০৪ আগস্ট ২০২১
`

তালগাছ ও বাবুই পাখি

-

একটি বাবুই পাখি উড়ে এসে তালগাছের ডালে বসল। বাবুই পাখিকে সবাই শিল্পী হিসেবেই জানে। এই শিল্পী বাবুই পাখিটি মন খারাপ করে বসে আছে। বাবুইর মন খারাপ দেখে তালগাছ সহ্য করতে পারলো না। সে বাবুই পাখিকে জিজ্ঞেস করে ‘কী হলো শিল্পীবাবু?’ এমন মন খারাপ করে বসে আছ কেন?’ বাবুই পাখি উত্তর দিলো, ‘কী আর বলব তোমায়, সারা পাড়া ঘুরে কোথাও একটা বাসা বানানোর জায়গা পেলাম না। সব গাছ তালগাছ ও নারিকেল গাছ কেটে ফেলছে মানুষ। এ নিয়ে আবার চড়–ই আমাকে দেখে ঠাট্টা করে। সে কত আনন্দে লোকের ঘরের কোণে বাসা বেঁধে থাকে!’ বাবুইয়ের এমন কথা শুনে তালগাছের মনটা আরো কেঁদে ওঠে।
একটু ভেবে এবার সে বাবুই পাখিকে বলে, ‘কী বন্ধু, তোমায় আর চিন্তা করতে হবে না। সবগাছ মানুষ কেটে ফেললেও আমি তো এখনো আছি। তুমি তো শিল্পী মানুষ। আমার এই খাড়া পাতায় তুমি বানিয়ে নাও না তোমার বাসা! আমার মালিককে অনুরোধ করবো তোমাদের প্রতি করুণা করে আমাকে যেন না কাটে। বাবুই পাখি এ কথা শুনে যেন আকাশের তারা হাতে পেলো! লাফাতে লাফাতে সে পাতায় বাসা বুনতে শুরু করল। আর তালগাছ মুগ্ধ হয়ে তা দেখে থাকল। কী সুন্দর বাসা বানায় বাবুই! একদম খাসা শিল্পী!
বাসা বানানোর পর বাবুই পাখির বাসায় ফুটফুটে দু’টি ছানা আসে। সারা দিন ছানাগুলো কিচিরমিচির করে। তালগাছের আর একা লাগে না। বাবুইপাখি ও ছানাদের সাথে তার সময় আনন্দে কাটে। মাঝে মধ্যে হালকা বাতাসে দোলা দেয় বাবুইয়ের বাসা। হ

 



আরো সংবাদ