২৪ জুন ২০১৮

শাহরুখের বোন পাকিস্তানে নির্বাচন করছেন

শাহরুখ খানের সাথে তার চাচাত বোন নূর জাহান। ছবি - সংগৃহীত

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের চাচাত বোন নূর জাহান ঘোষণা করেছেন যে তিনি পাকিস্তানের পেশোয়ার আসন থেকে নগর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। খবর জিও নিউজের।

নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের বিষয়ে নূর জাহান বলেন, ‘আমি আশা করি শাহরুখকে সবাই যেমন সমর্থন করে তেমনভাবেই মানুষ আমাকেও সমর্থন করবে।’

নূর জাহান নির্বাচনী এলাকার পি কে -৭৭ থেকে সাধারণ আসনে নির্বাচন করবেন।

যদিও তিনি আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির সদস্য। কিন্তু শাহরুখের চাচাতো বোন একজন সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

তিনি পেশোয়ারের মোহাল্লাহ শাহ ওয়ালী কাতালের বাসিন্দা। সেখান থেকেই তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে নূর জাহান একজন কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করেছিলেন। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

নূর জাহান তার এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন। তিনি বলেন, এলাকাবাসীরা তার সাথে থাকবে কারণ সে তাদের পাশে সব সময় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এই আসনটি আগে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা শওকত ইউসুফজাইর দখলে ছিল। খাইবার পাখতুনখাওয়া এসেম্বলির মেয়াদ গত সপ্তাহে শেষ হওয়ার পর থেকে এই আসন খালি আছে।

উল্লেখ্য, শাহরুখ খানের পূর্বপুরুষ ভারত ভাগ হওয়ার আগে থেকেই পাকিস্তানে থাকতেন। পাকিস্তানের বর্তমান পেশাওয়ারের কিসা খাওয়ানি বাজার এলাকায় তাদের বসবাস ছিল। শাহরুখ খানের পিতা তাজ মোহাম্মদ খান ভারত পাকিস্তান আলাদা হওয়ার আগেই পেশোয়ার থেকে নয়া দিল্লি চলে আসেন। শাহরুখের পরিবারের অনেকেই এখনো পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করছেন।

আরো দেখুন : কানাডার প্রাদেশিক এমপি নির্বাচিত বাংলাদেশের ডলি বেগম

প্রথমবারের মতো কানাডার প্রাদেশিক নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। তিনিই কানাডার ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশী এমপি। অন্টারিওর প্রাদেশিক নির্বাচনে স্কারবরো সাউথইস্ট আসনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) থেকে।

ডলি বেগমের দল এনডিপি নির্বাচনে ৪০টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। কনজারভেটিভ পার্টি ৭৪ সিট পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। 

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে ডলি ১৪ হাজার ১৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। ৬৩টি কেন্দ্রের  ফলাফলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টির প্রতিনিধি গ্যারি এলিসের চেয়ে প্রায় ছয় হাজার ভোটে এগিয়ে থেকে জয় নিশ্চিত করেন ডলি। এ ছাড়া ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা লিবারেল দলীয় লরেঞ্জ বেরারদিনেত্তি এবার রয়েছেন তৃতীয় অবস্থানে।

ডলি বেগম ওই প্রদেশে নিজ দলের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি স্কারবরো হেলথ কোয়ালিশনের কো-চেয়ার এবং ওয়ার্ডেন উডস কমিউনিটি সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান তিনি।

গত এপ্রিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান ডলি বেগম। একজন বাঙালির এই বিজয়ে উল্লসিত কানাডাপ্রবাসী বাঙালিরা। টরন্টোর বাঙালি অধ্যুষিত ডানফোরথ এলাকায় বেরিয়েছে বিজয় মিছিল। প্রবাসী বাংলাদেশীরা মনে করছেন ডলি বেগমের মধ্যেমে তারা তাদের দাবি-দাওয়া সরকারের কাছে আরো সহজে পৌছাতে পারবেন।

বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের মেয়ে ডলি বেগম ১১ বছর বয়সে বাবা, মা ও ছোট ভাইয়ের সাথে কানাডায় চলে যান। ২০১২ সালে ডলি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং টরন্টো ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে ২০১৫ সালে উন্নয়ন প্রশাসনে স্নাতকোত্তর করেন তিনি।


আরো সংবাদ