১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নারীদের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ

-

এ নগরীতে কর্মজীবী নারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু নারীদের চলাচলের ভোগান্তি কমছে না বরং বেড়েই চলছে। জ্যাম, যানবাহনের সঙ্কট নিত্যদিনের ঘটনা। এমন একটা সময় নারীদের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কিছুটা হলেও নারীদের স্বস্তি দিয়েছে। এসব নিয়ে লিখেছেন নাজমুল হোসেন


স্মার্টফোনভিত্তিক রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলো এরই মধ্যে ঢাকাসহ বাংলাদেশের প্রধান শহরগুলোতে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মধ্যে কেউ গাড়ি বা কেউ মোটরসাইকেল সেবা দিচ্ছে। কিছু অ্যাপে আবার ইচ্ছেমতো দু’টির মধ্য থেকে যেকোনোটি বেছে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু মাঝে মধ্যে এমন হয়, যখন ঢাকার ভেতরে পুরো পরিবার নিয়ে কোথাও যেতে হয় বা নারী যাত্রীর নারী রাইডার প্রয়োজন। এ রকম ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় অনেক সময়।
গত ৯ মাসে অ্যাপের মাধ্যমে গাড়ি, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ১০ সিটের মাইক্রোবাসের সেবা দিচ্ছে ‘ওভাই’।
কিন্তু বিশেষ কী সুবিধা দিচ্ছে ‘ওভাই’, যা আর কারো নেই? ‘ওভাই’ সলিউশন লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার কাজী ওমর ফেরদৌস বলেন, এক অ্যাপে চার ধরনের যানবাহন বেছে নেয়ার সুযোগ থাকায় যাত্রীদের তুলনামূলক কম সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গাড়ি, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল বা সিএনজি, অটোরিকশার মধ্যে যেকোনোটি তারা বেছে নিতে পারবেন। ফলে স্বল্পসময়েই গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা।
নারীদের কথা মাথায় রেখে ‘ওবোন’ নামে তারা আরেকটি সেবা চালু করেছে। নারী যাত্রীদের জন্যই ‘ওভাই’-এর বিশেষায়িত সেবা ‘ওবোন’। ‘ওভাই’ অ্যাপের অন্তর্ভুক্ত ‘ওবোন’ অ্যাপ দিয়ে যেকোনো নারী যাত্রী আরেকজন নারী বাইকারের সেবা নিতে পারছেন।
এখন পর্যন্ত ২০ জনের অধিক নারী রাইডার ‘ওবোন’ রাইড শেয়ারিং সেবা দিচ্ছেন। তারা প্রতিনিয়ত ঢাকার রাস্তায় নারী যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সহায়তা করেন। এ ছাড়া, ৫০ জনের বেশি নারী ইতোমধ্যে ‘ওবোন’ সেবা নিবন্ধন করেছেন এবং তারা নিয়মিত প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন।
ফেরদৌস বলেন, আগামী দিনগুলোতে আমরা আমাদের সেবার মান আরো উন্নত করতে চাচ্ছি। নারীরা যেন এ সেবাটি আরো সহজে পেতে পারে আমরা তা নিয়ে কাজ করব। নারী রাইডার ও নারী যাত্রীদের ক্ষমতায়ন বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। নারী রাইডার বৃদ্ধিতে আপনারা কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ফেরদৌস জানান, আমরা নারী রাইডারদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে তাদের জন্য সঠিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। নারীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করছি এবং নারী রাইডারদের আয় নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিশ্চিত করছি।
রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করে যাতায়াত করেন রামপুরার চামেলি হায়াত। তিনি বলেন, পুরুষ রাইডারের পেছনে নারী যাত্রীরা অস্বস্তি বোধ করেন। বিশেষ করে বাইকে ভারসাম্য রাখার জন্য অনেক সময়ই রাইডারকে ধরে থাকার প্রয়োজন হয়। এতে নারী যাত্রীরা বিব্রত বোধ করেন। এ ছাড়া বেশির ভাগ পুরুষ রাইডার বেপরোয়া বাইক চালান। সে দিক থেকে নারী রাইডারদের পেছনে বসা তুলনামূলক নিরাপদ।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme