২২ আগস্ট ২০১৯

নীতিহীনতাই সর্বত্র

-

বাংলাদেশ সম্পর্কে কি কোনো সুসমাচার আছে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহু আশা ভরসার কথা শোনানো হয় বটে। কিন্তু এসব আশ্বাস ‘বায়বীয়’ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, এসব আশ্বাসের সাথে দেশের বাস্তব অবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই, যা কিনা সাধারণ মানুষের জীবনকে স্পর্শ করে। যে আশার বাণী জনগণ শুনছে তার কোনোটির সাথেই বাস্তবতার সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায় না। যেমন, যে রাজনীতির লক্ষ্য কল্যাণ সাধন করা, তার কথা বারবার বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এর বিপরীতে খলনীতিই গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাহীদের চলার পথ হওয়া উচিত নীতিনিষ্ঠ। কিন্তু সর্বত্রই আজ নীতিহীনতা ও দুর্নীতির সয়লাব।

এ অবস্থায় সমাজে রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে অনিয়ম। চলছে দুর্ভোগ। তার স্বীকৃতি দিয়ে সরকারের প্রধান নির্বাহী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারের একটি বড় অ্যাজেন্ডা উন্নয়ন করা। এ জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে বটে। কিন্তু দুর্নীতির বিভিন্ন ফাঁকফোকর দিয়ে সেই অর্থের একটি বড় অংশই শুষে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। দেশে রকমারি রাজনীতি নেই বলে সরকারের প্রতিপক্ষের কোনো ভূমিকা নেই। ফলে কার্যত গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার কোনো সুযোগ হচ্ছে না। এর পরিণতি হচ্ছে উল্লিখিত অনিয়মগুলোর জন্য নির্বাহীদের কারো কাছে কোনো প্রশ্নের বা জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হয় না। এসব কারণে সমাজে সবাই খানিকটা শান্তি ও স্বস্তির জন্য হন্যে হয়ে ছোটাছুটি করছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার নেই আজ পর্যন্ত। আর এই দুশ্চিন্তায় মানুষ ভারাক্রান্ত। সব মিলিয়ে সর্বদা বর্তমান সময়ে কোনো দিক থেকে ইতিবাচক কোনো বার্তা আসছে না জাতির জন্য। অথচ ক্ষমতায় যাওয়ার আগে আমাদের রাজনৈতিক নেতারা কল্যাণ করার বেসুমার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে থাকেন।

কিন্তু নির্বাচন পার হলে এসব বিষয় নিয়ে তাদের আর কোনো রা থাকে না। এভাবে যদি কেবল নেতিবাচক বার্তা আসতে থাকে, তবে জাতি ক্ষুব্ধ ও হতাশ হবেই; আর এমন হতাশা নিয়ে কিভাবে দেশ অগ্রসর হবে? আজকে এই নেতিবাচক পরিণতির জন্য কোনো বিশেষ শ্রেণীকে দায়ী করা যাবে না। রাষ্ট্র ও সমাজের এই নৈতিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের নেতৃত্ব যথাযথ হচ্ছে না। এই অক্ষমতার পুঞ্জীভূত রূপ দেশে অসংখ্য সমস্যার সৃষ্টি করেছে। আমাদের জাতীয় নেতৃত্ব নীতি নৈতিকতার আলোকে পথ চলছে না। নিজেদের প্রভাব-প্রতিপত্তি, যশ-খ্যাতি এবং অর্থবিত্ত লাভের জন্য নেতৃত্ব কব্জা করা হচ্ছে। সমাজ ও মানুষের কল্যাণ করার ন্যায়ভিত্তিক চিন্তা কর্মের লক্ষ্য নয়। নেতারা এই অনৈতিক পথে গিয়ে পরামর্শক ও সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করে থাকেন অসাধু ও সুবিধাবাদী ব্যক্তিদের। ফলে এসব ব্যক্তির দেয়া পরামর্শ ও সাহচর্যে কল্যাণ হতে পারে এমন ভাবা বাতুলতা মাত্র।

বিগত কয়েক দশক বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা এ দেশের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, তাদের কাজের এমন কোনো উদাহরণ নেই যা স্মরণ করে প্রকৃতপক্ষে স্বস্তি বোধ করা যায়। বরং এ সময়ে, জনগণের জন্য হিতকর হিসেবে পরীক্ষিত অনেক বিষয় তাদের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয়েছে। এমন একটি ভালো বিষয় হচ্ছে দলীয় সরকারের পরিবর্তে নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতায় থাকা এবং এই সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান। এমন ব্যবস্থার অধীনে যে কয় দফা জাতীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার প্রতিটির বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো মহলের কোনো অভিযোগ ছিল না।

অথচ এমন একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থা নিয়ে কুরাজনীতি করা হয়েছিল। এমন নেতিবাচক রাজনীতিই এখনো প্রাধান্য পাচ্ছে বাংলাদেশে। এসব কারণে দেশে মূলত জনকল্যাণের রাজনীতি নেই। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে যদি বিশ্বে পরিচিতি লাভ করতে হয়, তবে ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনীতি থাকাটা অপরিহার্য। এমন রাজনীতিতে অবশ্যই সরকারি দলের পাশাপাশি কার্যকর বিরোধী দলও থাকতে হবে। শুধু নামের জন্য ‘বিরোধী দল’ থাকাটা বাঞ্ছনীয় নয়। কারণ বিরোধী দলকে ক্ষমতাসীন সরকারের ভুলভ্রান্তির ব্যাপারে সরব ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার পূর্ণ সুযোগ পেতে হবে। এখন সেই স্বাভাবিক অবস্থা দেশে বিরাজ করছে না। বিরোধী দলের পক্ষে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর কোনো সুযোগ নেই। সরকারি দল তো স্বাভাবিকভাবে তাদের নীতি অনুযায়ী চলবে। সেই নীতিতে যদি ত্রুটিবিচ্যুতি দেখা যায়, তা ধরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে তাদের প্রতিপক্ষের।

কিন্তু সেই সুযোগ না থাকলে বা পরিবেশ অনুকূল না হলে, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে ক্ষমতাসীনেরা প্রতিক্রিয়ায় অস্বাভাবিক আচরণ করবেন। যা এখন লক্ষ করা যাচ্ছে। এই আচরণের মধ্যে রয়েছে হামলা মামলা জেল জুলুম প্রভৃতি। প্রচার মাধ্যমগুলোও এ অবস্থায় প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। তা ছাড়া, প্রশাসনের ভূমিকা নিরপেক্ষ নয়। গণতান্ত্রিক দেশে প্রশাসন রাষ্ট্রের স্বার্থ দেখে; তবে সরকারি দলের প্রতি রাজনৈতিকভাবে অনুগত থেকে সরকারের প্রতিপক্ষের প্রতি অন্যায় আচরণ করে না। এমন হলে অবশ্যই কর্তৃত্ববাদী, তথা নিপীড়ক শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে। এমন শাসনে কোনো বিরোধী দল তার স্বাভাবিক অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারে না। সেই সাথে হারিয়ে যাবে সাধারণ মানুষের সব গণতান্ত্রিক অধিকার। অথচ আমাদের দেশের মানুষ নিজেদের অধিকারের জন্য বহু সংগ্রাম করেছে দীর্ঘকাল।

ইতোমধ্যে বলা হয়েছে, কোথাও থেকে জাতির জন্য শান্তি স্বস্তি ও নিরাপত্তার কোনো বার্তা এখন আসছে না। প্রতিদিন প্রকাশিত হচ্ছে খুন খারাবি হত্যা ধর্ষণের মতো অপরাধের খবর। এসব অপসংবাদের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে কেমন এক মারাত্মক অসুস্থ সমাজে বাংলাদেশের মানুষ বসবাস করছে। এর প্রতিকারের দায় কেবল শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিলে যথেষ্ট হবে না। সমাজের কোথায় এসব দুর্বৃত্ত অপরাধী অবস্থান করছে তা খুঁজে বের করতে তাদের প্রত্যেকের সাথে একজন করে আইন রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা সম্ভব নয়। তাই এর সমাধান খুঁজতে হবে সমাজের বৃহত্তর পরিসরে। এ জন্য সমাজে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সুস্থ মানুষকে নজর দিতে হবে অসুস্থদের দিকে।

