২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সব পেশাতেই আজকের নারীরা

-

বিমানের পাইলট থেকে ডাক্তার, ব্যাংক থেকে করপোরেট জগৎ, প্রকৌশলী থেকে জাহাজের নাবিক, বিজ্ঞানী, শিল্প সংস্কৃতি এমনকি পুলিশ, সামরিক বাহিনী, সাংবাদিকতা, সমাজসেবা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, শিক্ষকতা এমনকি রাজনীতিতেও আজ নারীদের উদ্যম পদচারণা। আজকের নারীরা সব পেশায়ই যোগ্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রেখে চলেছেন।
বিভিন্ন পেশায় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নারী এখন কৃতিত্বের সাথে দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে। পরিবার সামলানোর পাশাপাশি দেশ সেবার এ মহান পেশা বেছে নিচ্ছেন তারা। সফলতার সাথে পালন করছেন চ্যালেঞ্জিং এ পেশা। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নারীরা প্রথম পুলিশ হিসেবে নিয়োগ পান। সে সময় সাদা পোশাকে ১৪ জন নারী স্পেশাল ব্রাঞ্চে কাজ করতেন। এরপর ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে নিয়োগ পান নারীরা। বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে মহিলা পুলিশ সদস্য আছে শতকরা পাঁচ ভাগেরও বেশি। যারা অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পুলিশ বাহিনীতে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।
সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কোরে নারী অফিসার থাকলেও ছিল না নারী সৈনিক। ২০১৫ সালে প্রথম দিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী সৈনিক যুক্ত হয়। এটি নারী অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক। তা ছাড়াও ২০১৫ সালে বাংলাদেশের নারীরা বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ২০১৪ সালে প্রথমবার যুদ্ধবিমান নিয়ে আকাশে উড়েছিলেন দু’জন নারী। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পেশায় গত এক দশকে বাংলাদেশে নারীরা উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রসর হয়েছেন। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কোরে নারী অফিসার, নারী সৈনিক, বিমান বাহিনীতে নারী বৈমানিক এমনকি বাংলাদেশের নারীরা বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক হিসেবে কাজ করছেন। সামরিক বাহিনীতে নারীদের এ অংশগ্রহণ দেশকে যেমন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তেমনি পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত করছে। জাতিসঙ্ঘ শান্তিমিশনগুলোতে নারীরা অংশ নিচ্ছেন। সাংবাদিকতা পেশা যেমন চ্যালেঞ্জিং, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু এ পেশায়ও নারীর সরব উপস্থিতি দেখা যায়। সংবাদ উপস্থাপনা থেকে রিপোর্টিং, সম্পাদক, ক্যামেরাপারসন, ফটোগ্রাফার সবখানেই নারীরা যোগ্যতা আর মেধা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বিপুল মেয়ে সাংবাদিকতায় আসছে, যা নারীর জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। শুধু শখের বশেই নয়; পেশা হিসেবে নারীরা বিমানের পাইলট, ট্রেনের চালক এমনকি জীবিকা অর্জনের জন্য গাড়ি চালানোকে এখন পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। বর্তমানে অনেক নারীই ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল গাড়িচালক হিসেবে চাকরি করছেন।
বাংলাদেশের নারীদের এই অগ্রগতি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছে সমাজের সব অংশে নারীর ক্ষমতায়নের এই চিত্র বিশ্বের জন্য রোল মডেল হয়ে উঠছে প্রতিনিয়ত। যদি নারী এগিয়ে যায় তবেই এগিয়ে যাবে সমাজ। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তিনি অনেক খুশি হতেন তার সুলতানার স্বপ্ন এবার পূরণ হতে দেখে।

 

 


আরো সংবাদ

মুন্সীগঞ্জে র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগের পরই শতরান! ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : প্রফেসর আসিফ নজরুলের বিশ্লেষণ আফগানিস্তান নিয়ে যা বললেন ধোনি কিশোরগঞ্জের মালা-রুমা বেগমদের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প রাঙ্গামাটির কাউখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২২টি দোকান পুড়ে ছাই আত্মহত্যার চেষ্টা করলেই কারাদণ্ড বা জরিমানা ভেনিজুয়েলাকে একঘরে করতে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের আহ্বান আন্তর্জাতিক সকল বিরোধ নিষ্পত্তি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্ব নেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ভারতে বন্যায় ১০ জনের প্রাণহানি ভিয়েতনামে ছুরিকাঘাতে একই পরিবারের ৩ সদস্য নিহত

সকল