝেতে থাকা মার্বেল পাথরে সূর্যের আলোর প্রতিফলনে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। মসজিদটি সারা দিনই ব্যস্ত থাকে দর্শনার্থী ও মুসল্লিদের আসা-যাওয়ায়। দুপুরের তপ্ত রোদে এই মসজিদের প্রাঙ্গণে হেঁটে চলা বেশ কষ্টের। তাই এখানে সকালে বা বিকেলে যাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। কেননা তখন বিকেলের সৌন্দর্যের সাথে সাথে রাতের আলোকসজ্জাও বেশ ভালোভাবে উপভোগ করা যায়।
এই মসজিদ ভ্রমণে আমার সাথী ছিল চাচাতো ভাই ইমামুল ও মজিদ। সময়গুলো বেশ আনন্দময় প্রশান্তির মধ্যেই অতিবাহিত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
অতঃপর আপনারাও মসজিদের এই সৌন্দর্যের মুগ্ধতা ও প্রশান্তি উপভোগ করার জন্য, সময় সুযোগ করে ঘুরে আসতে পারেন ‘আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ’। এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি বেলকুচি সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

 



আরো সংবাদ