১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ইমরানের শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশীরা থাকছেন না

ইমরান খান। ছবি - সংগৃহীত

আগামী ১১ আগস্ট পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান। প্রসিডেন্ট ভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান হবে সাদামাটা। এতে কোনো বিদেশী নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। পিটিআইয়ের মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী এ কথা বলেছেন। 

ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশী বিশিষ্টজনদের যোগদান সম্পর্কিত যে খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদিসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ইমরানের দল পিটিআই।

তবে পিটিআইয়ের মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, ইমরানের পক্ষ থেকে তাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনাড়ম্বরভাবে আয়োজনের দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো বিদেশী ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটা হবে সম্পূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠান। শুধু ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ কিছু বিদেশী বন্ধু আমন্ত্রণ পাবেন। আয়োজনে কোনো অপচয় বা সীমালঙ্ঘন থাকবে না।

এরইমধ্যে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছেন ইমরানের খেলোয়াড় জীবনের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সুনীল গাভাস্কার ও কপিল দেব। এ ছাড়া ভারতের সাবেক ওপেনার নভোজৎ সিং সিধু এবং বলিউড তারকা আমির খানও নিমন্ত্রণ পেয়েছেন। ইমরান খানের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে নভোজৎ সিং সিধু বলেছেন, এটা দারুণ সম্মানের ব্যাপার। আমি আমন্ত্রণ গ্রহণ করছি। খেলোয়াড়রা বাধা ডিঙিয়ে সেতুবন্ধন তৈরি করে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেন। 

সুনীল গাভাস্কার ও কপিল দেব শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে পাকিস্তানের নির্বাচনে পিটিআইয়ের জয়ের পর ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে কপিল দেবই প্রথম ইমরান খানকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছিলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বাছাইয়ে মুসলিম লীগ-পিপিপি আলোচনা
এ দিকে পাকিস্তানের নতুন বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনে আলোচনা শুরু করেছে নওয়াজ শরিফের দল মুসলিম লীগ এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর দল পিপিপি। গত বুধবার পিপিপির একজন কর্মকর্তা ডনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়নি। শিগগিরই এ ব্যাপারে আলোচনা শুরু হবে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) একজন নেতা বলেন, সিনেট ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনে মুসলিম লীগের কাছে যেকোনো একটি চাইবে পিপিপি। দুই পদের একটি যেন তারা ছেড়ে দেয় তার আহ্বান জানানো হবে। পার্লামেন্টে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে বিশেষ করে মুসলিম লীগ ও পিপিপির সুসম্পর্ক রারও তাগিদ দেন এই রাজনীতিক।

মুসলিম লীগের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মুশাহিদুল্লাহ খান বলেন, বিরোধী দলগুলোর সম্মিলিত বৈঠকে এ বিষয়টি তোলা হবে। তবে শুধু দুইজন বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনের মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং সিনেটের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচন এবং প্রাদেশিক পরিষদগুলোতে সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হবে।


আরো সংবাদ




Hacklink

ofis taşıma