film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

প্রধান শিক্ষকের কুপ্রস্তাব পেয়ে আতঙ্কিত সহকারি শিক্ষিকা

প্রধান শিক্ষকের কুপ্রস্তাব পেয়ে আতঙ্কিত সহকারি শিক্ষিকা - ছবি : নয়া দিগন্ত

দীর্ঘ দিন ধরে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে কুপ্রস্তাব আসতো শিক্ষিকার মোবাইলে। থানায় জিডি করে পুলিশের সহায়তায় জানা গেল ওই অপরিচিত নম্বর স্কুলের প্রধান শিক্ষকের। এরপর উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করেও তেমন কোনো ফায়দা হয়নি। এমতাবস্থায় নিরাপত্তা ও চাকরি নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শিক্ষিকা।

ঘটনা সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার। উপজেলার শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। অভিযোগ করেছেন একই বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা।

জানা যায়, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের এক ছেলে ও মেয়ে আছে। অভিযোগকারী শিক্ষিকার দুইটা মেয়ে আছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ ও জিডির সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষিকার ব্যাক্তিগত মোবাইল নম্বরে দীর্ঘ দিন ধরে অজ্ঞাত একটি গ্রামীণফোন নম্বর থেকে এসএমএস আসতো। এসএমএসে কুপ্রস্থাব ও হুমকিম দেয়া হতো। ঘটনাটি ওই সহকারী শিক্ষিকা ম্যনেজিং কমিটির সভাপতিসহ সবাইকে জানান। পরে তাহিরপুর থানায় ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর জিডি করেন (জিডি নং ১৭০)। এরপর পুলিশ প্রযুক্তির সহযোগিতায় জানতে পারেন কুপ্রস্তাব ও হুমকি আসা ওই অপরিচিত মোবাইল নম্বরটি শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদার।

এসএমএস পাঠানোর বিষয়ে ওই শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চান। তখন প্রধান শিক্ষক ক্ষমা চেয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। এরপর থেকে প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদা ওই শিক্ষিকাকে আরো বেশি উত্যক্ত করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ শিক্ষিকার। নিরুপায় হয়ে চাকরী করার স্বার্থে ও নিরাপত্তার জন্য তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে এই বিষয়টি নিয়ে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর লিখিত আবেদন করেছিলেন। আবেদনটি রিসিভ করেছিলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার বিপ্লব চন্দ্র সরকার।

তখন এই বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন শিক্ষা অফিসার। কিন্তু অভিযোগ দায়েরের তিন মাস পার হলেও অদৃশ্য কারণে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কোন ব্যবস্থাই নেননি এখনো। এমতাবস্থায় ওই শিক্ষিকা চাকরী ও নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে হুমকির মুখে আছেন।

এই বিষয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার বিপ্লব চন্দ্র সরকার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমি তদন্ত শুরু করেছি। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women