১৯ এপ্রিল ২০১৯

সব প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে দিবে তুরস্ক

সব প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে দিবে তুরস্ক - সংগৃহীত

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে কৃষ্ণসাগরের তীরে দুর্গের মত করে নতুন বিমানবন্দর তৈরি করা হচ্ছে। এমন সিম্বল দিয়ে এটি তৈরি করা হচ্ছে যা তুর্কিদের খারাপ অধ্যায়কে ঢেকে দেবে এবং তুরস্কের অটোমান রাজকীয় ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের ইচ্ছাকে প্রকাশ করবে।

ধারণা করা হচ্ছে প্রকল্পটির ব্যয় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি হবে এবং এর জন্য ৬টি রানওয়ে নির্মাণ করা হবে যা প্রায় ম্যানহাটন শহরের মত বড় হবে। এক দশকের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। আশা করা হচ্ছে তখন এটি বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন মানুষের যাতায়াতের একটি ক্ষেত্রে পরিণত হবে, যা এই গ্রহের সবচেয়ে ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে সব প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে দিবে।

বিমানবন্দরটি অত্যাধুনিক তুরস্কের রুচিশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।  ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উদ্বেগের বিশ্বে তুরস্ক এরদোগানের প্রভাব দ্বারা নিরবিচ্ছিন্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আছেন। 

বিমানবন্দরটির ১ম ধাপ অক্টোবরে উন্মুক্ত করা হবে এটা জনসাধারণের মনে স্বস্তির কারণ হবে যাদের টাকা এরদোগানের খুব কাছের নির্মাণ সংস্থাগুলির নিকট চলে গেছে। সরকার তাদের যে কোনো ক্ষতির বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন যে, বিমানবন্দরটি যাত্রী প্রবাহের চাইতেও মহৎ হিসেবে প্রমাণিত হবে যদি জনসাধারণের অর্থের ব্যয় হ্রাস পায়।

এই নতুন বিমানবন্দরের জন্য যেসব গ্রামবাসী ভূমি দিয়েছে তাদের কাছে এই প্রকল্পটি ভয়ের কারণ হয়ে উঠেছে। বোরা দিলার নামে একজন কৃষক যার ভূমি প্রকল্পটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তিনি জানান- ‘এরদোগান তার নিজের লোকদেরকেই দেখছেন। আমাদের আর কিছুই হারানোর নেই’।

সরকার বিশাল বিমান বন্দরের মত অবকাঠামোগত প্রকল্পে সহয়তা করেছে এবং ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ২৮ মাইল দীর্ঘ খাল খনন করেছে। এসব অধিকাংশই বিদেশি মুদ্রায় ঋণ নেয়া যার মানে লিরার (তুরস্কের মুদ্রা) মান অনুপাতে তাদের বোঝা আরো বেড়েছে।

তুরস্ক দাঁড়িয়ে আছে একটি অপ্রত্যাশিত স্বতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর যেটা এক দিয়েছে গোঁড়ামি মুক্ত স্থিতিশীল অর্থনীতি। দুই বছর পূর্বে এরদেগানকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য ব্যর্থ অভ্যুথানের পর থেকে, এরদোগান ক্রমাগত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ক্রেডিট নোট খুলেছেন।

বিমানবন্দরটির কাছাকাছি ইয়েনিকোই নামক গ্রামটিতে একধরনের সঙ্কটের অনুভূতি তৈরী হয়েছে তখন থেকেই যখন থেকে এরদোগান এটিকে বিশ্বের অন্যতম আকাশযাত্রার কেন্দ্র করার প্রকল্প হাতে নেন এবং একে লন্ডন ও দুবাই এর মত শহর করার স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। ইস্তাম্বুল শহরটি ১৫ মিলিয়ন মানুষের এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে যাতায়াতের অন্যতম পথ। এর প্রাথমিক আতাতুর্ক বিমানবন্দরটি এত সংখ্যক লোকজনের জন্য প্রয়োজন মেটাতে পারে না।

পৃথিবী পরিবর্তনকারীরা এখন কৃষ্ণ সাগরের পাশের ফ্যাকাশে মাটি ছিঁড়ে এত বড় বিমানবন্দরটি নির্মাণ করবে।  বিমানবন্দরটি নির্মাণের জন্য রাষ্ট্র তাদের চারণ ভূমি অধিগ্রহণ করেছে তাদেরকে পরিমিত ক্ষতিপূরণ দেয়ার মাধ্যমে। 


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al