২৭ মে ২০১৯

সৌদিতে এক মুসলিমকে খুনের অভিযোগে দুই ভারতীয়ের শিরশ্ছেদ

শিরশ্ছেদের বিষয়ে কথা বলছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং - ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে ভারতীয় একজন মুসলমানকে হত্যার অভিযোগে অন্য দুই ভারতীয়কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এ দণ্ড কার্যকর করা হলেও গতকাল বুধবারই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, চণ্ডিগড়ের হোশিয়ারপুরের অধিবাসী সতীন্দর কুমার ও লুধিয়ানার হরজিত সিংয়ের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ প্রমাণের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি গলা কেটে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

রিয়াদে থাকা ভারতীয় দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘটনার কথা জানায়নি সৌদি প্রশাসন। এমনকি পরিবারের হাতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনের লাশও ফেরত দেয়া হয়নি। জানা গেছে, সৌদি আইনের জন্য আটকে দেয়া হয় তাদের লাশ।

জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে কিছু টাকা নিয়ে ইমামুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্ঘাত তৈরি হয় হরজিত ও সতীন্দরের। পরে তাদের হাতেই খুন হয় ইমামুদ্দিন। ঘটনার কয়েকদিন পরই ২০১৫ সালের ৯ ডিসেম্বর হত্যাকারী দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। উভয়কেই রিয়াদের কারাগারে আটক রাখা হয়েছিল। জেরায় তারা খুনের কথা স্বীকার করে। ২০১৭ সালের ৩১ মে সেই মামলার শুনানি হয়। আদালতেও তাদের সঙ্গে খুনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়। এরপর সেখানে তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়।

বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের রায় কার্যকর করা হয়। তবে সৌদি নিয়ম অনুযায়ী, তাদের লাশ নিজ দেশের দূতাবাসের হাতে তুলে দেয়া হয়নি।

 

আরো পড়ুন : বিশ্বে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা এক দশকে সর্বনিম্ন : অ্যামনেস্টি
নয়া দিগন্ত অনলাইন, ১১ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৫৯

বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কমেছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বুধবার প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০১৭ সালের তুলনায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার গতবছর ৩১ ভাগ কমেছে।

বিশ্বের ২০টি দেশের তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন বলছে, ২০১৮ সালে ঐ দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা ছিল ৬৯০, যা ২০১৭ সালে ছিল কমপক্ষে ৯৯৩টি।

শুধু তাই নয়, ২০১৮ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের আইনজীবী চিয়ারা সানগিওরগিও।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, চীনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা সম্ভব না হলেও দেশটিতেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

অ্যামনেস্টি বলছে, ২০১৮ সালে কার্যকর হওয়া ৬৯০টি মৃত্যুদণ্ডের ৭৮ ভাগ ঘটেছে ইরান, সৌদি আরব, ভিয়েতনাম ও ইরাকে।

এদিকে, যে দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার হার লক্ষণীয় মাত্রায় কমেছে সেগুলো হলো ইরান, ইরাক, পাকিস্তান ও সোমালিয়া। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৭ সালে ইরানে মোট মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংখ্যা ছিল ৫০৭, যা ২০১৮ সালে ৫০ ভাগ কমে ২৫৩ তে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ইরাকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার কমেছে শতকরা ৫০ ভাগের বেশি, পাকিস্তানে কমেছে শতকরা ৭৫ ভাগ ও সোমালিয়াতে কমেছে প্রায় শতকরা ৫০ ভাগ।

২০১৮ সালের পরিসংখ্যানে সংস্থাটি বাহরাইন, বাংলাদেশ, জর্ডান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ফিলিস্তিন ও আরব আমিরাতকে যুক্ত করতে পারেনি, যদিও ২০১৭ সালে তারা এ দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ক তথ্য প্রকাশ করেছিল।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, বতসোয়ানা, সুদান, তাইওয়ান ও থাইল্যান্ড গত বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান আবারো চালু করেছে।

মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিলের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গত ডিসম্বরে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত বিষয়ক এক প্রস্তাবে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১২১টি সদস্যরাষ্ট্র সম্মতিসূচক ভোট প্রদান করে। ৩৫টি দেশ এ বিষয়ক প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে আর ৩২টি দেশ এ বিষয়ে ভোট দানে বিরত থেকেছে।

তবে পুরো বিষয়টিকে মৃত্যুদণ্ড বাতিল বিষয়ক প্রচারণার সফলতা হিসেবে দেখছে এটি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের আইনজীবী সানগিওরগিও বলেন, প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা কমে আসছে।


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa
agario agario - agario