esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চা উৎপাদনে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ

অতীতের সকল রেকর্ড টপকিয়ে এবার চা উৎপাদনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলো বাংলাদেশ। চা শিল্পের ১৬৫ বছরের ইতিহাসে এটি নতুন রেকর্ড।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চায়ের মোট উৎপাদন হয়েছে ৯৬ দশমিক ০৭ মিলিয়ন কেজি (৯ কোটি ৬০ লাখের বেশি)। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক কোটি ৬০ লাখ কেজির বেশি। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পক্ষ থেকে গত সপ্তাহে (২০ জানুয়ারী বিকেলে) নতুন রেকর্ডের এ তথ্য প্রকাশ করে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড (বিটিবি) সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৌসুমে দেশে চা উৎপাদন হয় ৮২ দশমিক ১৩ মিলিয়ন কেজি। যা দেশের চা উৎপাদন মৌসুমের (২০১৮ সালে) সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল। সে বছর চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭২ দশমিক ৩ মিলিয়ন কেজি। এর আগে ২০১৬ সালে ১৬২ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছিল ৮৫ দশমিক ০৫ মিলিয়ন কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের (বিটিবি) উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. মুনির আহমদ সাংবাদিদের বলেন, চায়ে সর্বকালের রেকর্ড করলো বাংলাদেশ। এখন আমরা রপ্তানিও করতে পারবো। রপ্তানির জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি।

‘রেকর্ড সাফল্য’ উল্ল্যেখ করে মো. মুনির আহমেদ বলেন, সরকার যথাসময়ে সার দিয়েছে, সুষ্ঠুভাবে চা বাগানগুলোতে তদারকি করেছে, আমরা আমাদের চা বিজ্ঞানীদের নিয়মিত বিভিন্ন বাগানে পরিদর্শনে পাঠিয়েছি, অন্য বছরের তুলনায় প্রায় প্রতিটি চা বাগানেই তদারকি অনেকগুণ বাড়ানো হয়েছিল। সরকারের পক্ষ থেকে এসব বাস্তবমুখী কার্যক্রমের কারণেই আজ এ সাফল্য এসেছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট (পিডিইউ) এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. একেএম রফিকুল হক বলেন, ২০১৮ সালের চেয়ে ২০১৯ সালে দেশে প্রায় ১৪ মিলিয়ন কেজি চা বেশি উৎপন্ন হয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে চা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনই এখন লক্ষ্য।

বাংলাদেশ চা সংসদ সিলেট অঞ্চল শাখার চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, আগে কয়েকবছর চা উৎপাদন ভালো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট চা-বাগান কর্তৃপক্ষ ও চা-বোর্ডের নানামুখী পদক্ষেপে দু-তিনবছর ধরে উৎপাদন বেড়েছে।


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat