২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট উৎপাদনে বিশ্বরেকর্ড তুরস্কের

সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট উৎপাদনে বিশ্বরেকর্ড তুরস্কের - সংগৃহীত

বিশ্বের সর্ববৃহৎ রকেট আর্টিলারিতে বিশ্বরেকর্ড করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে তুরস্ক। দেশটির শীর্ষস্থানীয় রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'রকেটসান' এ রেকর্ড করেছে। জোবারিয়া নামে বহুমুখি ক্রাশ রকেট লাঞ্চার সিস্টেম তৈরি করে এ রেকর্ড করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য জোবারিয়া উৎপাদন করা হয়েছে।

বিশ্বে এ পর্যন্ত যত রকেট সিস্টেম রয়েছে তার চেয়ে জোবারা রকেট সিস্টেমে রকেটের ব্যারেলের সংখ্যা বেশি। জোবারাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ১২২ মিলিমিটার আর্টিলারি রকেট সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রকেট লঞ্চারটিতে ১০ চাকার সেমিট্রেইলার ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি ট্রেইলারে একটি করে ১২২ মিলিমিটার রকেট রয়েছে।

নতুন এ রকেট সিস্টেম থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরত্বের যেকোনো লক্ষ্যে ২৪০টি রকেট নিক্ষেপ করা সম্ভব। লক্ষ্যবস্তুর চতুর্দিকে চার কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা এ রকেটের আঘাতে ধ্বংস হবে।

গত বছর তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় এ প্রতিষ্ঠানটি ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার আয় করে। যা এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বেশি।

ইসরাইলের চূড়ান্ত টার্গেটে পরিণত হয়েছে তুরস্ক
ইয়ানি শাফাক ও আল জাজিরা, ২২ মে ২০১৮

তুরস্কের সাবেক এ্যাডমিরাল সনার পোলাত বলেছেন- ইসরাইলের চূড়ান্ত টার্গেট তুরস্ক। সিরিয়ায় ইসরাইলের অগ্রগতি মানে তারা তুরস্কের কাছাকাছি চলে আসা।

তুরস্কের সামরিক বাহিনীর বিশেষজ্ঞ বলেন, সিরিয়ায় পিকেকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সিরিয়া ও তুরস্কের বিজয় ফিলিস্তিন এবং জেরুসালেমকে অবশ্যই প্রভাবিত করছে। এজন্য তুরস্ক ইসরাইলের চূড়ান্ত টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ইসরাইল যেভাবে তার সামরিক কৌশল ঠিক করছে, আঞ্চলিক স্থাপনাগুলো যেভাবে সাজাচ্ছে তাকে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে তারা তুরস্ককে টার্গেট করেছে।

তিনি বলেন, ইসরাইল, সৌদি আরব, আরব আমিরাত এবং মিসর যে জোট করেছে তা শুধু তাদের জনগণের জন্য হুমকি নয়, বরং বিশ্ব মানবতার জন্য হুমকি।

এর আগে তুরস্কে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছিলেন, তুরস্ক সব সময় ফিলিস্তিনিদের সাথে আছে। তুরস্ক তার কূটনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কাজ করছে। ইসরাইলের প্রধান টার্গেট তুরস্ক ও আমি। এতে প্রমাণ হয় আমরা সঠিক পথেই আছি।

গাজায় ইসরাইল নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৬২ ফিলিস্তিনিকে হত্যার প্রতিবাদে তুরস্কের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে এসে পৌঁছেছে। তুরস্ক থেকে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইতান নাভেহকে বহিষ্কারের পর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরাইলও তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয়, ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত আঙ্কারা ত্যাগও করেন।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme