২২ নভেম্বর ২০১৮

ডিআইইউতে ফার্মেসি প্রোগ্রামে পড়া

-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী ১৯৯৫ সালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এ ইউনিভার্সিটিতে সাত হাজারের অধিক ছাত্রছাত্রী ও ২১০ জন পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন শিক্ষক ও ১৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন। এ ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের চার শতাধিক বিদেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
ফার্মেসি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরিদা বেগম এ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান, যার দিকনির্দেশনায় ফার্মেসি বিভাগ আজ এ ইউনিভার্সিটিতে সবচেয়ে বড় বিভাগ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত ওষুধ দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৭০টি দেশে রফতানি হচ্ছে। এই বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত এবং বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত। নিজস্ব শিক্ষক ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরা এই বিভাগে শিক্ষাদানের সাথে জড়িত। এই বিভাগে রয়েছে সময়োপযোগী ও অনুমোদিত পাঠ্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় বই সংবলিত গ্রন্থাগার। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতোমধ্যে সাফল্যের সাথে কৃতকার্য হওয়া ফার্র্মাসিস্টরা দেশের বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে সাফল্যের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। এই বিভাগে রয়েছে পাঁচটি ল্যাবরেটরি, যেখানে শিক্ষার্থীরা গবেষণা করে থাকেন। এসব গবেষণার ফলাফল, তথ্য-উপাত্ত দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সাময়িকীতে ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ফার্মেসি বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য যেখানে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ থেকে ৯ লাখ টাকার প্রয়োজন, সেখানে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে প্রয়োজন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এডুকেশন সেল (আইকিউএসি) : এ ইউনিভার্সিটির নিজস্ব একটি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এডুকেশন সেল (আইকিউএসি) রয়েছে। এটি ইউজিসির অধীনে ‘হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)’ ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সাতটি সেলফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটি ১ জুলাই ২০১৫ থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। গবেষণা ও প্রকাশনা সেল : এ ইউনিভার্সিটিতে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গবেষণা ও প্রকাশনা সেল রয়েছে। ওই সেলের পরিচালক হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো: সানা উল্লাহ। সোস্যাল বিজনেস একাডেমিক সেল : এ ইউনিভার্সিটির সোস্যাল বিজনেস একাডেমিক সেল এ দেশের সামাজিক ব্যবসা বিস্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ইতোমধ্যে এ ইউনিভার্সিটির সোস্যাল বিজনেস একাডেমিক সেলের সাথে ইউনুস সেন্টারের এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যাডভোকেসি সেল : বাংলাদেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এ সেল অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ
সেল : এ দেশের ধূমপানবিরোধী আন্দোলনে এ ইউনিভার্সিটির টিসিআরসি বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। ইন্টারনেট ও ল্যাবরেটরি সুবিধা : এ ইউনিভার্সিটি সম্পূর্ণ ওয়াইফাইয়ের আওতাভুক্ত। এ ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে মানসম্পন্ন প্রায় ৩১টি ল্যাবরেটরি। লাইব্রেরি সুবিধা : এ ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে দেশী-বিদেশী পর্যাপ্ত বই ও জার্নালসমৃদ্ধ তিনটি লাইব্রেরি। ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব : শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট, ঢাকার সাথে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এমওইউ স্বাক্ষর করেছে।
আবাসিক সুবিধা : এ ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাছে ছেলেদের পাঁচটি এবং মেয়েদের দু’টি হোস্টেল রয়েছে। এ ছাড়াও নিকুঞ্জ জোয়ার সাহারায় ছেলেদের জন্য একটি এবং গ্রিন রোডে মেয়েদের জন্য একটি হোস্টেল রয়েছে। পরিবহন সুবিধা : এ ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়ার জন্য পরিবহন সুবিধা রয়েছে। বৃত্তি : এ ইউনিভার্সিটিতে দরিদ্র, মেধাবী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃত্তি দেয়া ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরধারীদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাস : বাড্ডার সাতারকুলে এ ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে তিনটি ভবনসহ ওয়াইফাই, ক্যান্টিন, ব্যায়ামাগার ও অডিটোরিয়াম রয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসে ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসার জন্য বাস ও শাটল সার্ভিস রয়েছে। যোগাযোগ : স্থায়ী ক্যাম্পাস : সাতারকুল, বাড্ডা, ঢাকা। ফোন : ০১৯৩৯৮৫১০৬০। ক্যাম্পাস : ৬৬, গ্রিন রোড, ঢাকা।
ফোন : ০১৬১১৩৪৮৩৪৪-৮। ক্যাম্পাস : বাড়ি-০৪, সড়ক-০১, ব্লক-এফ, বনানী, ঢাকা। ফোন : ০১৯৩৯৮৫১০৬১-৪


আরো সংবাদ