১০ ডিসেম্বর ২০১৮

সুনীতি সমাচার

-

দেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার-সংক্রান্ত ভাগের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।’ আর ৩১ অনুচ্ছেদে আরো বলা আছে, ‘আইনের আশ্রয় লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইন অনুযায়ী ব্যবহার লাভ যেকোনো স্থানে অবস্থানরত নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষত আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।’ সংবিধানের প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আইনের এই পর্যাপ্ত সুরক্ষা থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে এর অনুশীলন ভিন্ন। ক্ষমতা ও প্রতিপত্তিশালী নিপীড়কেরাই বরং আইনের সুরক্ষা পেয়ে যাচ্ছে। আর সামর্থ্যরে অভাবে দুস্থ-নিপীড়িতরা আইনের সুরক্ষা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। পরিতাপের বিষয়, সমাজ এবং রাষ্ট্র কাউকেই নিপীড়িত দুস্থদের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় না। এই পরিপ্রেক্ষিতে তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে প্রশ্ন জাগে, আইন বা শাসন কোথায়? এ অবস্থায় সমাজে জুলুম ও অত্যাচার অব্যাহতভাবে চলছে। এর কোনো প্রতিবিধান নেই।

হরহামেশা আমাদের বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দ বলে থাকেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সুশীলসমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, আইনের শাসন না থাকার কারণেই মানুষ নিগৃহীত হচ্ছে। এই যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, তাই সাধারণভাবে প্রশ্ন জাগে- আইনের শাসন বলতে তারা কী বোঝাতে চান? সমাজ-রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বিধানের জন্য সবার সম্মতিতে রচিত বিধিবিধানগুলোই বস্তুত আইন, আর সেই বিধিগুলো মানতে সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ এবং রাষ্ট্রশক্তি এই বিধি অমান্যকারীদের নির্দিষ্ট শাস্তির ব্যবস্থা করাই হচ্ছে আইনের শাসন। সুদূর প্রাচীনকালে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে সেখানকার মানুষের অভিপ্রায় অনুসারে সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য এমন বিধি তৈরি ও মেনে নিয়েছে। এভাবে সমাজ এগিয়ে চলছে। আজকে আইনের শাসনের বহু বিস্তৃত ব্যাখ্যা এসেছে। সমাজের জটিল চাহিদা পূরণের জন্য আইনের বহু শ্রেণিবিন্যাস ঘটেছে। মানুষের অধিকার ও দায়িত্বের যে পরস্পর সম্পৃক্ততা তা নিয়ে নিত্য আলোচনা হচ্ছে।

আইনের শাসন রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি ভালো সরকারের মূলনীতি হয়ে থাকে। সরকার সব ক্রিয়াকর্ম আইনের অধীনে পরিচালনা করে থাকে। প্রশাসন সততার সাথে আইনকে অনুসরণ করে তাকে সব কিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেবে। প্রশাসন আইনের শাসনের বাইরে যাবে না। যার ফলে রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিকের যেকোনো অধিকার লঙ্ঘিত হলে সে তার প্রতিকার পাবে। সহজ কথায় আইনের শাসন বিদ্যমান আছে কি না তা নির্ণয় করা যাবে সরকারি ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অনুশীলন কতটা বিধানাবলি দিয়ে নিয়ন্ত্রিত। এর কিছুমাত্র ক্ষুণœ হলে নাগরিকেরা আদালতের আশ্রয় নিতে পারে। নাগরিকের ব্যক্তিগত অধিকার ক্ষুণœ হলে আদালত তার প্রতিবিধান করবেন। এই ভাগে যা আলোচনা করা হলো, তা প্রকৃতপক্ষে আইনের শাসনের আদর্শিক অবস্থান। বাংলাদেশে তার অনুসন্ধান করা বৃথা। তা ছাড়া, এ জন্য নাগরিকদের সচেতনতাও বিশেষ প্রয়োজন।

সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, সুনীতি ও সুশাসনের অভাব রয়েছে বলেই এখন সব দিক থেকে দুস্থের আহাজারি শোনা যায়, নিপীড়িত ও নিগৃহীতদের বেদনার যতসব কাহিনী প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে পাওয়া যায়। খুন গুম সঙ্ঘাত সংঘর্ষের ঘটনা এবং বিনা কারণে জেল-জুলুম ও নির্যাতন করা হচ্ছে। চলছে গায়েবি মামলার হিড়িক। যাতে নাগরিকের মানবাধিকার ক্ষুণœ হচ্ছে। এর সব কিছুই আইনের শাসনের পরিপন্থী। আইন মানুষের কল্যাণের জন্য, আর সে কল্যাণ নিশ্চিত করা শাসক শ্রেণীর সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে তার উল্টো। আইনের অবস্থান হবে সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে। এটাই রাষ্ট্রের মূল চেতনা হওয়া উচিত। কিন্তু এখন আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দেখা যায় শাসক শ্রেণীর অনুরাগ-বিরাগের ভিত্তিতে তা হচ্ছে।

সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন আর রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা আসীন হন, তারা সংবিধানের শপথ নিয়ে তা সংরক্ষণের অঙ্গীকার করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা যায়, তারা এই পবিত্র শপথ রক্ষায় ব্রতী হন না। এই আচরণ বস্তুত আইনের যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে তাদের আন্তরিকতার অভাবের পরিচায়ক। শাসকদের এই দুর্বলতার কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়, যা কিনা নাগরিকদের চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মজুদদার চোরাকারবারি সমাজের ঘৃণ্য শ্রেণীর লোক, এরা দাপটের সাথে বহাল রয়েছে। এদের অপর সহযোগীরা বাজারে ভেজাল ও নিকৃষ্টমানের খাদ্যদ্রব্য নিয়ে ব্যবসায় করছে। নকল ওষুধ বাজারজাত করে জনজীবন বিপন্ন করে তুলছে। এসব দুর্বৃত্তকে দমনের জন্য প্রচুর বিধিবিধান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করে এদের দমন না করায় নাগরিকদের জীবন হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে। আইনের উপস্থিতি পরিহাসে পরিণত হয়েছে।

বিচার বিভাগের বিচারকেরাও সংবিধানের ব্যাখ্যা দেয়ার এবং বলবৎ করার অন্যতম অথরিটি। সেই সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদের বিরূপ ঘটলে তার প্রতিবিধান করার এখতিয়ারও বিচার বিভাগের। সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদের যদি কোনো অন্যথা ঘটে, তা নিয়ে যেকোনো নাগরিক বিষয়টি আদালতের গোচরে আনে, তবে অবশ্যই বিচার বিভাগ তা দেখবে। আর এভাবে রাষ্ট্রে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষিত হয়। তবে কখনো কখনো এর ব্যত্যয় ঘটে না তা বলা যাবে না। রাষ্ট্রে সব অঙ্গে যদি এই ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হতো, তবে সমাজে আজ যে নানা বিষয় নিয়ে আক্ষেপ তা হয়তো আর থাকত না। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি করণীয় ছিল প্রশাসন ও আইন বিভাগের। কিন্তু তারা তাদের করণীয় কাজ করতে অবহেলা করেছে বলে পুঞ্জীভূত হয়েছে অন্যায় ও অনিয়ম।

আইন প্রণয়নে যদি নির্বাহী বিভাগের অসৎ উদ্দেশ্য থাকে আর সেই বিধানের ত্রুটি রেখেই যদি আইন বিভাগ তা গ্রহণ করে নেয়, তবে আইনে যেমন গলদ থেকে যাবে আর তা প্রয়োগের ফলে জনগণের ভোগান্তি বাড়বে। তা দিয়ে সুশাসন কায়েম হবে না। আইন তৈরির একমাত্র লক্ষ্য শৃঙ্খলা বিধান ও নাগরিক জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা। আজ একমাত্র এই মহৎ উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন হয় না। অভিযোগ রয়েছে, কখনো কখনো নিপীড়নমূলক আইনও রচনা ও গ্রহণ করা হয়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রে জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা কায়েম হওয়া। আর এই জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয় সংসদের মাধ্যমে। আজকের যে সংসদ তার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জিত সম্ভব নয়। কেননা, যে নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে, সেটা এক জোটের সংসদ। সে নির্বাচনে কোনো বিরোধী দল ছিল না। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব বিরোধী দলের দাবি ছিল। দলীয় সরকারের অধীনে নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান। সে দাবি অগ্রাহ্য হলে বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করে।

ফলে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ও তার সহযোগীরা এককভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিল। বর্তমান সংসদের গঠন নিয়ে যে ত্রুটির কথা বলা হলো। সে কারণে এই সংসদের পক্ষে সরকারের জবাবদিহি করা সম্ভব হচ্ছে না। এবং সে কারণে সর্বত্র সীমাহীন অনিয়ম, অব্যবস্থা ও দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। পৃথিবীতে যেসব দেশ অধিক মাত্রায় দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। পাঁচটি বছর ধরে এমন অব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ চলছে। এমন অবস্থায় দেশের গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা সব ভেঙে পড়েছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার যেভাবে চলার কথা এখন তা সেভাবে চলছে না। বিরোধী দল এসবে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করবে সে পরিস্থিতি এখন বিরাজ করছে না। সব কিছুতে কর্তৃত্ববাদিতাই পরিলক্ষিত হচ্ছে।

কিছুকাল আগে কুমিল্লায় এক অনুষ্ঠানে দেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ‘আইনের শাসন ও গণতন্ত্র একে অপরের পরিপূরক। আইনের শাসন ছাড়া গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিকশিত হতে পারে না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রের তিন অঙ্গকেই একসাথে কাজ করে যেতে হবে।’ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সমাজের শৃঙ্খলা বিন্যাসের জন্য রাষ্ট্রের সব অঙ্গ পরস্পর সহযোগিতার সাথে কাজ না করলে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তার উদাহরণ বাংলাদেশ। আইনের শাসন নেই বলে সমাজে সুবিচার নেই আর গণতন্ত্র নেই বিধায় জনমানুষের মতামতের কোনো মূল্য নেই। এখন নির্বাচনে ভোটারহীন একক প্রার্থী বিজয়ী হন।

এর উদাহরণ ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন। এ ধরনের একটি নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ গঠিত হয়েছে এবং বেসামরিক সরকারও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমন একটি জনসমর্থনহীন সংসদ দেশের জন্য আইন প্রণয়ন করে চলছে। এসবের বৈধতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সুশীলসমাজ থেকে প্রশ্ন উঠানো হলেও আর কোথাও থেকে কোনো কথা শোনা যায় না। অথচ শুদ্ধতার আলোকে এসব পরখ করা হলে হতাশ হওয়া ছাড়া আর উপায় নেই। এর পাশাপাশি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে উন্নয়নের ক্ষেত্রেও দেশ আজ পিছিয়ে আছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন আমরা এখন লক্ষ করছি, তা সফল হওয়া কঠিন কাজ। কেননা সমাজে এখন ন্যায্যতার কোনো মূল্য নেই। সুনীতি ও মূল্যবোধের কার্যকারিতা নেই।

প্রতিটি দেশ তার নাগরিকদের মধ্যে মূল্যবোধ, ন্যায়নীতি ও হিতের শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে, যাতে তাদের সমাজে সুনীতি শৃঙ্খলার কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। তাদের শিক্ষায় ন্যায়নিষ্ঠতা ও নৈতিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এসব সমাজের মানুষ আইনশৃঙ্খলার প্রতি শৈশব থেকেই শ্রদ্ধাশীল হয়ে থাকে। আর আমাদের রাষ্ট্রের কর্ণধারেরা সুনাগরিক তৈরির বিষয় নিয়ে ভাবেন বলে মনে হয় না। পাঠ্যতালিকায় এখন আর নীতি ও শৃঙ্খলার কোনো গুরুত্ব নেই। তাই আমাদের সমাজে মানুষ এসব পাঠ না নিয়ে বেড়ে ওঠে। আর সে কারণেই তাদের মধ্যে আইনকানুনের প্রতি শ্রদ্ধা তৈরি হয় না।

এটা শুধু ব্যক্তির জন্য নয়, গোটা জাতি এ কারণে ভুগছি। আমাদের নেতানেত্রীরা শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবেন, কিভাবে তাদের তরকিক হবে। পাশের মানুষটির দিকে দৃষ্টি দেয়ার ফুরসত নেই। মুসলিম দেশের একজন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের প্রত্যেক মানুষ নৈতিকতার শিক্ষা পাওয়ার কথা ধর্মীয় অনুশাসন থেকে। কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষা পাঠ্যসূচি থেকে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ সম্প্রতি অপসারিত হয়েছে। এর ফলে আমাদের শিশু-কিশোরেরা সুনীতি শিক্ষা ছাড়া বেড়ে উঠছে। ভবিষ্যতে এরা যখন সমাজে প্রবেশ করবে, তখন নীতিবোধের অনুশাসন ছাড়াই আসবে। এদের কাছে তো তখন ন্যায়-অন্যায় বিচার-বিবেচনার কোনো মাপকাঠি থাকবে না। নীতি-নৈতিকতাশূন্য একজন মানুষ দেশে তৈরি হবে।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের ১১৩ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০২তম স্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। আর মধ্য আয়ের ৩০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২২তম স্থানে। বিভিন্ন দেশের আইনের শাসন পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা দি ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের রুল অব ল ইনডেক্সের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ১১৩ দেশের এক লাখ ১০ হাজার খানা ও তিন হাজার বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতে এ জরিপটি করা হয়েছে। আইনের শাসনবিষয়ক আটটি সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা জরিপটিতে বাংলাদেশের এই দুর্বল অবস্থান ফুটে উঠেছে। এই চিত্র থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবাধিকার কতটা নাজুক পর্যায়ে রয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় আমাদের নেতানেত্রীরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা অসফল আর নাগরিকেরা কতটা নিগৃহীত হয়ে রয়েছে।
[email protected]


আরো সংবাদ

যেসব আসনে ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে (২৮৭৩৪)বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যারা প্রার্থী হলেন (১৩০২৭)মনোনয়ন না পাওয়া বিএনপির আনিসুল হক বললেন- ব্যক্তি নয় মার্কাই বড় (১১৮১৮)অভিমানে বিএনপি ছাড়লেন মনির খান (১১১৭৬)জোটে ২২ আর উন্মুক্তভাবে ১ আসনে লড়বে জামায়াত (১০৮৭৮)ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ (৯৭০৯)বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেমকে লক্ষ্য করে গুলি! (৯২৭০)এত কিছু করেও মির্জা আব্বাসকে ঠেকাতে পারলেন না মেনন (৯২৪৯)বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন খন্দকার মাহবুব (৮৬১২)বিএনপির আরো চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা (৭৯২০)