২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্ত্রীকে মেরে লাশ পুড়ানোর চেষ্টা স্বামীর

স্ত্রীকে মেরে লাশ পুড়ানোর চেষ্টা স্বামীর - সংগৃহীত

রাজধানীর দক্ষিণ মুগদায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর আলামত লুকাতে লাশ পোড়ানোর অভিযোগে স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার সকালে দক্ষিণ মুগদার ব্যাংক কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে মুগদা থানার ওসি প্রণয় কুমার সাহা জানান।
নিহত ওই নারীর নাম হাসি বেগম (২৭)। তার স্বামী কমল হোসেনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানান ওসি।
তিনি বলেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যা করে সে। তারপর আলামত মুছে ফেলতে স্ত্রীর লাশ কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়।’

মুগদা এলাকায় একটি লেদ মেশিনের দোকান রয়েছে কমলের। হাসির সাথে তার বিয়ে হয় আট মাস আগে। তাদের দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

আগুনে হাসির শরীরের নিচের অংশ ও চুল পুড়ে গেছে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে কমল স্বীকার করেছে যে, হাসিকে হত্যার পর সে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এটা করেছে।’

ময়নাতদন্তের জন্য হাসির লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন : নুসরাতের এলাকায় গণধর্ষণের স্বীকার এক প্রবাসীর স্ত্রী
নয়া দিগন্ত অনলাইন
 
নুসরাত জাহান রাফির ঘটনার রেশ না কাটতেই ফেনীর সোনাগাজীতে এবার এক প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনার অভিযোগে নুরুল আলম (৩০) নামে এক বখাটেকে আটক করেছে সোনাগাজী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ চরদরবেশ ইউনিয়নের আদর্শ গ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

নির্যাতিতা বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১২টায় প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে বের হলে ওই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে মৃত আবদুল হালিমের ছেলে নুরুল আলম, ওই এলাকার মিন্টু মিয়ার ছেলে আপেল (২৮) ও আবদুল হালিম ওরফে খেজাবাল হাকিমের ছেলে মোশারফ হোসেন (৩০) তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ওই রাতে গৃহবধূর এক স্বজন অসুস্থ থাকায় ঘরে শাশুড়ি, ননদসহ কেউ ছিলেন না। পরে জ্ঞান ফিরলে সকালে ওই গৃহবধূ পুলিশের আদর্শ গ্রাম তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূর পরনের ছেঁড়া কাপড় উদ্ধার করে।

আদর্শ কেন্দ্রের ইনচার্জ শ্যামল কান্তি দাস জানান, ভিকটিমকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ফেনী সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, নির্যাতিতা নারী বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। একজনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, বাকিদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

 

 


আরো সংবাদ