১৪ নভেম্বর ২০১৮

তুরস্কে বাড়ি কিনছে ইরাকি-ইরানি-সৌদিয়ান-রাশিয়ান-আফগানরা

তুরস্কে বাড়ি কিনছে ইরাকি-ইরানি-সৌদিয়ান-রাশিয়ান-আফগানরা - সংগৃহীত

তুরস্কে বিদেশিদের বাড়ি কেনার প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে সবেচেয়ে এগিয়ে আছে সৌদি আরব ও ইরাকের নাগরিকরা। ২০১৮ সালের ছয় মাসে ১ হাজার ৮৭টি বাড়ি কিনেছে সৌদি নাগরিকরা। 

চলতি বছরের ছয় মাসে তুরস্কে বিদেশিদের বাড়ি কেনার প্রবণতা ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তার্কিশ স্ট্যাটিসটিকস ইন্সটিটিউট (তার্কস্টেট) এর এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার তার্কস্টেট এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

২০১৮ সালের ছয় মাসে ইস্তাম্বুলে বিদেশিদের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি গত বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময়ের মধ্যে মোট ১১ হাজার ৯৪৪টি ফ্ল্যাট কিনেছে বিদেশিরা।

১১ হাজার ৯৪৪টি ফ্ল্যাটের মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ কিনেছে সৌদি আরব, ইরাক ও ইরানি নাগরিকরা।

গত ছয় মাসে সৌদি নাগরিকরা কিনেছে এক হাজার ৮৭টি, ইরানিরা কিনেছে ৯৪৪, রাশিয়ানরা ৮১৫টি এবং আফগানিরা কিনেছে ৭১৯টি ফ্ল্যাট।

তুরস্ককে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই : এরদোগান
আনাদুলো এজেন্সি, ১০ জুলাই ২০১৮

তুরস্কের প্রথম নির্বাহী প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, প্রেসিডেন্ট শাসিত সরকার পদ্ধতির মাধ্যমে তুরস্ককে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থা কার্যকরের মাধ্যমে তুরস্ক তার অগ্রযাত্রা নতুন করে শুরু করেছে।

আঙ্কারায় প্রেসিডেন্ট কমপ্লেক্সে দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে দেয়া বক্তৃতায় এরদোগান বলেন, আমরা একটি নতুন শাসন ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছি; যেটি আমাদের ১৫০ বছর ধরে গণতন্ত্র অনুসন্ধান থেকে অনেক দূরে এবং আমাদের ৯৫ বছর বয়সী গণপ্রজাতন্ত্রের মাধ্যমে আমরা এই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি।

তিনি বলেন, ‘সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চেষ্টা করব। আমাদের যারা ভোট দিয়েছেন, আমি কেবল তাদের প্রেসিডেন্ট হবো না, তুরস্কের ৮১ মিলিয়ন নাগরিকের প্রেসিডেন্ট হতে চাই।’

তিনি বলেন, নতুন এই ব্যবস্থা অতীতের প্রান্তিককরণ, নিপীড়ন, এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতার অবসান ঘটাবে।নুতন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, স্বাধীনতা, অর্থনীতি এবং বৃহৎ বিনিয়োগ সহ সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলে তুরস্ক আরো এগিয়ে যাবে। জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তুরস্ককে শক্তিশালী করতে কাজ চালিয়ে যাব।

আঙ্কারা: তুরস্কের নতুন শাসন ব্যবস্থার প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন এরদোগান। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানী আঙ্কারার গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে পার্লামেন্টের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার দুরমাস ইলমিজের সভাপতিত্বে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরদোগানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশ বিদেশের প্রায় ১০ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।

বিদেশি নেতাদের মধ্যে কাতারের আমির সহ ২১টি দেশের প্রেসিডেন্টরা উপস্থিত ছিলেন। দেশগুলো হচ্ছে-বুলগেরিয়া, জর্জিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, মোলদোভা, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, সার্বিয়া, কসোভো, পাকিস্তান, কিরগিজস্তান, সুদান, গিনি, জাম্বিয়া, গিনি বিসাউ, নিরক্ষীয় গিনি, সোমালিয়া, মৌরিতানিয়া, গ্যাবন, শাদ, জিবুতি, ভেনেজুয়েলা, তুর্কি প্রজাতন্ত্রের উত্তর সাইপ্রাস। এছাড়াও, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