২৭ মে ২০১৯

ভারত পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে : পাকিস্তান সেনাবাহিনী

মেজর জেনারেল আসিফ গফুর - সংগৃহীত

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেছেন, ভারতের সামরিক স্থাপনাগুলো আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে এবং আমরা যে তাদের ধ্বংস করার পুরোপুরি ক্ষমতা আমরা রাখি, এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে। পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশের পরই বিষয়টি আমরা তাদের বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি।

রাশিয়ার ওয়েবসাইট স্পুটনিককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাক-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি। এছাড়াও পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়েও কথা বলেন তিনি।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর’র প্রধান মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে যদি কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তাহলে তা যেন উভয় দেশের জন্য সমানভাবে কার্যকর করা হয়। পাকিস্তানের হাত বেঁধে রেখে ভারতকে একা ছেড়ে দেয়া যাবে না।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জেনারেল আসিফ গফুর বলেন, পাকিস্তান কেবল নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে। ১৯৯৮ সালে ভারত পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তি অর্জন করেছে। পাকিস্তানের হাতে এ শক্তি থাকায় উভয় দেশের মধ্যে কোনো বড় যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা যায়নি।

পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর এ অস্ত্র ব্যবহার করা উচিত নয় জানিয়ে আসিফ গফুর বলেন, আমাদের পারমাণবিক শক্তি ভারতীয় উসকানি দমনের জন্য অন্যতম সহায়ক।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারত আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে জানিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র জানান, আমরা ভারতের মতো মিথ্যা দাবি করি না। আমাদের যুদ্ধ বিমানগুলো আকাশসীমাতেই ছিল। এর সব ভিডিও সংরক্ষিত আছে, কেউ দেখতে চাইলে আমরা তা দেখাতে প্রস্তুত আছি।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর আকাশসীমা লঙ্ঘনের তাৎক্ষণিক জবাব দেয়াতেই যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, পাকিস্তান তাৎক্ষণিক জবাব দেয়ায় ভারত পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতো।

আরো পড়ুন : ভারত সীমান্তে এফ-১৬ 'র গোটা বহর মোতায়েন পাকিস্তানের!
নয়া দিগন্ত অনলাইন, (১৩ মার্চ ২০১৯)

পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানের গোটা বহর ভারত সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির কোনো কোনো সংবাদপত্র এ খবর দিয়েছে।

অবশ্য, পাকিস্তান এখনো এ খবরের কোনো প্রতিক্রিয়া জানায় নি। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়ার পরও তা এখনো ভারতের জন্য খুলে দেয়া হয়নি। গত মাসের ২৭ তারিখে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরের আকাশে পাক-ভারত যুদ্ধ বিমানের লড়াইয়ের পর গোটা দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছিল ইসলামাবাদ।

এ আকাশ যুদ্ধে ভারতের দুটি মিগ-২১ বিমান ধ্বংসের দাবি করেছিল পাকিস্তান। অবশ্য, একটি মিগ-২১ পাকিস্তানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হওয়ার পর বৈমানিক উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে মুক্তি দেয়া হয় এবং শুভেচ্ছার নিদর্শন স্বরূপ তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি করেছে পাকিস্তান। পাশাপাশি আকাশ যুদ্ধে পাকিস্তানের একটি এফ-১৬ বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছিল ভারত। অবশ্য, পাকিস্তান এ দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছিল।

এদিকে, ভারতীয় সংবাদপত্রে সোমবার প্রকাশিত খবরে আরো দাবি করা হয়েছে যে, রাওয়ালপিণ্ডি সেনা সদর দফতরের ১০ কোর এবং শিয়ালকোটে মোতায়েন স্পেশাল ফোর্সেস বিগ্রেডকে জন্মু এবং কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোতায়েন করেছে পাকিস্তান।

এ ছাড়া, রুশ সংবাদ সংস্থা স্পুতনিক ইসলামাবাদের প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে বলছে, বেলুচিস্তানে মোতায়েন সেনাদের অংশ বিশেষকে পাক-ভারত অভিন্ন সীমান্তে সরিয়ে নেয়া শুরু হয়েছে। গত মাসের ২৮ তারিখ থেকে এ তৎপরতা শুরুর হয়েছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়।


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
Epoksi boya epoksi zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al/a> parça eşya taşıma evden eve nakliyat Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Ankara evden eve nakliyat
agario agario - agario