১৩ নভেম্বর ২০১৯

ভারতের নোট বাতিলের ৩ বছর : ফলাফল নিয়ে যা বলছে সমীক্ষা

পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করেছিল ভারত - ছবি : সংগৃহীত

ভারতের নোট বাতিলের তিন বছর পূর্তি হলো। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে দেয় কেন্দ্র সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দেন, রাত বারোটার পর থেকে এই দুটি মূল্যের নোট বাতিল হয়ে যাবে। সেইমতো ৮ নভেম্বর রাত বারোটার পর থেকে পুরনো ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়ে যায়। সেই ঘটনার পর নানা তর্ক-বিতর্ক হয়েছে।

আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে কেটে গিয়েছে তিনটি বছর। এরই মধ্যে ভারতবর্ষের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে নানা উত্থান-পতন হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতীয় অর্থনীতি অধঃগতিতে চলছে বলে অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন। নোট বাতিলের তিন বছর পূর্তিতে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। তাতে কি উঠে এল, দেখে নেয়া যাক।

কী বলছে সমীক্ষা
সমীক্ষা বলছে তিন ভাগের এক ভাগ মানুষ মনে করছেন নোট বাতিলের ফলে দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে। সেখানে ২৮ শতাংশ লোক মনে করছেন নোট বাতিলের ফলে কোনোরকম নেতিবাচক প্রভাবই পড়েনি। এবং ৩২ শতাংশ মানুষের মনে হয়েছে নোট বাতিলের ফলে অসংগঠিত ক্ষেত্রে প্রচুর মানুষ কাজ হারিয়েছেন।

এই সমীক্ষা করেছে ‘লোকাল সার্কেলস’ নামে একটি অনলাইন কমিউনিটি প্লাটফর্ম।

দেশ জুড়ে সমীক্ষা
সমীক্ষায় সারাদেশ থেকে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মতামত নেয়া হয়েছে। নোট বাতিলের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। সেখানেই দেশজুড়ে নানা দেশের মানুষ তাদের মতামত ব্যাখ্যা করেছেন নোট বাতিল নিয়ে।

কী সুবিধা
নোট বাতিলের নোট বাতিলের সবচেয়ে বড় সুবিধা কী হয়েছে, এই প্রশ্নে ৪২ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, কর ফাঁকি দেয়া জনসংখ্যার একটা বড় অংশকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হয়েছে। এটাই নোট বাতিলের সবচেয়ে বড় সাফল্য। অন্যদিকে ২৫ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, এই নোট বাতিলের ফলে আদতে কোনো লাভ হয়নি।

কালো টাকার আমদানি কমেছে
২১ শতাংশ মানুষের মতে নোট বাতিলের ফলে কালো টাকার আমদানি কমেছে। এবং ১২ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, প্রত্যক্ষ করের আমদানিতে নোট বাতিল বিশেষভাবে সাহায্য করেছে।

তিন বছর আগের বাজার
৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরনো নোট তিন বছর আগে বাতিল করার সময় তার বাজার মূল্য ছিল ১৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ৯৯.৩ শতাংশ ব্যাঙ্কনোট, যার মূল্য ১৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। তা আবার ব্যাঙ্কিং সিস্টেমে ফিরে এসেছে। মাত্র ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকার কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। যা নিয়ে বারবার বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছে কেন্দ্র সরকার।

সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া


আরো সংবাদ

ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত (২৬৯৯৯)বাবরি রায় নিয়ে যা বললেন দিল্লির শাহী ইমাম (২৫২৯২)বিয়ের ২৮ দিন পর স্বামী হারানো সেই আফরোজার কোলে নতুন অতিথি (১২০৩৩)মন্দিরের আগে রামের বিশাল মূর্তি অযোধ্যায় (১১৯১২)হাসপাতালের মর্গে ছোঁয়ামনির নিথর দেহ, ইয়াছিনের খোঁজে স্বজনদের আহাজারি (১০৮৮৭)ট্রেন দুর্ঘটনা : বি.বাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি ৪৪, রক্তের প্রয়োজন (৯৭৮৬)ব্রিটেনের নির্বাচনে পাকিস্তান-ভারত লড়াই! (৮৪৯৬)বাবরি মসজিদের স্থানে রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলোতে প্রকাশ্য মতপার্থক্য ও বাকযুদ্ধ (৮১১২)গোসলের পর কাফন পরানো হলেও জানাজা হল না কিবরিয়ার (৭৮২৫)মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করায় গাম্বিয়াকে ঢাকার অভিনন্দন (৭৭৫৬)