২১ নভেম্বর ২০১৮

২০২০ সালের পর শহরে যানজট থাকবে না!

২০২০ সালের পর শহরে যানজট থাকবে না! - সংগৃহীত

ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে দিল্লি পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, শহরের যান চলাচলের সমস্যার দ্রুত সমাধানে রাস্তাঘাট চওড়া করা হবে। সরানো হবে বেআইনিভাবে যারা রাস্তা দখল করে আছে তাদের, নির্মিত হবে এলিভেটেড রাস্তা, ফ্লাইওভার ও ফুটব্রিজ। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের নয়াদিল্লিতে যানজট সমস্যার নিরসন হবে বলে দাবি করেছে শহরটির পুলিশ। 

গত সপ্তাহে দিল্লি পুলিশ শীর্ষ আদালতে একটি হলফনামা জমা দিয়ে তাদের সম্পূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তারা বলছে, প্রথম দফায় ২৮টি অতিরিক্ত মাত্রার যানজটের রাস্তায় কাজ শুরু করা হবে এবং ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই তা শেষ করা হবে। ডিডিএ, দিল্লি কর্পোরেশন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে বিস্তারিত আলোচনার পরেই এই হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

গত দেড় বছরে যানজট নিরসনে দিল্লি সরকার ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে ডেকে পাঠিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পুলিশকে কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করতে বলা হয়। এর প্রেক্ষিতে দিল্লির যানজট নিরসনে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছে পুলিশ।

যেভাবে কমানো যেতে পারে রাজধানীর যানজট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৩ জুন ২০১৮

নগর যাতায়াত ব্যবস্থায় বাইসাইকেল ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে যান্ত্রিক যান কমানো সম্ভব। বিশেষ করে প্রাইভেট কারের চলাচল কমাতে হলে পরিকল্পিতভাবে বাইসাইকেল রুট তৈরি করতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি মালিকানাধীন সকল গণস্থাপনায় বাইসাইকেল স্ট্যান্ড এর ব্যবস্থা থাকতে হবে। নগরে বাইসাইকেলের প্রচলন বৃদ্ধি পেলে যানজট ও দূষণ সমস্য লাঘবে ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার মানিক মিয়া এভিনিউয়ের দক্ষিণ প্লাজায় বিশ্ব বাইকেল দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্বে এই অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তরা। রাজউক, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), ইউএনডিপি বাংলাদেশ, বিডি সাইক্লিস্ট এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সম্বলিত উদ্যোগে ‘যানজট ও দূষণের অবসান, বাইসাইকেলে হোক সমাধান’ শ্লোগান নিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হবে। ৩ জুন রোববার বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস।


জাতিসঙ্ঘের অন্তর্ভূক্ত মোট ১৯৩ টি দেশ কর্তৃক  চলতি বছর ১২ এপ্রিল সাধারণ সভায় ৩ জুন বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ উপলক্ষে শনিবার দিবটি উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাইক্লিস্টগণ সপ্তাহে একদিন বাইসাইকেলে যাতায়াতের অঙ্গীকার করেন।

এজন্য তারা একটি অঙ্গীকারের জন্য নির্দিষ্ট একটি বোর্ডে স্বাক্ষর করেন। এরপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্ব শেষে বাইসাইকেল র‌্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। র‌্যালীতে প্রায় ৪০০ সাইক্লিস্ট উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্বে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর কর্মসূচি ব্যবস্থাপক মারুফ হোসেনের সঞ্চলনায় আলোচনা করেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক এবং বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ)’র প্রকল্প পরিচালক পরিকল্পনাবিদ মোঃ আশরাফুল ইসলাম, প্রকল্প ব্যবস্থাপক হাসিবুল কবির এবং বিডিসাইক্লিস্ট এর মর্ডারেটর ফুয়াদ আহসান চৌধুরী।

বক্তারা আরো বলেন, বাইসাইকেল পরিবেশবান্ধব, জ্বালানীমুক্ত, ভূমি সাশ্রয়ী, সুবিধাজনক ও দক্ষ বাহন। নিয়মিত সাইকেল চালানোর মাধ্যমে সুস্থতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ঢাকা শহরে বাইসাইকেলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য সহায়ক নীতিমালা, পরিকল্পনা, অবকাঠামো এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সাইকেল ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান করা জরুরী। তারা বলেন, যানজট থেকে রেহাই পেতে অনেকেই বাইসাইকেলে যাতায়াত করছেন। কিন্তু বাইসাইকেল লেন, পার্কিং, ইত্যাদি সুবিধা না থাকায় সাইক্লিস্টদের নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি দূর্ভোগের শিকার হতে হয়।


আরো সংবাদ