২৫ মে ২০১৯

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ষষ্ঠ সমাবর্তন

-

গত ৭ এপিল ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ষষ্ঠ সমাবর্তন পুলিশ কনভেনশন সেন্টার, মিরপুর-১৪তে অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন সদ্য উত্তীর্ণ হওয়া গ্র্যাজুয়েটদের পদভারে মুখরিত হয়ে ওঠে কনভেনশন হলের বিশাল প্রাঙ্গণ। তাদের পরনে ছিল সমাবর্তনের কালো গাউন ও ক্যাপ। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা সকাল ১০টায়। কিন্তু সকাল ৮টা থেকে তাদের সমাগম ঘটতে থাকে। হলের সামনে কেউ সেলফি আবার অনেকে গ্রুপ হয়ে ছবি তুলতে থাকেন ভবিষ্যৎ জীবনকে স্মৃতিময় করে তুলতে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিভাগ অনুযায়ী গ্র্যাজুয়েটরা সারিবদ্ধভাবে হলে প্রবেশ করতে থাকে। প্রবেশমুখে তাদের অভ্যর্থনা জানান অনুষদের ডিনগণ। শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। এতে সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং ওই ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত সভাপতি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, এ দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যেমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে, তেমনি উপযুক্ত মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে সরকার দেশকে বিশ্বের দরবারে একটি স্বয়ংসম্পন্ন, আত্মনির্ভরশীল, টেকসই ও উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, তরুণ গ্র্যাজুয়েটরা তাদের মেধা, মনন, প্রজ্ঞা ও কর্ম দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে বিশ্বের দরবারে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। পাশাপাশি তারা যেন নিজেদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে পারে। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, জ্ঞানের রাজ্য কোনো মতাদর্শের, গোষ্ঠীচিন্তার, মেকি আদর্শবাদের কানাগলির দেশ নয়, বরং তা প্রকৃতির মতো উদার। এই ঔদার্য, প্রাগ্রসর চিন্তা, পরমতসহিষ্ণুতাই হচ্ছে জ্ঞানের একটি প্রকাশ। আর যখন জ্ঞানকে প্রক্রিয়াজাত করে তোমরা প্রজ্ঞার সন্ধান পাবে, দেখবে তোমাদের স্বার্থচিন্তা চলে গেছে, তোমরা যতটা না নিজেদের উন্নতির জন্য ব্রতী, তার থেকে বেশি পরহিতের জন্য। শিক্ষাকে যদি ওই পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তবে তোমাদের হাত ধরেই দেশটা আগামীর পথে এগিয়ে যেতে পারবে। তিনি গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, তোমাদের স্বপ্ন যত বড় হবে, যত অন্যদের সেই স্বপ্ন জড়িয়ে দেবে, তত সেটি রঙিন হবে এবং তত তোমাদের তা ঘিরে থাকবে। স্বাগত বক্তব্যে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ডা: মুহাম্মাদ শহীদুল কাদির পাটোয়ারী বলেন, আমরা সমাবর্তনে ১৬৫৭ গ্র্যাজুয়েটকে সনদ দিয়েছি, তারা সবাই সনদ অর্জন করে নিয়েছে। ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কে এম মোহসীন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্তদের জন্য ১৯৯৫ সালে ৭ এপ্রিল এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তাই এখানে টিউশন ফি তুলনামূলক কম। বর্তমানে এখানে প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।
তার মধ্যে তিন শতাধিক বিদেশী ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করছে। বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি বলেন, সমাবর্তনে ৩০ জন বিদেশীসহ এক হাজার ৬৫৭ জন গ্র্যাজুয়েট সনদ পান। আশা করি, তারা সাফল্যের সাথে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবেন। সমাবর্তনে দু’জনকে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড, পাঁচজনকে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ও ছয়জনকে ডিন অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। সমাবর্তনে আরো উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য অ্যাডভোকেট শাহেদ কামাল পাটোয়ারীসহ অন্যান্য সদস্য, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাইনুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো: সেলিম ভূঁইয়া, সিন্ডিকেট সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, গ্র্যাজুয়েটদের অভিভাবক, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শেষে বাপ্পা মজুমদার ও কিশোর ক্লাউডিসের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa