০৯ ডিসেম্বর ২০১৯

মনিপুরীরা লড়াইয়ের ময়দানেই আছে

-

স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মনিপুরের স্বাধীনতাকামীরা। লন্ডনে একটি প্রবাসী সরকারও গঠন করেছেন তারা। গত ২৯ অক্টোবর লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে রাজ্যটির স্বাধীনতা ও ‘প্রবাসী মনিপুর সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেন দুই বিদ্রোহী নেতা।

‘প্রবাসী মনিপুর সরকারের’ নাম দেয়া হয়েছে ‘মনিপুর স্টেট কাউন্সিল’। ইয়ামবিন বীরেনকে এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং নরেংবাম সমরজিতকে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করা হয়েছে। এ দুই বিদ্রোহী নেতাই দীর্ঘ দিন ধরে লন্ডনে বসবাস করে আসছেন। তারা দাবি করেন, মনিপুরের রাজা লেইশেমবা সানাজাওবার পক্ষ থেকে স্বাধীনতার এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে। প্রবাসী সরকার জাতিসঙ্ঘের স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং লন্ডন থেকেই সরকার পরিচালনা করবে। সমরজিত বলেন, ‘জাতিসঙ্ঘের সদস্য হতে আমরা বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি চাইব। আমরা মনে করি, অনেক দেশই আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে (ভারতে) মুক্ত নই। আমাদের ইতিহাস ধ্বংস হতে চলেছে, আমাদের সংস্কৃতি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। জাতিসঙ্ঘের উচিত আমাদের বক্তব্য শোনা।’

এ নিয়ে বিস্তারিত বলার আগে মনিপুরের সংক্ষিপ্ত পরিচয় জেনে নেয়া যেতে পারে। বাংলাদেশ থেকে কিছুটা উত্তর-পূর্বে মনিপুরের অবস্থান। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বহুল পরিচিত সেভেন সিস্টার্সের একটি হলো মনিপুর। আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরা ও মিজোরামের উত্তর-পূর্বে এবং আসামের পাশে মাত্র ৩০ লাখ অধিবাসী নিয়ে ক্ষুদ্র এ রাজ্যটি উপমহাদেশের স্বাধীনতার সময় ছিল একটি স্বাধীন দেশ। শাসক ছিলেন মনিপুরের মহারাজা বোধাচন্দ্র সিং। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী (জনসংখ্যার ৬০%) হলো মৈতেই উপজাতির মানুষ। তারা প্রধানত রাজ্যের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করে। মৈতেইরা পাঁচটি সামাজিক গোষ্ঠীতে বিভক্ত। মৈতেই মারুপ (এরা মৈতেই ধর্ম ও সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে), মৈতেই খ্রিষ্টান, মৈতেই গৌর চৈতন্য (এরা মৈতেই ধর্ম ও হিন্দুধর্ম উভয়টিতেই বিশ্বাস করে), মৈতেই ব্রাহ্মণ (স্থানীয় নাম ‘বামোন’) ও মৈতেই মুসলমান (স্থানীয় নাম মিয়া মৈতেই বা পাঙ্গাল)। মৈতেই বা মনিপুরী ভাষা তাদের মাতৃভাষা এবং এই রাজ্যবাসীর যোগাযোগের প্রধান ভাষা।

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হলে রাজার শাসনাধীন মনিপুর ও ত্রিপুরা দেশ দু’টির কোনোটাতেই যোগ দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, ত্রিপুরার তখনকার রানী পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। তার প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে তিন দিন বসেছিল। কিন্তু ওই সময় পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের পদ-পদবি বাগিয়ে নেয়ার লবিং-গ্রুপিং ও তদবিরে এতটাই ব্যতিব্যস্ত ছিলেন যে, ত্রিপুরার রানীর প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনায় বসার মতো ‘সময় তাদের হয়নি’।

এবার লন্ডনে বসে মনিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়টি অনেককে বিস্মিত করেছে। কারণ, তারা এটিকে একটি ‘আকস্মিক’ ঘটনা হিসেবে দেখছেন। অনেকে এর পেছনে ‘বাইরের শক্তির’ ইন্ধন আছে কি না জানার চেষ্টা করেছেন। ভারতকে বিব্রত এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বে দেশটির ভাবমর্যাদা বিনষ্ট করার মাধ্যমে চাপে ফেলার অপচেষ্টা হিসেবে এ ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার প্রয়াস পেয়েছে ভারতের গণমাধ্যম। তারা এরই মধ্যে একাধিক প্রতিপক্ষ আবিষ্কারও করে ফেলেছেন। আগে আমরা দেখতে চাই, মনিপুরের এই স্বাধীনতার ঘোষণা কি সত্যিই আকস্মিক একটি ঘটনা?

পাঠকের কি ইরম শর্মিলা নামের কারো কথা মনে আছে? ইরম শর্মিলা চানু। হ্যাঁ, তাকে বলা হয় মনিপুরের ‘আয়রন লেডি’, লৌহমানবী। কেন বলা হয়, অনেকেরই তা জানা।

সালটা ছিল ২০০০। পয়লা নভেম্বর। সেদিন দুপুরে মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলের উপকণ্ঠে মালোমে ঘটে যায় এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ১০ ব্যক্তিকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছিল সরকারের আধা সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলসের সদস্যরা। নিহতদের মধ্যে একজন, ১৮ বছরের সিনাম চন্দ্রমণি। সে সরকারি পশুচিকিৎসা বিভাগের কর্মী ইরম নন্দ আর ইরম সাখির ছেলে। আর তাদের মেয়ে ইরম শর্মিলা কিছু দিন আগেই যোগ দিয়েছেন মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মী হিসেবে। তার আগে তিনি দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা শেষ করে স্টেনোগ্রাফি শিখেছেন। এরও অনেক আগে মাত্র পাঁচ বছর বয়সী ছোট ভাই সিনাম চন্দ্রমণিকে পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়ে তুলেছিলেন তিনিই। এ জন্য পেয়েছিলেন জাতীয় সাহসিকতা পুরস্কার। চেয়েছিলেন সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে। কিন্তু সেই সেনার গুলিতেই মৃত্যু হলো আদরের ছোট ভাইয়ের।

ভাইয়ের নিহত হওয়ার খবর পেয়ে সাইকেল চালিয়ে মালোমে চলে যান শর্মিলা। রাস্তায় ছড়িয়ে থাকা ভাইয়ের রক্তের দাগ দেখে হঠাৎ একটা কঠিন প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেন শর্মিলা। মনিপুরে সেনাবাহিনীর এই বর্বরতার অবসান ঘটাতে হবে। ফিরে এসে তিনি সিদ্ধান্ত নেন- সেনাবাহিনীর নির্বিচার হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়নের প্রতিবাদে অনশন শুরু করবেন। কত দিনের অনশন? যত দিন না সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন তুলে নেয়া হচ্ছে, তত দিন অনশন করবেন ইরম শর্মিলা। তখন থেকেই শুরু।

এরপর ১৬টি বছর চলে গেছে। ২০০০ সালে সেই যে অনশন শুরু করেন শর্মিলা, তার পর থেকে আর ভঙ্গ করেননি। ভারত সরকার তাকে ‘আত্মহত্যার চেষ্টার’ দায়ে গ্রেফতার করে এবং নাকে নল লাগিয়ে তরল খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে। দিন-মাস-বছর পেরিয়ে এই শান্তশিষ্ট মনিপুরী যুবতী ক্রমেই প্রচারের আলোয় আসতে থাকেন। সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ইম্ফলের লড়াইয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা ভারতে এবং বিশ্বজুড়ে। শর্মিলাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে মনিপুরী নারীদের সংগঠন। তার সমর্থনে এগিয়ে আসেন বহু নারী-পুরুষ। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ এই অনশনের কারণে ইরম শর্মিলা হয়ে ওঠেন প্রতিবাদ ও সাহসিকতার প্রতীক।

একটানা ১৬ বছর অনশন চালিয়ে গেলেও ভারত সরকার সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন তুলে নেয়নি। ২০১৬ সালে শর্মিলা অনশন ভেঙে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ঘোষণা দেন। তিনি এখন মনে করেন, অনশন নয়, নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির মধ্য দিয়ে মনিপুরের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারবেন। তিনি সেই প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

শর্মিলার এই ঘটনা প্রমাণ করে, মনিপুরে ভারতীয় দখলদারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কখনো থেমে যায়নি। সেটি এখনো চলছে। প্রতিবাদ যে চলমান, তার আরেকটি দৃষ্টান্ত বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ২০০৪ সালে এই মনিপুরেই সেনাবাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে ঘটেছিল বিশ্বের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের ঘটনাও।

মনিপুরী এক নারীকে গণধর্ষণের পর ভারতীয় সেনাসদস্যদের গুলি করে তাকে হত্যার প্রতিবাদে এই রাজ্যের নারীরা প্রকাশ্যে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। তাদের হাতে ছিল ভারতীয়দের প্রতি আহ্বান সংবলিত প্ল্যাকার্ড ‘আমাদের ধর্ষণ করো।’ মনিপুর পাশ্চাত্যের জনপদ নয়। পাশ্চাত্যের নারীদের মতো মনিপুরী নারীরা যেখানে সেখানে নির্দ্বিধায় নগ্ন হতে পারেন না। কিন্তু তারা সেটা পর্যন্ত করেছেন। মনে কতটা ক্ষোভ-জ্বালা জমা হলে এবং কতটা অসহায় হলে নারীরা এ ধরনের প্রতিবাদে এগিয়ে আসতে বাধ্য হন, ভাবতেও গা শিউরে ওঠে।

মনিপুরীরা যদি সিকিমের মতো ভারতীয় দখলদারিত্ব মেনে নিতেন, তাহলে সেখানে সেনা পাঠানোর কোনো দরকারই দিল্লির হতো না। সেনাবাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারাতে হতো না মনিপুরবাসীকে, ধর্ষণের শিকার হতে হতো না মনীপুরী নারীদের।

মনিপুরীরা যে অব্যাহতভাবে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, তার সর্বশেষ উদাহরণ হলো অতি সাম্প্রতিক ঘটনা। ঘটনাটি গত ১৫ অক্টোবরের। ১৯৪৯ সালের এ দিনেই ত্রিপুরা ও মনিপুরকে অঙ্গীভূত করে নেয় ভারত। একটি ভারতীয় অনলাইনের খবর : “একাধিক সংগঠনের ডাকে মনিপুরের একাংশে বন্ধ পালিত হলো মঙ্গলবার। সত্তর বছর আগে রাজ্যকে ভারতের সাথে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই এই বন্ধ। অন্য দিকে, ত্রিপুরাতেও বন্ধ ডাকা হয়েছিল একই কারণে। সংযুক্তির প্রতিবাদে মনিপুরের দুই ‘চরমপন্থী’ সংগঠন, কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং অ্যালায়েন্স অব সোস্যালিস্ট ইউনিটি বন্ধের ডাক দিয়েছিল।

অন্য দিকে, ত্রিপুরাভিত্তিক সংগঠন ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব তুইপ্রাও ‘বলপূর্বক’ ভারতের সাথে সংযুক্তির অভিযোগ করে ত্রিপুরায় বন্ধের ডাক দিয়েছিল। এই দুই রাজ্য ভারতের সাথে যুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর। মনিপুরে বন্ধ হয়েছে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা। সমতলের ছয়টি জেলায় এর প্রভাব পড়েছিল। ত্রিপুরায় বন্ধের ব্যাপক প্রভাব না পড়ার খবর পাওয়া গেলেও আদিবাসী অধ্যুষিত কোনো কোনো জায়গায় কিছুটা প্রভাব পড়ে বলে জানা গেছে। এনএলএফটি এবং এএসইউকে’র তরফে ১৯৪৯ সালের মনিপুর ও ত্রিপুরার সংযুক্তিকে ‘কালো সময়’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। জনসংখ্যার দিক থেকে তারা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। রাজনৈতিক দিক থেকে প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের খারাপ চোখে দেখা হচ্ছে। এর একমাত্র কারণ ভারতের সাথে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। বলেছে বন্ধের ডাক দেয়া সংগঠনগুলো।”

যাদের বুদ্ধিবিবেক কোনো বিশেষ দল বা দেশের কাছে বিক্রি হয়ে যায়নি, তারা বুঝবেন, ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভারতভুক্তির বিষয়টি কিভাবে নিয়েছেন ত্রিপুরা ও মনিপুরের মানুষ।

আমরা দেখেছি, ১৯৪৯ সালে ভারত রাষ্ট্র মনিপুরকে অঙ্গীভূত করার দিন থেকেই মনিপুরবাসী ভারতের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে আসছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, গত কয়েক দশকে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও স্বাধীনতাকামীদের লড়াইয়ে কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। কারাবন্দী করা হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষকে। এ ছাড়া স্বাধীনতাকামীদের দমন করতে কাশ্মিরের মতো মনিপুরেও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। যা হোক, গোটা ঘটনায় ‘বিস্মিত’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মনিপুরের রাজা লিইসেমবা সানাজাওবা। তিনি স্বাধীনতা ঘোষণার অনুমতি কাউকে দেননি বলেও জানিয়েছেন। পুরো ঘটনার জন্য এনআইএর মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং।

তিনি তদন্তের দাবি জানালেও বসে নেই ভারতীয় গণমাধ্যম। তারা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের নাড়ি-নক্ষত্র উদ্ধার করে ফেলেছেন। তারা জানতে পেরেছেন, ভারতকে আন্তর্জাতিক মহলে চাপে ফেলার এটি এক গভীর ষড়যন্ত্র- বলছে ভারতীয় জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো। দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য হিন্দু এবং টিভি চ্যানেল এনডিটিভি- মনিপুর রাজ্যের স্বাধীনতা ঘোষণার পেছনে লন্ডনে অবস্থানরত ‘বাংলাদেশের একজন বিরোধীদলীয় নেতার সংশ্লিষ্টতা’ খুঁজে পেয়েছে বলে দাবি করেছে। এনডিটিভির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মনিপুর রাজ্যের স্বাধীনতা ঘোষণার চূড়ান্ত পর্যায়ে লন্ডনবাসী, বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব রকম সহায়তা করেছেন।’ মনিপুরের নবগঠিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করা ইয়ামবেন বীরেন ও মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নরেংবাম সমরজিত দীর্ঘ দিন ধরে তাদের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তার সাথে দেখাসাক্ষাৎ, এমনকি পরামর্শও নিতেন বলেও দাবি করেছে ওই সব ভারতীয় গণমাধ্যম।

ভারতীয় মিডিয়ার এসব আবিষ্কার একান্তই তাদের স্বভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। আমরা জানি, উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে ভারতীয়দের জুড়ি নেই। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুম্বাই হামলার নাটক সাজিয়ে প্রতিপক্ষের ঘাড়ে কিভাবে দোষ চাপায়, সেই দৃষ্টান্ত একেবারে তরতাজা। তাই বেশি কথার আর কী দরকার!


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik