১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

এখন থেকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আর ইফতারের আয়োজন করা হবে না

রামনাথ কোভিন্দ
ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ - সংগৃহীত

ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দীর্ঘদিন ধরেই রমজান মাসে ইফতারের রীতি চলে আসছে। তবে এ বছর থেকে আর ইফতারের আয়োজন করা হবে না বলে রাষ্ট্রপতি ভবন জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির এক অফিসার জানিয়েছেন, শুধু ইফতার নয়, কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানই আর রাষ্ট্রপতি ভবনে পালিত হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেদেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব অশোক মালিক সংবাদসংস্থা পি টি আইকে বলেন, "রামনাথ কোভিন্দ দায়িত্ব নেয়ার পরে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে রাষ্ট্রপতি ভবনের মতো সরকারী ভবনগুলোতে কোনো ধরণের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা চলবে না। এ ধরনের সব অনুষ্ঠানই যেহেতু করদাতাদের দেয়া অর্থে করা হয়, তাই ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ অনুসরণ করে কোনোরকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন না করা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।"

তবে প্রতিটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা জয়ন্তীতে দেশবাসীকে নিয়মমাফিক শুভেচ্ছা বার্তা দেয়া বন্ধ করেননি রাষ্ট্রপতি।

বহুদিন ধরেই রাষ্ট্রপতি ভবনে রোজার সময়ে ইফতার আয়োজিত হয়ে আসছে। এর আগে এ পি জে আব্দুল কালাম যখন রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সেই পাঁচ বছরও অবশ্য রাষ্ট্রপতি ভবনে ইফতার আয়োজিত হয়নি।

তবে তার পরে দায়িত্ব নেয়া প্রতিভা পাতিল বা কোভিন্দের আগে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন থাকা প্রণব মুখার্জী প্রতিবছরই ইফতারের আয়োজন করতেন।

রাষ্ট্রপতি পদে রামনাথ কোভিন্দকে নিজেদের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছিল বিজেপি'র নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন এন ডি এ জোট।

এর আগে তিনি বিহারের রাজ্যপাল ছিলেন, তবে তার মূল পরিচিতি ছিল বিজেপি'র দলিত মোর্চার শীর্ষ নেতা হিসাবে। দুইবার বিজেপি তাকে সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় সদস্য করে পাঠিয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি ভবনে যেমন এবছর থেকে ইফতার বন্ধ করে দিয়েছেন কোভিন্দ, তেমনই হিন্দু পুনরুত্থানবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আর এস এস-এর নাগপুর সদর দফতরে ইফতার আয়োজনের প্রস্তাবও নাকচ হয়ে গেছে। সঙ্ঘের মহারাষ্ট্র শাখার প্রধান ওই ইফতারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। - বিবিসি

 

আরো পড়ুন : ভারতে কৃষকেরা কেন আন্দোলনে নেমেছে

ভারতে লাখ লাখ কৃষক গত শুক্রবার থেকে ১০ দিনব্যাপী আন্দোলন শুরু করেছে। ঋণ মওকুফ, খাদ্যশস্য, তেলবীজ ও দুধের মতো উৎপাদিত দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির দাবিতে তারা এ আন্দোলনের ডাক দেয়। মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানের কৃষকেরা তাদের জন্য একটি ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তা দাবি করেছেন।

দেশটির কর্মসংস্থানের সর্ববৃহৎ এই সেক্টরের সঙ্কট মোকাবেলায় তারা সরকারের কাছে সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। এক বছরের কম সময়ের মধ্যে এটি এ ধরনের তৃতীয় বৃহত্তম আন্দোলন। গত মার্চে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ মহারাষ্ট্রের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মার্চ করে রাজধানী মুম্বাইয়ে পৌঁছে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল।

রাষ্ট্রীয় কৃষাণ মহাসঙ্ঘের প্রতিবাদ আন্দোলনের জাতীয় পর্যায়ের আহ্বায়ক অভিমন্যু কোহের বলেন, কৃষকেরা এখন বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করছে। হরিয়ানার এই কৃষক বলেন, ঋণ থেকে আমাদের মুক্তি প্রয়োজন। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমরা ক্রিমিনালও নই। কৃষকেরা আজ ঋণে ডুবে গেছে। কিন্তু এর কারণ এই নয় যে, তারা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছে। বরং সরকারের ভুলনীতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

কৃষকেরা এ সময় মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস (এমএসপি) বা সর্বনি¤œ সহায়তা মূল্য নির্ধারণের দাবি জানায়। ভারত সরকার এই মূল্যেই উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ফসল কিনে থাকে। তবে কৃষক ফেডারেশনের একটি রিপোর্টে দেখা যায়, ৯৪ শতাংশ কৃষকই এমএসপি থেকে কম দামে তাদের ফসল বিক্রি করে থাকে। যেখানে গম, তুলা, সরিষা, দুধ প্রভৃতি পণ্যের উৎপাদন খরচ দিন দিন বাড়ছেই সেখানে কৃষকেরা চুক্তিবদ্ধ মূল্যের চেয়েও কম মূল্যে তাদের পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আর এ কারণেই কৃষকেরা ঋণ করছেন এবং ঋণের কারণে তারা কারাদণ্ডও ভোগ করছেন।

অন্য দিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কৃষি ঋণ মওকুফ মূলত ঋণ চক্রকে নষ্ট করে দিচ্ছে। আবার প্রতীকী সহায়তার নামে দেয়া ভর্তুকিও এই কৃষি সঙ্কট মোকাবেলায় কোনো সমাধান নয়। অর্থনীতিবিদ প্রসেনজিৎ বোস আলজাজিরাকে বলেন, ঋণ মওকুফটি আসলে ত্রাণ দেয়ার মতো। এটি কেবল ঋণের বোঝার নিচে কৃষক চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করে। কিন্তু এটি দীর্ঘ মেয়াদে কৃষকদের পণ্যের মূল্যের ক্ষেত্রে বা কাঠামোগত সমস্যার ক্ষেত্রে কোনো সমাধান নয়।

ভারতে কৃষি সঙ্কটের স্বরূপ

দেশটির কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দশকব্যাপী ঋণ, খরা এবং আয়ের নি¤œগতি ভারতজুড়ে কৃষিখাতের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। কৃষকদের সহায়তা গ্রুপ আশার কর্মকর্তা কবিতা কুরুগান্তি বলেন, চাষযোগ্য জমির অভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ইত্যাদির কারণে সেখানে কৃষকেরা সেখানে ঋণ অর্থনীতির মধ্যে জড়িয়ে যায়। অনেকগুলো জিনিস যেমন- আয় কমে যাওয়া, ফসল নষ্ট হওয়া ইত্যাদি পরিস্থিতিকে আরো বেশি জটিল করে তুলেছে। পাশাপাশি ঋণ পরিশোধের জন্য চাপ, সম্পদ জব্দ করা ইত্যাদির কারণে দেশটির কৃষকদের মধ্যে আত্মহত্যার হার অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারি হিসাবমতেই, দেশটির ৫২ শতাংশ কৃষক পরিবার ঋণের জালে আবদ্ধ।

কারা আন্দোলন করে এবং কেন?

এবারের আন্দোলনটি করছে রাষ্ট্রীয় কিষান মহাসঙ্ঘ। আগামীকাল কৃষক ফেডারেশন মধ্যপ্রদেশের মন্দসুরে একটি স্মৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে গত বছর পুলিশের গুলিতে ছয় কৃষক নিহত হয়েছিল। এ সময় তারা প্রতীকী অনশনও করবে। আগামী ১০ জুন এই আন্দোলন শেষ হবে। উল্লেখ্য, ১৯৩ টি গ্রুপের মিলিত ফেডারেশন অল ইন্ডিয়া কিষান সংঘর্ষ সমবায় সমিতি এ আন্দোলন থেকে দূরেই থাকছে।

কৃষকদের আয় কমছেই

ভারতের ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে ১৭ শতাংশ অবদান রাখে কৃষি খাত। কিন্তু এরপরও কৃষকদের আয় বাড়ছে না। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২০২২ সাল নাগাদ কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে। কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন, তিনি এতে সফল হবেন না। ভারতের রাজ্যগুলো মাঝেমধ্যেই কৃষি ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ নীতি কৃষকদের সুফল পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছে। গত বছর মহারাষ্ট্রে ৫২৩ কোটি ডলার কৃষি ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেয়া হয়। তারপরও সেখানে কৃষকদের আত্মহত্যার মাত্রা ছিল সর্বাধিক।

দেশটির অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কৃষকদের সাহায্যে করা সরকারের যেকোনো প্রকল্পের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এর ফলে বাজেট ঘাটতি না বাড়ে বা বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) কোনো নীতি লঙ্ঘিত না হয়। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউটিওকে জানায়, ভারত ধান ও গমচাষিদের অনুমোদন অর্থের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ দিয়ে ডব্লিউটিওর নীতি লঙ্ঘন করেছে। স্বাধীন খাদ্য ও বাণিজ্যনীতি বিশ্লেষক দেবেন্দ্র শর্মা বলেন, আমি আশা করছি ভারতের কৃষকেরা মার্কিন কৃষকদের মতো রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের মোট জনসংখ্যার মাত্র দুই শতাংশ কৃষক এবং তারা বিশাল আকারের ভর্তুকি পায়। অন্য দিকে ভারতের কৃষকেরা ভর্তুকির নামে পায় খুবই সামান্য অর্থ।

ভারতের অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী দেশটিতে ১৯৯৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট তিন লাখ কৃষক আত্মহত্যা করেছে। তবে অন্যরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। গবেষকেরা বলেন, পাঞ্জাবে ২০০০ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর গড়ে ১০০০ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। যেখানে সরকারিভাবে বলা হচ্ছে, হারটি বছরে ৩ শ’রও কম।

সমাধান কোথায়

রাষ্ট্রীয় কৃষাণ মহাসঙ্ঘ জানিয়েছে, যদি কৃষকদের মতামত উপেক্ষা করা হয় তাহলে উত্তেজনা আরো বাড়বে। এর আহ্বায়ক কোহের বলেন, ভারতের কর্পোরেটদের ঋণ মওকুফ হচ্ছে, নীরব মোদির মতো ঋণখেলাপিরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এগুলো কি অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না? অথচ কৃষকেরা এক রুপি ঋণ পরিশোধের চেক পেয়েছেন। এটি কি জঘন্য ধরনের কৌতুক নয়?

২০১৬ সালের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের ১৭টি রাজ্যের কৃষকদের বার্ষিক আয় ২০ হাজার রুপির চেয়েও কম। অন্য দিকে ২০১১ সালের জরিপে বলা হয়, প্রতিদিন দুই হাজার ৪০০ কৃষক পেশা ছেড়ে শহরে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।

স্বাধীন খাদ্য ও বাণিজ্য পলিসি গবেষক দেবেন্দ্র শর্মা বলেন, ভারতের কৃষি অনেক গভীর সঙ্কটে নিপতিত হয়েছে। এ কারণে হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করছে। ভারতের সরকার মনে করছে, লোকজনকে কৃষির বাইরে নিয়ে যাওয়া উচিত এবং আমাদের অর্থনীতির নীতিগুলোও সেভাবেই রচিত হয়েছে। কিন্তু এই কৃষি খাতই তথাকথিত অর্থনৈতিক সংস্কারকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

সূত্র : আলজাজিরা

 

আরো পড়ুন : কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাক্যাম্পে হামলা, সীমান্তে ৩ গেরিলা নিহত

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও সিনহুয়া

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরের বান্দিপোরা জেলার হাজিনে অজ্ঞাত গেরিলারা সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় গেরিলারা ভারতের রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ক্যাম্পের গেটের সামনে গ্রেনেড হামলা চালায় এবং পরে স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের সাহায্যে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে।

ভারতীয় সৈন্যরা গুলিবর্ষণ করে পাল্টা জবাব দেয়। অবশ্য অন্ধকারের সুযোগে গেরিলারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সম হয়েছে। ওই ঘটনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুইজন জওয়ান আহত হয়েছেন। প্রত্যদর্শীদের মতে, গেরিলারা কমপে তিনজন ছিল এবং তারা ক্যাম্পটিতে তিন দিক দিয়ে হামলা চালিয়েছে। হামলাকারী গেরিলারা আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চারের (ইউবিজিএল) সাহায্যে একাধিক গ্রেনেড নিপে করে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, এটি আত্মঘাতী হামলা নয় এবং ওই হামলায় কোনো য়তি হয়নি। অন্য দিকে লস্কর-ই তাইয়েবার প থেকে গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে ওই হামলার দায় স্বীকার করে এটি আত্মঘাতী হামলা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি যে কয়টি হামলা হয়েছে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় হামলা। রমজান মাসে গেরিলা হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় আগে থেকে ভারতীয় সেনারা সতর্ক অবস্থায় থাকায় হামলাকারীরা ক্যাম্পের মধ্যে প্রবেশ করতে পারেনি।

অন্য দিকে গতকাল বুধবার উত্তর কাশ্মিরের কুপওয়াড়ার মছিল এলাকায় ভারতীয় সৈন্যদের গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষে দাবি করা হয়েছে, গেরিলাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা সেনাবাহিনী ব্যর্থ করে দিয়েছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল রাজেশ বলেছেন, কালিয়া মছিল সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর তিন গেরিলা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে তারা নিহত হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

এ দিকে গত ২৬ মে তঙ্গধার সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যে পাঁচ গেরিলা নিহত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে স্থানীয় দুইজন গেরিলা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারের দাবির ভিত্তিতে মঙ্গলবার ওই দুইজনের লাশ হস্তান্তর করা হয়। মুদাসসির আহমদ ভাট ও সিরাজ আহমদ শেখ নামে ওই দুই গেরিলার লাশ গতকাল বুধবার কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে একাধিকবার নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। এ সময় উপস্থিত জনতা কাশ্মিরের স্বাধীনতার পক্ষে ও সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়।


আরো সংবাদ