২১ এপ্রিল ২০১৯

যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন এরদোগান

যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন এরদোগান - সংগৃহীত

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, ইদলিবের ঘটনাটি খুবই নির্দয়। সেখানে ভারি যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে। শরণার্থীরা এতে অংশ নিতে পারে। আমি আবারো বলছি, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে স্থানীয়দের সেখান থেকে পালিয়ে যেতে হবে। ইদলিবে বিষয়ে রাশিয়া ও ইরানের সাথে শুক্রবার আলোচনায় বসব। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা তেহরান থেকে একটি ইতিবাচক ফল আনতে সক্ষম হব।

কিরগিজিস্তানে তিন দিনের সফরের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এক সাক্ষাৎকারে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকারের মধ্যে নানা আলোচনা ও পরামর্শের কথা তুলে ধরেন। এরদোগান বলেন, আমরা এসব আলোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। সিরিয়ার চলমান সঙ্কট নিরসনের জন্য ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় ৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আগামী শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে এবং এতে যোগ দেবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। এ আলোচনায় ইদলিব ইস্যু বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এরদোগান বলেন, ইদলিবের পরিস্থিতি তুরস্কের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইদলিবে ৩৫ লাখ লোকের বসবাস রয়েছে এবং সেখানে অবশ্যই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। ইদলিবে অভিযান চালানো হলে সেখানকার বিরাট সংখ্যক মানুষ শরণার্থী হবে এবং একমাত্র তুরস্কেই তারা আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করবে। যখন আমরা সিরিয়ার শরণার্থী সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলছি তখন ইদলিব অভিযানের ফলে নতুন করে শরণার্থী সৃষ্টি হতে যাচ্ছে যা বিপজ্জনক বিষয়।

সিরিয়ার ইদলিবে বিদ্রাহীদের দখলে থাকা অংশে বোমা নিক্ষেপ ও মিসাইল হামলায় হত্যাকাণ্ড নিয়ে চিন্তিত এরদোগান। তিনি বলেন, সেখানে বৃষ্টির মতো মিসাইল হামলায় বড় ধরনের গণহত্যার আশঙ্কা রয়েছে। সাংবাদিকদের এরদোগান বলেন, সিরিয়ান সেনারা ইদলিবের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে বড় ধরনের আক্রমণ চালালে সেখানে মানবিক বিপর্যয়ের ভয় হচ্ছে। ইদলিব প্রদেশে মস্কো ও দামেস্কো জিহাদি গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করে মূলোৎপাটনের প্রতিজ্ঞা করেছে। প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের মিত্র রাশিয়া ইদলিবে হামালা বন্ধ থাকার ২২দিন পর আবার মঙ্গলবার বিমান থেকে বোমা হামলা চালাচ্ছে। তুরস্ক বিদ্রাহীদের বিষয়ে কয়েকবার রাশিয়ার সাথে আলোচনা করেছে, এতে ওয়াশিংটনের সমর্থন রয়েছে। রাশিয়ার সহযোগিতা আমাদের আমাদের গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকা বল ছুড়ছেন রাশিয়ার দিকে আর রাশিয়া বল ছুড়ছেন আমেরিকার দিকে। 

এরদোগান বলেন, গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে আটক মার্কিন পাদ্রী অ্যান্ড্রু ব্রানসনকে মুক্তির দাবি বেআইনি। আমেরিকার অন্যায় দাবি মেনে নেবে না তুরস্ক। মার্কিন পাদ্রীকে আটকের কারণে আমেরিকার সাথে তুরস্কের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। তবে আঙ্কারা আইনের বাইরে যাবে না। কেউই তুরস্কের কাছে দেশের আইনবিরোধী দাবি জানাতে পারে না। এটা ঠিক নয়।  তুরস্কের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় কোনো কাজ হবে না।

মার্কিন পাদ্রীর বিচারকে কেন্দ্র করে গত মাসে তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা এর পাশাপাশি এস-৪০০ ক্রয় ইস্যুতেও তুরস্ককে আমেরিকা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। দুই বছর ধরে আটক রাখা মার্কিন যাজক ব্রানসনকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে তুরস্ক মুক্তি দিতে না চাওয়ার কারণে দেশ দুটি সম্প্রতি ঘোর বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে।

ব্রানসনের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) এবং ফেতুল্লাহ গুলেনপন্থী সংগঠনের যোগাযোগ থাকার অভিযোগ করেছে তুরস্ক। কারণ এ সংগঠনটি ২০১৬ সালে তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থানচেষ্টার হোতা বলে আঙ্কারা মনে করে। ব্রানসনকে তুরস্ক দীর্ঘ ২১ মাস কারান্তরীণ রাখার পর জুলাই থেকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। তার মুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে চাপ দিলেও দেশটি তা মানেনি।

পেনসিলভানিয়ায় বাস করা ফেতুল্লাহ গুলেনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নেয়নি অভিযোগে তুরস্ক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৬ সালের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার নিন্দা জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে বলে তুরস্ক অভিযোগ করেছে।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat