১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মন্ত্রীর পা ছুঁয়ে চাকরি খোয়ালেন পুলিশ কর্মকর্তা

পুলিশ
প্রতিকী ছবি - ছবি: সংগৃহীত

অতিরিক্ত ভক্তি দেখাতে গিয়ে যে মন্ত্রীর পা ছুঁয়ে তিনি প্রণাম করেছিলেন, তার নির্দেশেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সাসপেন্ড হলেন ভারতের পাঞ্জাব পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টর। ফোনেই সাসপেন্ড করা হয় বাটালার ফতেহগড় চুরিয়ান থানার ওই পুলিশ অফিসারকে। পিটিআই সূত্রে এ খবর দিয়েছে এনডিটিভি।

সূত্রের খবর, সোমবার পুলিশের পোশাক পরেই পাঞ্জাবের মন্ত্রী তৃপ্ত রাজিন্দর সিং বাজওয়ার কাদিয়ানের বাসভবনে যান এএসআই পলবিন্দর সিং। তার দু-পা ছুঁয়ে তিনি প্রণাম করেন। ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিয়ে যান মন্ত্রী। অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে তত্‍‌ক্ষণাত্‍‌ তিনি ফোন করেন আইজি এসপিএস পারমারকে। এএসআইকে সাসপেন্ড করার জন্য ফোনেই ওই পুলিশকর্তাকে নির্দেশ দেন।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এএসআই পলবিন্দরের ফোনে সাসপেনশন নির্দেশের মেসেজ আসে। তাকে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়।

মন্ত্রী তৃপ্ত রাজিন্দর সিং বাজওয়া

এএসপি ওপিন্দরজিত্‍‌ সিং গ্রুমান খবরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়। এতে পুলিশের পোশাকের অপমান করা হয়। যে কারণে এএসআইকে সাসপেন্ড করে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বাজওয়ার বক্তব্য, ‘বাড়ির বাইরে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা রয়েছে, কেউ পা ছুঁয়ে প্রণাম করবেন না। তার পরেও ওই এএসআই পুলিশের পোশাক পরে এসে আমাকে প্রণাম করে।’

আরো পড়ুন :
২৪-ঘণ্টায় দুবার গণধর্ষিতা কিশোরী
২৪-ঘণ্টার মধ্যে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে দুবার গণধর্ষণ করা হল বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল মধ্যপ্রদেশ। তদন্তে নেমে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নীরজ সোনি জানান, গত ৬ তারিখ, কিশোরী সন্ধ্যেবেলা বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে না ফেরায় পরের দিন কুন্ডিপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ জানায়, ৮ তারিখ মহুয়া তোলা এলাকায় তাকে আলুথালু পোশাকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশকে কিশোরী জানায়, মোহিত ভরদ্বাজ নামে বছর বাইশের এক যুবকের বাইকে চেপে সে রাহুল ভোন্ডে নামে এক যুবকের বাড়ি যায়।

মেয়েটির অভিযোগ, সেখানে ২ জন তাকে ধর্ষণ করে। পরের দিন তাকে ছেড়ে দেয় ওই ২ জন। নির্যাতিতা যোগ করে, সে যখন বাড়ি ফিরছিল, অন্য তিনজন—বান্টি ভালবি, অঙ্কিত রঘুবংশী ও অমিত বিশ্বকর্মা তাকে ধরে ফেলে। তিনজন মিলে তাকে ফের রাহুলের বাড়ি নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

কিশোরীর অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ৫ যুবককেই গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি ও পকসোর বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

সূত্র : এবিপি আনন্দ

দেখুন:

আরো সংবাদ




Hacklink

ofis taşıma