নানাবিধ অপরাধের জন্য সমাজপতিদের পেটোয়া পোষা ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া, তাদের কাছ থেকে সাহায্য সহযোগিতা নেয়া, এই দুর্বৃত্তদের মদদদানকারীদের প্রতি কোনো ছাড় দেয়া উচিত নয়। এমন সমাজপতিদেরকেও অপরাধ সংঘটনের সাথে মদদকারী হিসেবে আইনের আওতায় নিয়ে এসে তাদের বিচারে সোপর্দ করতে হবে। এর ফল হবে, অপরাধীদের শেকড় ছিন্ন হওয়া। দুর্বৃত্তদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দানকারীরা তাদের ‘ওপরে থাকা’ ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর আশীর্বাদপুষ্ট। তাদের এই সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার দায়িত্ব সরকারের। সেটা না করলে এই অভিশাপ থেকে সমাজের বেঁচে থাকা কোনো ক্রমেই সম্ভব হবে না। অপরাধকে উসকে দেয়ার জন্য সমাজে অনেক কিছু রয়েছে। বিশেষ করে অন্যায় অপরাধকে ঘৃণ্য হিসেবে গণ্য করার কোনো অনুশীলন এখন সমাজে নেই। এ কারণে অপরাধীরা ঘৃণ্য অপরাধে জড়িত হওয়ার ব্যাপারে কোনো নৈতিক বাধা অনুভব করে না। আর আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও জীবনাচরণে ভালো কোনো কিছুর স্পর্শ নেই দীর্ঘদিন ধরে। বরং বিভিন্ন মাধ্যমে অনৈতিকতা এবং পেশিশক্তি বিস্তারের বহু আয়োজন করা আছে।

যেসব রাষ্ট্র ও সমাজে সদাচরণকে অনুসরণ করা এবং মূল্য দেয়া হয়, সেখানে সত্যিকার হিতকর বিষয়গুলো মানুষ রপ্ত করে থাকে। সেখানকার জীবনাচরণে নীতি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এসব শিক্ষা মানুষ সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পায়। আর আমাদের কিশোর তরুণরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন শিক্ষা লাভ করছে না, যাতে তার মনমানসিকতা সুন্দরভাবে গঠিত হবে। ধর্ম মানুষকে সুনীতি ও সুপথ অনুসরণের দীক্ষা দেয়। কিন্তু ধর্ম থেকে এসব ইতিবাচক বিষয় শিক্ষা নেয়ার কোনো পথ নেই। বিদ্যমান শিক্ষা কর্মসূচি ও শিক্ষাপদ্ধতি অনুসরণ করলে সুশীল সুবোধ হওয়ার পথের সন্ধান মিলবে না। এমনকি যাদের কাছ থেকে এমন শিক্ষা পাওয়ার কথা সেই শিক্ষকদের অনেকের কাছ থেকে সৎ জীবনযাপনের দিকনির্দেশনা আর পাওয়া যায় না।

তারা তাদের চরিত্র ও বোধবিবেচনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়াতে সমর্থ হচ্ছেন না। তা ছাড়া এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী আছেন যারা কেবল নৈতিকতাহীন বস্তুবাদের জয়গান করেন এবং সে আলোকে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করে থাকেন। অথচ বস্তুবাদের যে আঁতুর ঘর সেখানেও এখন তার অস্তিত্ব নেই। বস্তুবাদের যে ভয়ানক দুর্বলতা আছে, সেটাই এর পতনকে অনিবার্য করেছে। কিন্তু এ দেশে এই ভ্রান্ত ধারণার বেসাতি আজো চলছে, যা সম্ভাবনাময় তরুণদের অনেককে বিভ্রান্ত করছে।

সমাজে আজকের হাল অবস্থা নিয়ে যে কথা বলা হলো, তা নিয়ে বসে থাকার অবকাশ নেই। এ জন্য জাতীয় নেতৃবর্গ, সুশীল ও সমাজবিজ্ঞানীদের নিয়ে অবিলম্বে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করে সমাজের এই ভয়াবহ অসুখকে দূর করার ব্যবস্থাপত্র তৈরি করতে হবে। সে অনুযায়ী জাতীয় কার্যক্রম শুরু করে দিতে হবে অচিরেই। দেশের উন্নয়নের জন্য সরকারের পক্ষে বারবার যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হচ্ছে, তাকে সফল ও অর্থপূর্ণ করতে হলে এমন সব মানুষ গড়ে তোলা প্রয়োজন যারা নীতি ও নৈতিকতার দিক থেকে নিষ্ঠাবান ও পরীক্ষিত। উন্নয়নের কথা বলা তখনই সার্থক হবে যখন এর কর্মসূচি বাস্তবায়নে যোগ্য ও নিষ্ঠাবান কর্মীর সমাবেশ ঘটনো যাবে। সেই সাথে আমাদের রাজনীতিতে এখন যে পঙ্কিলতা, সেটাও দূর করার স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের একটা ভূমিকা থাকা আবশ্যক। কিন্তু দেশে প্রতিদিন যে অনিয়ম দুর্যোগ ঘটছে, অবাক হওয়ার বিষয় যে, সংসদের মতো অতীব গুরুত্ববহ ফোরামে এসব নিয়ে আলোচনা ও প্রতিকারের দিকনির্দেশনা নেই। তাই এ ক্ষেত্রে সংসদ সবাইকে হতাশ করছে। আর বিষয় উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, কখনো কখনো কোনো একটা ব্যাপার নিয়ে তাদের তৎপরতা লক্ষ করা যায়। কিন্তু সে বিষয়ের চূড়ান্ত সুরাহা না হতেই প্রশাসনের সক্রিয়তা শেষ হয়ে যায়। এসব অসঙ্গতির কারণে দেশে রয়েছে সুশাসনের অভাব। আইন নীতি আদর্শ এবং অতীতের ভালো দৃষ্টান্তগুলোর আলোকেই সুশাসন কায়েম হতে পারে। কিন্তু এখন এমন নির্দেশনা প্রদান কিংবা অনুসৃত হচ্ছে না বলেই সুশাসন কার্যত নেই। এর পরিবর্তে দলীয় শাসকদের অভিপ্রায় অনুযায়ী শাসন কার্যক্রম চলছে। নীতির তোয়াক্কা করা হয় না বলে শাসন ব্যক্তিগোষ্ঠীর অনুরাগ বিরাগের ভিত্তিতে পরিচালিত। এমন বৈষম্য সমাজে বিরাজ করলে সুশাসনের কোনো নজির খুঁজে পাওয়া যাবে না। ব্যক্তিবিশেষের জন্য যদি সমাজের নীতি ও আইন পাল্টে যায় আর তা যদি সর্বত্র সংক্রমিক হয়, তাহলে শিষ্টের পালন করার যে সর্বজনীন নীতি তার কোনো মূল্য ও অস্তিত্ব থাকবে না। এসব বিষয় সমাজকে স্থিতিহীন করে রাখে।

আশার কথা, সংখ্যায় কম হলেও এখনো ইতিবাচক ধারণা পোষণকারী আলোকিত মানুষ কিছু রয়েছেন। কিন্তু সুনীতির আলো সমাজে ছড়িয়ে দিতে তাদের কেমন যেন জড়তা ও উদ্যোগের অভাব দৃশ্যমান। তবে মনে রাখতে হবে, যে হলাহল সমাজকে ছেয়ে ফেলছে, তাকে যদি এখনই রোখার ব্যবস্থা না নেয়া হয় তবে যে যত নিভৃতে আশ্রয় গ্রহণ করুন না কেন, সে বিষবাষ্প কাউকে শ্বাস নেয়ার সুযোগ দেবে না। আর প্রকৃতির বিধান অন্ধকারের পরে আলোকচ্ছটা আসবেই। তখন আজকের নেতানেত্রীদের তাদের ব্যর্থতার জন্য বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তাই উত্তরসূরিদের জন্য ভালো কিছু রেখে যাওয়ার কথা ভাবতে হবে অবশ্যই। বিশেষ করে মানুষের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ একটি আবাসভূমি রচনার তাগিদ ও দায়িত্বের কথা ভুলে গেলে চলবে না। ক্ষমতা ও বিত্ত কখনোই কারো জীবনে স্থায়ী হয় না, এক সময়ে তা নিঃশেষ হবেই। কিন্তু সৎ কর্ম স্থায়ী হয় এবং তা থেকে যারা উপকৃত হয়, তারা সেটা কালকে ডিঙ্গিয়ে নিয়ে যায় কালান্তরের দিকে।

[email protected]


আরো সংবাদ

৭৫-এর পরিকল্পনাকারীদের বিচারে জাতীয় কমিশন গঠনের দাবি রাজধানীতে জেএমবির চার সদস্য গ্রেফতার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে ফিরে না গেলে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানো হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ সচিবালয়ের আবাসন সমস্যা দূর করতে আরো ৫০০ ফ্যাট কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদে ভেলায় সবজি চাষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগ করার আহ্বান অবশেষে রোহিঙ্গারা ফিরছেন আজ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কা ১৫ আগস্ট আর ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা : কাদের কাশ্মির নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে পাকিস্তান

সকল




mp3 indir bedava internet