২০ আগস্ট ২০১৯

বিজ্ঞান পঞ্চম অধ্যায় : পদার্থ ও শক্তি

-

সুপ্রিয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের বিজ্ঞান বিষয়ের ‘পঞ্চম অধ্যায় : পদার্থ ও শক্তি’ থেকে আরো ৩টি যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো।
যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন : আমরা কিভাবে শক্তি সংরক্ষণ করতে পারি?
উত্তর : আমরা নিম্নোক্ত উপায়ে শক্তি সংরক্ষণ করতে পারিÑ
১. ব্যবহারের পর বৈদ্যুতিক বাতি এবং যন্ত্রপাতিসমূহ বন্ধ রাখা।
২. প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ধরে রেফ্রিজারেটরের দরজা খোলা না রাখা।
৩. বাড়িতে ছায়ার ব্যবস্থা করার জন্য গাছ লাগানো।
৪. বাতি না জ্বালিয়ে পর্দা সরিয়ে দিনের আলো ব্যবহার করা।
৫. গাড়ির বদলে যথাসম্ভব হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করা।
প্রশ্ন : পদার্থের তিন দশার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
উত্তর : পদার্থের তিনটি দশা হলো কঠিন, তরল ও বায়বীয়। নিচে পদার্থের তিনটি দশার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলোÑ
কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য :
১. কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আছে।
২. কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে।
৩. কঠিন পদার্থ নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা দখল করে।
৪. কঠিন পদার্থে বল প্রয়োগ করলে তা বাধার সৃষ্টি করে।
৫. কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত হয়।
৬. কোনো কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। যেমনÑ ন্যাপথলিন।
তরল পদার্থের বৈশিষ্ট্য : ১. তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে। কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই।
২. তরল পদার্থ স্থান দখল করে।
৩. তরল পদার্থের ওজন আছে।
৪. তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা যায়, সেই পাত্রের আকার ধারণ করে।
৫. তাপ দিলে তরল পদার্থ গ্যাসে পরিণত হয়।
৬. তরল পদার্থকে ঠাণ্ডা করলে কঠিন পদার্থে পরিণত হয়।
৭. তরল পদার্থ ঢালুর দিকে গড়িয়ে চলে।
বায়বীয় পদার্থের বৈশিষ্ট্য :
১. বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার নেই।
২.বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন নেই।
৩. বায়বীয় পদার্থের ওজন আছে।
৪. বায়বীয় পদার্থকে ঠাণ্ডা করলে তরলে পরিণত হয়।
৫. বায়বীয় পদার্থ স্থান দখল করে।
প্রশ্ন : শক্তির রূপান্তরের পাঁচটি উদাহরণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : এক প্রকার শক্তিকে অন্য প্রকার শক্তিতে পরিবর্তন করা সম্ভব। শক্তির এ পরিবর্তনকে শক্তির রূপান্তর বলে।
শক্তি রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ : ১. যান্ত্রিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি : হাতে হাত ঘষলে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. তাপশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি : স্টিম ইঞ্জিনে তাপের সাহায্যে স্টিম উৎপন্ন করে রেলগাড়ি চালানো হয়।
৩. আলোকশক্তি থেকে তাপশক্তি রূপান্তর : হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়। এখানে আলোকশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।
৪. শব্দশক্তি থেকে তড়িৎশক্তি রূপান্তর : টেলিফোন বা রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৫. বিদ্যুৎশক্তি থেকে তাপশক্তি রূপান্তর : বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার প্রভৃতিতে তড়িৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


আরো সংবাদ

bedava internet