লেখক কর্নার
ভূমিকম্পে য়তির পরিমাণ
২০১১-০৯-২৬
ভূতাত্ত্বিকেরা ভূমিকম্পকে মোটামুটি তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করে থাকেন। পতন ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাতজনিত ভূমিকম্প এবং পর্বতগঠনজনিত ভূমিকম্প। পতন ভূমিকম্প বলতে বোঝায়, কোনো পাহাড় থেকে পাথর মাটিতে ধসে পড়লে মাটি কেঁপে উঠতে পারে। এ রকম ভূমিকম্পকে বলে পতন ভূমিকম্প [Fall earthquakes]। এ রকম ভূমিকম্প অল্প জায়গাজুড়েই হয়। অগ্ন্যুৎপাতজনিত ভূমিকম্প [Volcanic earthquakes] বলতে বোঝায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতজনিত ভূমিকম্পকে। এর তির ব্যাপ্তি এবং মাত্রা হতে পারে ভয়ঙ্কর রকম বেশি। পর্বতগঠনজনিত ভূমিকম্প [Tectonic earthquakes] সংঘটিত হয় সেই সব অঞ্চলে যেখানে এখনো হয়ে চলেছে পর্বতের উত্থান। পাহাড় এসব অঞ্চলের ওপর দিকে উঠছে। এর মধ্যে কাজ করছে বিশেষ বল। এভাবে পাহাড় উঠতে গিয়ে পাহাড়ের পাদদেশের ভূমিতে সৃষ্টি হতে পারছে ঘর্ষণজনিত কম্পন। অনেক েেত্র ঘটছে ভূত্বকের নিচের বিশাল প্রস্তর খণ্ডে ভাঙন। এই ভাঙনে কেঁপে ওঠে ওপরে অবস্থিত ভূমিপৃষ্ঠ। আর এই কম্পন ছড়িয়ে পড়ে বহু দূর পর্যন্ত।
বাংলাদেশে এবং তার ধারেকাছে কোনো আগ্নেয়গিরি নেই। এখানে যে ভূকম্পন অনুভূত হয় তার উদ্ভব ঘটে পর্বতগঠনজনিত কারণেই। হিমালয় পর্বতমালা অনেক েেত্রই উন্নত হচ্ছে। আর এর প্রভাবে হতে পারছে ভূমিকম্প। দণি এশিয়ায় এ রকম কোনো পর্বত গঠন প্রক্রিয়া এখন আর সংঘটিত হচ্ছে না। তাই দণি এশিয়ায় ভূমিকম্প হলো বিরল ঘটনা। আর ভূমিকম্প হলেও তার মাত্রা থাকে খুবই মৃদু। তাতে বাড়িঘর ভাঙে না। প্রাণহানি ঘটে না মানুষের। কিন্তু দণি এশিয়ার উত্তর ভাগে ভূমিকম্প যথেষ্ট হয়। আর এসব ভূমিকম্পের মধ্যে কিছুসংখ্যক ভূমিকম্প হতে পারে মানুষের জন্য খুবই তির কারণ। ১৯৩৪ সালে বিহারে যে ভূমিকম্প ঘটে তাতে বাড়িঘর ভেঙে মারা গিয়েছিল প্রায় ১০ হাজার লোক। ১৯৫০ সালে আসামে ঘটে খুবই বড় রকমের ভূমিকম্প। তবে যেহেতু এই ভূমিকম্প ঘটেছিল জনবিরল অঞ্চলে তাই মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল কম। বাংলাদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্প বহু দিন ধরেই ঘটেনি। বিহারের ভূমিকম্প যখন হয়, তখন আমি ছিলাম যথেষ্ট ছোট। এই ভূমিকম্পের সময় ঝাঁকুনিতে আমি পড়ে গিয়েছিলাম আমার বাড়ির উঠানে। অবশ্য আহত হইনি। রাজশাহী শহর এই ভূমিকম্পে দুলে উঠেছিল যথেষ্ট প্রবলভাবেই। কিন্তু ভেঙে পড়েনি বাড়িঘর। য়তি হয়নি মানুষের জানমালের। আমার জীবনে ভূমিকম্পের এই স্মৃতি বিশেষভাবে জাগরূক হয়ে আছে। ভূমিকম্প সৃষ্টি হয় ভূপৃষ্ঠ থেকে নিচে। যেখানে এর উদ্ভব হয়, তাকে বলা হয় কেন্দ্র বা ফোকাস। এই কেন্দ্র থেকে লম্বভাবে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগকে বলা হয় উপকেন্দ্র। উপকেন্দ্র থেকে কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ভূমিকম্পের সময় ভূমিকম্পের ঢেউ দেখা দিতে পারে ভূপৃষ্ঠের ওপরেও। ১৯৩৪ সালে বিহারে যে ভূমিকম্প হয় তাতে ভূপৃষ্ঠের ভূমিকম্পের ঢেউ প্রবাহিত হতে দেখা গিয়েছিল। এই ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল ৬ থেকে ১২ ফিটের মতো। বিহারে বহু স্থানে কয়েক শত গজ দৈর্ঘ্যরে ফাটল হয়েছিল। এ রকম ভূমিকম্প বাংলাদেশে ঘটেনি। অবশ্য বিহার বাংলাদেশ থেকে দূরে নয়। বিহারে যা ঘটেছে বাংলাদেশেও যে তা কখনো ঘটতে পারে না এ রকম বলা যায় না।
ভয়াবহ ভূমিকম্প বাংলাদেশেও হতে পারে। কিন্তু তার কথা ভেবে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে মনে হয় না। ভূমিকম্পে মানুষের তি হয়; প্রধানত বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। ভূমিকম্পে বাড়িঘর ভেঙে পড়বে না এ রকম ইমারত মানুষ এখন বানাতে পারে। তবে বাংলাদেশে এ রকম ইমারত নির্মাণ হতে পারে যথেষ্ট ব্যয়বহুল। আমাদের দারিদ্র্য আমাদের ভূমিকম্পের য়তির হাত থেকে রা পাওয়ার অন্তরায় হয়ে থাকছে। আমাদের শহর গড়ে উঠছে যথেষ্ট অপরিকল্পিতভাবেই। বাড়িঘর নির্মাণ করা হচ্ছে পুকুর ও জলাভূমি ভরাট করে। এ রকম জায়গায় বাড়িঘর নির্মাণ ভূমিকম্প রোধের জন্য মোটেও অনুকূল নয়। এ রকম মাটিতে ভূমিকম্পের ঢেউ অনেক জোরালোভাবে সৃষ্টি করে ঝাঁকুনি। আমরা অনেক উঁচু উঁচু ইমারত নির্মাণ করছি। ভূমিকম্পের সময় উঁচু ইমারতের উপরিভাগ যত জোরে কাঁপে নিচের অংশ তত কাঁপে না। এই কম্পনের পার্থক্যজনিত কারণে উঁচু অট্টালিকা ভূমিকম্পের সময় অনেক সহজেই ভেঙে পড়ে। তাই উঁচু ইমারত নির্মাণে নেয়ার প্রয়োজন হয় ভূমিকম্প নিরোধী বিশেষ নির্মাণ কৌশল। কিন্তু আমরা ভূমিকম্প প্রতিরোধের জন্য বাড়িঘর তৈরিতে এই প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারছি না, এর একটি কারণ আমাদের সাধারণ অজ্ঞতা এবং আর একটি কারণ হলো অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা। আমাদের দেশে নগরায়নের সাথে সাথে তাই বাড়ছে ভূমিকম্পজনিত য়তি হওয়ার সম্ভাবনা। ভূমিকম্প কখন কোথায় হবে তার পূর্বাভাস আমরা এখনো দিতে পারি না। তবে ভূমিকম্পের ঢেউ এক জায়গায় থেকে আর এক জায়গায় পৌঁছতে কিছু সময় নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি এমন যন্ত্র নির্মাণ সম্ভব হয়েছে, যা ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে ছড়িয়ে দিতে পারবে। এর ফলে অনেক জায়গায় গিয়ে পৌঁছবে ভূমিকম্পের সংবাদ, সেখানে ভূমিকম্প আরম্ভ হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে। এর ফলে মানুষ সুযোগ পাবে সাবধান হওয়ার।
অনেকে মনে করছেন যে, মানুষ এখন যেভাবে ঝড়ের পূর্বাভাস দিতে পারে এবং সম্ভাব্য ঝড়ের অঞ্চল থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে। ভূমিকম্পের েেত্রও সে রকম ব্যবস্থা নেয় সম্ভব হবে। ল করে দেখা গেছে, কোনো স্থানে ভূমিকম্প শুরু হওয়ার আগে চুম্বক েেত্র পরিবর্তন আসে। কম্পাসের কাঁটা দিক পরিবর্তন করে। ভূমিকম্পের আগে অনেক জায়গায় ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়। বড় ভূমিকম্প হওয়ার আগে অনেক জায়গায় গভীর নলকূপের পানিতে র্যাডন [Radon] নামক তেজস্ক্রিয় গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। ভূমিকম্প আরম্ভ হওয়ার আগে সে জায়গায় কমতে দেখা যায় বায়ুমণ্ডলের চাপ। এ রকম অনেক কিছু ঘটতে দেখা যায় ভূমিকম্প কোনো স্থানে শুরু হওয়ার আগে। তথাপি এখনো দেয়া যাচ্ছে না ভূমিকম্পের পূর্বাভাস। তবে মনে হয় কিছু দিনের মধ্যে এ রকম ভূমিকম্পের পূর্বাভাস প্রদান সম্ভব হতেও পারে। যেখানে ভূত্বকে ফাটল থাকে সেখানে বড় রকমের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এসব ফাটলে গর্ত করে সেসব গর্তে পাম্প করে পানি ঢুকালে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়। কিন্তু দূর হয় বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা। কারণ এই ফাটলের দুই পাশের অংশ আলগা হয়ে সরে যায়। প্রবল ভূমিকম্প হওয়ার একটা কারণ হলো ফাটলের দুই পাশের মধ্যে প্রবল ঘর্ষণ ঘটা। কিন্তু এভাবে ফাটলের দুই পাশের অংশ আলগা হয়ে সরে গেলে এ রকম ঘর্ষণের সম্ভাবনা তিরোহিত হয়। অবশ্য এভাবে ভূমিকম্পের মাত্রা কমানোর প্রযুক্তি এখনো রয়েছে যথেষ্ট প্রাথমিক পর্যায়ে।
আগামীতে মানুষ ভূমিকম্পের মাত্রা কমানোর জন্য আরো অনেক ব্যবস্থার উদ্ভাবন করতেই পারে। আগে ভূমিকম্প হয়েছে কেবলই প্রাকৃতিক কারণে। কিন্তু এখন মানুষ নিজেও অনেক েেত্র হয়ে উঠেছে ভূমিকম্পের কারণ। মহারাষ্ট্রে কয়না নদীর ওপরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য করা হয়েছিল ড্যাম। এর ফলে সেখানে পানি জমে এত বেশি চাপের সৃষ্টি করে যে, মাটির নিচে বৃহৎ প্রস্তর খণ্ড ভেঙে যায়। আর উদ্ভব হয় ভূমিকম্পের। যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬.১। ভারত এখন আসামে টিপাই নদীর মুখে ড্যাম তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে একই কারণে সেখানেও হতে পারে বড় রকমের ভূমিকম্প। এবারের সিকিমের ভূমিকম্পকে বড় রকমের ভূমিকম্প বলা যায় না। কিন্তু সেটাকে নিয়ে করা হচ্ছে যথেষ্ট প্রচার। সিকিমের ভূমিকম্পে বাংলাদেশের মাটিও কেঁপেছে। কিন্তু এই কম্পনের মাত্রা ছিল খুবই মৃদু। অনেকের ধারণা রিখটার স্কেলে ৩ থেকে ৪ মাত্রার কাছাকাছি। আমরা ভূমিকম্পের পরিমাপ সাধারণত করে থাকি রিখটার স্কেলের মাধ্যমে। কিন্তু অনেকে এই স্কেলের মাধ্যমে ভূমিকম্পের পরিমাপ করতে চান না। তারা গ্রহণ করতে চান মারকাল্লি [Mercally] স্কেল অনুযায়ী। এই স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতাকে ১২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ১. অননুভবনীয়। এ রকম ভূমিকম্প কেবল ভুকম্পনলিপি যন্ত্রেই ধরা পড়ে; ২. ীণ। এ রকম ভূমিকম্প উঁচু তলায় বসবাসকারী মানুষ অনুভব করতে পারে; ৩. মৃদু। রাস্তা দিয়ে দোতলা বাস অথবা লরি গেলে যে ধরনের কম্পন সৃষ্টি হয় এ রকম ভূমিকম্পের কম্পন হলো তার তুল্য; ৪. পরিমিত। এ েেত্র আসবাবপত্র নড়ে খটখট শব্দ হয়। পাকাবাড়িতে অনেক মানুষ কম্পন অনুভব করতে পারে। ৫. নাতিপ্রবল। এ রকম ভূমিকম্পে দরজা-জানালায় ক্যাচক্যাচ শব্দ হতে থাকে। জানালার কাচ ফেটে যায়। ঘরের ঝুলন্ত বস্তুগুলো দুলতে থাকে। গাছের সরু ডালপালাগুলো চঞ্চল হয়ে ওঠে; ৬. প্রবল। এ রকম কম্পনে ভারী আসবাবপত্র দুলে ওঠে। সেল্ফ থেকে বই ছিটকে পড়ে। তাক থেকে বাসনপত্র পড়ে গিয়ে ঝনঝন শব্দ হয়। দেয়ালে ফাটল দেখা দিতে পারে এবং পুরনো জীর্ণ বাড়ি ধসে পড়া সম্ভব; ৭. অতি প্রবল। এ রকম ভূমিকম্পে পুরনো বাড়ি ভেঙে পড়ে। নতুন বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। পুকুরের পানিতে উঁচু ঢেউ ওঠে। নদীর পাড় থেকে মাটি ধসে পড়ে; ৮. ধ্বংসাত্মক। এ রকম ভূমিকম্পে বড় বড় গাছ দুলতে থাকে ও মাঝে মাঝে ভেঙে পড়ে। মজবুত বাড়িতে ও ভূপৃষ্ঠে ফাটল দেখা দেয়। কারখানার চিমনি ভেঙে পড়ে; ৯. দুর্যোগময়। এ রকম ভূমিকম্পে ভূপৃষ্ঠে প্রভূত ফাটল ধরে। ভেঙে পড়ে বাড়িঘর; ১০. বিধ্বংসী। এ রকম ভূমিকম্পে ভূপৃষ্ঠে ফাটল ধরে। ভেঙে পড়তে চায় কংক্রিটের সেতু। জলাশয় থেকে পানি উপচে পড়ে। বাঁশ দিয়ে তৈরী টিনের বাড়িঘর এ রকম কম্পনে ভেঙে পড়তে পারে। মজবুত পাকাবাড়ি এ রকম ভূমিকম্পে অত থাকতে পারে না; ১১. বিপর্যয়কর। এ রকম ভূমিকম্পে সব পাকাবাড়ি ভেঙে পড়ে। রাস্তাঘাট, সেতু বিনষ্ট হয়। ভূমি ভাগে গহ্বরের সৃষ্টি হয়। বেঁকে যায় রেলের লাইন; ১২. প্রচণ্ড বিপর্যয়কর। প্রায় সব বাড়িই ভেঙে যায়। বিভিন্ন সামগ্রী কম্পনের তীব্রতায় ছুটে চলে যায়। ভূপৃষ্ঠে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয় ব্যাপক হারে। এ রকম ভূমিকম্পে নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।
ভূমিকম্পে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কথা অনেক পাওয়া যায়। ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে তিস্তা নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছিল। আগে তিস্তা পড়ত পদ্মায়। কিন্তু এই ভূমিকম্পের পর তা একটা অতি পুরনো নদী খাত ধরে পড়তে শুরু করে ব্রহ্মপুত্রে। তিস্তা নদী নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। তিস্তা নদীর উদ্ভব হয়েছে সিকিমে। এবারের ভূমিকম্পে তিস্তার কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না আমরা এখনো তা জানি না। মমতা ব্যানার্জি ছুটে গিয়েছিলেন সিকিমে। এটা কেবলই যে সিকিমবাসীর প্রতি তার সহানুভূতি প্রদর্শন ছিল তা বোধহয় নয়। তিনি সরেজমিনে জানতে গিয়েছিলেন তিস্তা নদীর অবস্থা। আমরা বিশেষজ্ঞ নই। ভূমিকম্প সম্পর্কে সামান্য জ্ঞানই রাখি। কিন্তু ভূমিকম্প নিয়ে আমাদের দেশে যে রকম উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাকে সমর্থন করতে পারি না। বাংলাদেশের নিকট-ভবিষ্যতে বড় রকমের ভূমিকম্প হতে পারে আবার নাও হতে পারে। বড় রকমের ভূমিকম্প হলে বাড়িঘর ভেঙে অনেক মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ আমরা বাড়িঘর বানাচ্ছি খুবই দুর্বল উপকরণ দিয়ে, যা সহজেই ভেঙে পড়তে পারে।
লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
-
- জামিন নাকচ, ৩৩ নেতা জেলে বিস্তারিত
- ফজলুল কাদের চৌধুরীর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল বিস্তারিত
- প্রত্যাবর্তন বিস্তারিত
- ওসামাকে হত্যা করেনি যুক্তরাষ্ট্র তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বিস্তারিত
- মির্জা ফখরুল, খোকাসহ ১৪ বন্দীকে ডিভিশন অন্যরা সাধারণ সেলে বিস্তারিত
- আন্দোলনের কৌশল নিয়ে নেতাদের সাথে খালেদা জিয়ার বৈঠক বিস্তারিত
- রাজধানী হঠাৎ স্থবির বিস্তারিত
- বিরোধী নেতাদের নির্যাতন দেশবাসী কখনোই মেনে নেবে না : জামায়াত বিস্তারিত
- শফিক রেহমানকে আদালতে তলব বিস্তারিত
- আইএমএফের ঋণ শর্তসাপেক্ষেই হয় বিস্তারিত

