১২ ডিসেম্বর ২০১৮

সুনামগঞ্জে বন্যার পরিস্থিতির অবনতি

-

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় টানা অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানি সুরমা নদী দিয়ে বিপদ সীমায় প্রবাহিত হয়ে উপজেলার নিম্নঅঞ্চল প্লাবিত হয়ে অর্ধ শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাড়ী ঘর পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে।
বিগত এক সপ্তাহ যাবত অবিরাম বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের ঢলের পানি সুরমা নদী দিয়ে বিপদ সীমায় প্রবাহিত হয়ে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ও দক্ষিন, পাইকুরাটি ও চামরদানী ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিতরে পানি না ঢুকলেও বিদ্যালয়গুলোর ভিটের সমান সমান পানি হওয়ায় বিদ্যালয়গুলোতে আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তাগুলো বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না। এসব বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি একেবারে নাই বললেও চলে।

চামরদানী ইউনিয়ন-পাইকুরাটি-সুখাইড় রাজাপুর উত্তর-দক্ষিন ও জয়শ্রী ইউনিয়নের নিম্ন এলাকার একাধিক গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হলেও গতকাল আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় বন্যার পানি কমতে চলেছে।
এদিকে নদীপথে দুর পাল্লার লঞ্চ-স্পিটবোট, উপজেলা সদর ইউনিয়নের মহদীপুর হতে কংশ নদী দিয়ে স্পিটবোট যাত্রী নিয়ে জামালগঞ্জের মান্নানঘাট ও ওই নদী পথে বিলাসবহুল লঞ্চ সুনামগঞ্জ পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে নিয়মিত চলাচল করায় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে কংষ নদীর তীরবর্তী মেওয়ারী-গুলুয়াসহ ৪টি গ্রাম কংশ নদীর ভাংঙ্গনে পড়ে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে মেওয়ারি ও গুলুয়ার মাঝামাঝি এলজিইডির পাঁকা সড়কসহ ১৫-২০টি ঘর-বাড়ী নদী ভাংঙ্গনের কবলে পড়ে বিলিন হয়ে গেছে বলে জানা যায়।


আরো সংবাদ