২২ জানুয়ারি ২০২২, ০৮ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩
`

রামপুরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ


নিরাপদ সড়কের দাবিতে আজও রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের ওপর অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ওই সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে রামপুরা ব্রিজের ওপর অবস্থান নেয় আশপাশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় তাদের হাতে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান দেখা যায়। তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশান’, ‘রাতের আঁধারে শিক্ষার্থী মরে, প্রশাসন ঘুম পাড়ে’- এ ধরনের স্লোগান দিচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলছে, তাদের নয়টি দাবির মধ্যে এখনো প্রায় আটটি দাবিই মানা হয়নি। এ কারণে আজও তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মাঈনুদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার দাবিসহ গণপরিবহনে হাফ পাস নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের রামপুর ব্রিজ এলাকায় চলাচলরত গাড়ির লাইসেন্স যাচাই-বাছাই করতে দেখা গেছে। রোগী ও পরীক্ষার্থীদের গাড়ি আলাদা লেন করে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তারা। সড়কের পূর্ব পাশের অংশে তারা অবস্থান নেয়ার কারণে বাড্ডা থেকে রামপুরা পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের পশ্চিম পাশ দিয়ে জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী কিছু গাড়ি ছাড়তে দেখা গেছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, নিরাপদ সড়কের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত তারা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। গতকালই ঘোষণা ছিল, বুধবার বেলা ১১টা থেকে একই দাবিতে আন্দোলনে নামবে তারা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজও রাস্তায় নামে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের জন্য যতক্ষণ পর্যন্ত সড়ক নিরাপদ না হবে, ততক্ষণ এ আন্দোলন চলবে বলে অবরোধকারীরা জানিয়েছে।

এদিকে, নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীরাও রামপুরায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সাথে আন্দোলন কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে বলে জানা গেছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা শুনেছি শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমেছে। আগে থেকে ঘোষণা ছিল তারা আজকেও নামবে। তবে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশের যথেষ্ট উপস্থিতি রয়েছে।

গত সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন। এ ঘটনার পর আশপাশের উত্তেজিত জনতা ধাওয়া করে বাসটির চালককে ধরে পিটুনি দেন এবং পুলিশে সোপর্দ করেন।

দেখুন:

আরো সংবাদ


premium cement