২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মেয়েকে নিয়ে ভয়ে আছেন ট্রাম্প

মেয়েকে নিয়ে ভয়ে আছেন ট্রাম্প - ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার মেয়ে ইভানাকা ট্রাম্পকে জাতিসঙ্ঘের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে না। ট্রাম্প আরো বলেছেন, এ পদে ইভানাকাকে নিয়োগ দেয়া হলে তার মেয়ে বিশ্বস্ততা হারাবেন এবং তিনি নিজে স্বজনপ্রীতি অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন।

গতকাল আকস্মিকভাবে জাতিসঙ্ঘ রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন নিকি হ্যালি। এরপর অনেকেই বলাবলি করছেন, জাতিসঙ্ঘের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মেয়ে ইভানাকাকে নিয়োগ দিতে পারেন ট্রাম্প।

আইওয়াতে এক সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আপনাদের জানাতে চাই যে, সবাই জানে ইভানাকা এ পদের জন্য একজন শক্তিশালী প্রার্থী এবং বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে বেশি যোগ্য হবেন। কিন্তু আপনারা জানেন, আমার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ আনা হবে, কথাটি আপানারা বিশ্বাস করতে পারেন।”

ট্রাম্প জানান, আগামী দুই তিন সপ্তাহের মধ্যে জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূতের পদে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে। ডায়ানা পাওয়েল নামে এক নারীকে তিনি এ পদে নিয়োগ দেবেন বলে জানান।

ডায়ানা পাওয়েল এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সহকারী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন এবং চলতি বছরের প্রথম দিকে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন।

ইভানাকা বললেন ‘আমি সেই ব্যক্তি নই’
জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালির পদত্যাগের পর এ পদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় মেয়ে ইভানাকাকে নিয়োগ দেয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ইভানাকা গতকাল (মঙ্গলবার) এক টুইটার বার্তায় এ গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, “আমি জানি যে, নিকি হ্যালির জায়গায় প্রেসিডেন্ট একটি দুর্দান্ত নিয়োগ সম্পন্ন করবেন। তবে সেই ব্যক্তি আমি নই।”

গতকাল আকস্মিকভাবে নিকি হ্যালি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। এরপর অনেকেই বলাবলি করছেন, জতিসঙ্ঘের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে ইভানাকাকে নিয়োগ দিতে পারেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আগে ইভানাকা তার কোটিপতি বাবার হয়ে কাজ করেছেন। এছাড়া, বর্তমানে তিনি হোয়াইট হাউজের একজন অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি ইভানাকার ইহুদি স্বামী জারেড কুশনার হচ্ছেন ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক উপদেষ্টা। কুশনার ও ইভানাকা দুজনকেই হোয়াইট হাউজের প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
পার্সটুডে

আফগানিস্তানে যেভাবে হেরে গেল যুক্তরাষ্ট্র
রয়টার্স

আফগানিস্তানে ১৭ বছরের লড়াইয়ের পর অনেক মার্কিন নাগরিক সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সফলতার বিষয়ে সন্দিহান। শুক্রবার পিউ রিসার্চ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক জরিপের ফলাফলে এ কথা বলা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির জরিপে দেখা যায়, প্রায় প্রায় ৪৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিনি মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র সেখানে তাদের বেশির ভাগ লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। অপর দিকে ৩৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করে তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সফল। পিউ রিসার্চের সাম্প্রতিকতম জরিপে দেখা যায়, ১৬ শতাংশ মানুষ বলছে, যুক্তরাষ্ট্র সফল না ব্যর্থ তা তারা জানে না।


আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালের জরিপেও দেখা গিয়েছিল, এই যুদ্ধ সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করা নাগরিকের চেয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণকারী মার্কিনি বেশি। ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে পরিচালিত জরিপে দেখা গিয়েছিল, দেশটির বেশির ভাগ মানুষ মনে করে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে সফল হবে। সেপ্টেম্বরের জরিপে দেখা যায়, এখন ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকদের চেয়ে রিপাবলিকান দলের সমর্থকেরা আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক অভিযানের সাফল্যের বিষয়ে বেশি আশাবাদী।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme