film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জাতীয় অর্থনীতির হালচাল

-

মূলত খেলাপি ঋণই আমাদের অর্থনীতিকে অশান্ত ও অস্থির করে রেখেছে। লাগামহীম অর্থ পাচারও আমাদের জাতীয় অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মারাত্মক দুষ্টক্ষতের সৃষ্টি করেছে। সর্বোপরি ব্যাংকিং খাতে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলছে শ্রেণীকৃত ঋণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৯ সাল শেষে ব্যাংকিং খাতে শ্রেণিকৃত ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা। ২০১৮ সাল শেষে তা বেড়ে হয়েছে ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে তা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা; যা মোট ঋণের প্রায় ১২ শতাংশ।

এখানেই শেষ নয়। খেলাপি ঋণ অবলোপন আছে আরো প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। আর এটা যোগ করলে মোট খেলাপি ঋণ বেড়ে হবে প্রায় এক লাখ ৬৬ হাজার কোটি টাকা। যদিও আইএমএফের হিসাবে এর পরিমাণ দুই লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা। আইএমএফ আদালতের স্থগিতাদেশ দেয়া খেলাপি ঋণ, ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত ঋণ ও আদায় না হওয়া পুনঃতফসিলকৃত খেলাপি ঋণও এর মধ্যে হিসাব করেছে। খেলাপি ঋণ এভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকের আয় থেকে বেশি হারে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। অনেক ব্যাংকের পক্ষে আয় দিয়েও এই প্রভিশনের সংস্থান করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বেড়ে গেছে প্রভিশন ঘাটতি। গত সেপ্টেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতি হয়েছে আট হাজার ১২৯ কোটি টাকা। সরকারের মুখে কথামালার ফুলঝুরি শোনা গেলেও জাতীয় অর্থনীতিতে কোনোভাবেই ছন্দ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না বরং দিন যত যাচ্ছে, সার্বিক পরিস্থিতির ততই অবনতি হচ্ছে। আর এ জন্য অর্থনৈতিক সেক্টরে অব্যবস্থাপনা ও সরকারের উদাসীনতাকেই দায়ী করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ঋণখেলাপিদের অতিমাত্রায় ছাড় দেয়া, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জাতীয় অর্থনীতিতে এই বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি নানাভাবে ঋণখেলাপিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। তারা সুদের হারে রেয়াত পাচ্ছেন। ৯ শতাংশ সুদে ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ নবায়নের সুযোগ দেয়া হয়েছে। আর নানাভাবে ছাড় পাওয়ার কারণে যারা নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করেন তারাও ঋণ পরিশোধে আগ্রহ দেখান না। এভাবে বেড়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণ। এ খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং খাতের ওপর সাধারণের আস্থা কমছে। হ্রাস পাচ্ছে আমানতের পরিমাণ। এতে প্রভাব পড়ছে বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর। বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় কাক্সিক্ষত হারে জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনও বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকেও নমনীয়তা ও উদাসীনতার পরিচয় দেয়া হচ্ছে। ব্যাংকিং খাত সংস্কারেরও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়ে চলছে। আর এটা চাপানো হচ্ছে উদ্যোক্তা ও আমানতকারীদের ওপর। একদিকে আমানতের সুদহার কমে যাচ্ছে, ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ আমনতকারীরা। অন্য দিকে, ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। এতে বিদেশী পণ্যের সাথে মূল্যের প্রতিযোগিতায় হেরে যাচ্ছে দেশী পণ্য। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে মার খাচ্ছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা। অন্য দিকে, দেশের ব্যাংকিং খাতও ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। বাড়ছে ঝুঁকির পরিমাণও।

গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সাল পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ২২ হাজার কোটি টাকার মধ্যেই ছিল। ২০১১ সালে ছিল ২২ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। ২০১২ সালে এসে এক লাফে তা বেড়ে ৪২ হাজার ৭২৫ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। পরের বছর অনেক ক্ষেত্রে ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই খেলাপি ঋণ নবায়নের সুযোগ দেয়া হয়েছে। ফলে ২০১২ সালের চেয়ে ২০১৩ সালে খেলাপি ঋণ না বেড়ে বরং দুই হাজার কোটি টাকা কমে ৪০ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকায় আসে। এর পরের বছর খেলাপি ঋণ ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়ে হয় ৫০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৫ সালে খেলাপি ঋণ পুনর্গঠনের নামে মাত্র ১ ও ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয়।

সঙ্গত কারণেই ২০১৫ সালে খেলাপি ঋণ এক হাজার কোটি টাকা বেড়ে হয় ৫১ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা। এরপর থেকে প্রতি বছরই খেলাপি ঋণ গড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে বাড়তে থাকে। আগের বছরের যে ১৫ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয়, তা আবার খেলাপি হতে থাকে। ফলে ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয় ৬২ হাজার কোটি টাকা। ২০১৭ সালে আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়ে হয় ৭৪ হাজার কোটি টাকা। গত বছর শেষে ১৫ হাজার কোটি টাকা বেড়ে হয় ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এরপর গত জুন শেষে প্রথমবারের মতো খেলাপি ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে হয় এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। যা তিন মাসের মাথায় গত সেপ্টেম্বরে আরো চার হাজার কোটি টাকা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা; যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার প্রভাবেই ব্যাংকগুলোর নিট আয় কমছে। কারণ, খেলাপি ঋণের বিপরীতে আমানতকারীদের নিরাপত্তায় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে মুনাফা থেকে। গত সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ করার কথা ছিল ৬২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। কিন্তু আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় প্রভিশন সংরক্ষণ করা হয়েছে ৫৪ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে মন্দ ঋণই এক লাখ ৪৭৩ কোটি টাকা, যা মোট শ্রেণীকৃত ঋণের ৮৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।

তবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফের এক প্রতিবেদনে গত জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা; যা ওই সময়ে মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ২৬ শতাংশ। এসবের মধ্যে আদালতের স্থগিতাদেশ, পুনঃতফসিল এবং বিশেষ অ্যাকাউন্টের ঋণও রয়েছে। এই পরিমাণ খেলাপি ঋণ দেশের জাতীয় বাজেটের প্রায় অর্ধেক; যা সাতটি পদ্মা সেতুর ব্যয়ের সমান।

আইএমএফের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, খেলাপি ঋণ আসলে দ্বিগুণ। বাংলাদেশ ব্যাংক এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার হিসাব দেখায়। কিন্তু আদালতের স্থগিতাদেশে ৭৯ হাজার ২৪২ কোটি টাকার ঋণ আটকে আছে। ৬৭৫ জন শীর্ষ ঋণগ্রহীতার আবেদনের ভিত্তিতে এই স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। ফলে ঋণখেলাপির হিসাব দেখায় না বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণ এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে ২১ হাজার ৩০৮ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা হয়েছে। এগুলোও খেলাপি ঋণের মধ্যে পড়ে। বিশেষ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে ২৭ হাজার ১৯২ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, ঋণখেলাপিদের ঘন ঘন ছাড় দেয়ার ফলে তাদের নগদ আদায় কমে গেছে। বিশেষ করে তৈরী পোশাক খাত, টেক্সটাইল, আবাসন খাতসহ বেশ কয়েকটি খাতের উদ্যোক্তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। আবার অনেকেই ইচ্ছেকৃতভাবে ঋণখেলাপি হয়ে যাচ্ছেন বিশেষ সুবিধা নেয়ার জন্য। এতে ব্যাংকের তহবিলেও টান পড়েছে। নগদ আদায় কমে যাওয়ায় ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য তহবিল কমে যাচ্ছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে ব্যাংকের ঝুঁকির পরিমাণ। একদিকে, ব্যাংকের বেতন-ভাতাসহ ইউটিলিটি বিল বেড়ে যাচ্ছে। অপর দিকে কমছে আয়। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।

সম্প্র্রতি জাতিসঙ্ঘের বিনিয়োগ বাণিজ্য সংস্থার রিপোর্টে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচারের এক উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম সমস্যা লাগামহীন অর্থপাচার’। বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক খাতে উন্নতি করলেও সুশাসন ও সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনার অভাব আমাদের জাতিসত্তাকেই ক্রমেই হীনবল করে ফেলছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এসব বন্ধ না হলে রাজস্ব আয় কাক্সিক্ষত মাত্রায় যেমন বাড়বে না, ঠিক তেমনি আগামী দিনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশের মোট রাজস্ব আয় ছিল এক লাখ ৮২ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা। জাতিসঙ্ঘের বিনিয়োগ বাণিজ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এর ৩৬ শতাংশ পাচার হয়ে থাকলে এই সময়ে পাচার হয়েছে ৬৫৪ হাজার কোটি টাকা, যা দিয়ে দুটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব। আগের দেশ থেকে হুন্ডি ও চোরাচালানের মাধ্যমে টাকা পাচার হতো, এখন হচ্ছে ব্যাংকিং চ্যানেলেও। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা প্রতিরোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।

অবশ্য গত কয়েক বছরে দেশে ব্যাংকিং খাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। তবে দুর্নীতি, অনিয়ম ও আত্মসাতের মতো ঘটনায় খাতটি ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আর এ বিষয়গুলো ব্যাংকের সামগ্রিক কাজ ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর প্রভাব ফেলেছে। এ খাতের ধারাবাহিক অবনতি এবং এর ফলে যে পরিণতি হবে তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল বারবার উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।

মূলত দেশের অর্থনীতি এখন সমস্যাসঙ্কুল পথেই অগ্রসর হচ্ছে। ফলে পুরো অর্থনৈতিক সেক্টরে একটা অস্থিরতা বিরাজ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের ব্যাংকগুলোতে যে পরিমাণ মূলধন জমা রাখা দরকার, তা রাখা হচ্ছে না। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো এ নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ধরাশায়ী। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট ঋণের সমান। গত জুন মাসে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর অনাদায়যোগ্য ঋণের হার ২৮.২ শতাংশ, যা গত ১০ বছরে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, অনাদায়যোগ্য এই ঋণের ৪৭ শতাংশ দিয়েছিল পাঁচটি ব্যাংক। ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ৯টি ব্যাংক থেকে বিশেষায়িত ঋণ দেয়া হয়েছে ১০ শতাংশ বেশি। এই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে আয়ের চেয়ে খরচ ছিল ০.৫ শতাংশ বেশি। যেটা এসব ব্যাংকে ওই সময়ে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাই প্রকাশ করে। সম্পদ ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা-রিটার্ন অন অ্যাসেট (আরওএ) এবং রিটার্ন অন ইকুইটি (আরওই) সব ব্যাংকের ক্ষেত্রেই কমেছে। এ বছরের জুনে আরওএ এবং আরওই হার ছিল ০.৩ ও ৫.৩ শতাংশ। অগ্রিম আমানত অনুপাতের (এডিআর) ওঠানামার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। এখানেও গত কয়েক বছরে কিছু ব্যাংকের তারল্যবিষয়ক ব্যবস্থাপনার ত্রুটি ছিল। তারল্য নিয়ে ব্যাংকিং খাত দু’টি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে, তা হলো কিছু ক্ষেত্রে তারল্য সঙ্কট, অন্য দিকে তারল্যের উদ্বৃত্তি।

মূলত অর্থনৈতিক সেক্টরে অব্যবস্থাপনা, খেলাপি ঋণ ও লাগামহীন অর্থপাচার আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে নৈরাজ্য ও অচলাবস্থার সৃষ্টি করেছে। তাই এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারকেই জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

[email protected]


আরো সংবাদ

হিজাব পরে মসজিদে ট্রাম্পকন্যা, নেট দুনিয়ায় তোলপাড় (৯৮৭২)উইঘুরদের সমর্থন করে চীনকে কড়া বার্তা তুরস্কের (৯২৩১)গরু কচুরিপানা খেতে পারলে মানুষ কেন পারবেনা? মন্ত্রীর জবাবে যা বললেন আসিফ নজরুল (৭৮০৩)করোনা : কী বলছেন বিশ্বের প্রথম সারির চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা (৬৯৬৭)বাণিজ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি : রুমিন ফারহানা (৬৯৩০)ফখরুল আমার সাথে কথা বলেছেন রেকর্ড আছে : কা‌দের (৬৭৯২)আমি কর্নেল রশিদের সভায় হামলা চালিয়েছিলাম : নাছির (৬৫৯৮)চীনে দাড়ি-বোরকার জন্য উইঘুরদের ভয়ঙ্কর নির্যাতন, গোপন তথ্য ফাঁস (৬৫৭২)ট্রাম্পের ভারত সফর : চুক্তি নিয়ে চাপের খেলা (৪৪৯০)খালেদা জিয়ার ফের জামিন আবেদন (৪২৯৬)