২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সুব্রাহ্মমানিয়াম স্বামীর রণহুঙ্কার

সুব্রাহ্মমানিয়াম স্বামী - ছবি : সংগ্রহ

খবরের কাগজ পড়ে জানলাম, বাংলাদেশে জোর করে হিন্দুদের মুসলমান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের একজন এমপি সুব্রাহ্মমানিয়া স্বামী। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশে মুসলমানরা নাকি হিন্দু মন্দির ভেঙে নির্মাণ করছেন মসজিদ। এসব কার্যকলাপ বন্ধ না করলে ভারত বাংলাদেশ দখল করার জন্য সৈন্য পাঠাতে বাধ্য হবে। ভারত বাংলাদেশ দখল করে সেখানে তার শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হবে।

আবার পত্রিকায় একই সাথে খবর পড়লাম, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, সুসময় ও দুঃসময়ে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকবে। ভরতের ঢাকাস্থ হাইকমিশনার আর ভারতে বিজেপি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ এমপির কথার সুর হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন। কার কথাকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে, সেটা নিয়ে দেখা দিচ্ছে রাজনৈতিক সংশয়। এর আগে বাংলাদেশের সব পত্রিকায় খবর বেরিয়েছিল, আসাম প্রদেশে প্রায় চল্লিশ লাখ বাংলাভাষী মুসলমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এদের ফেরত পাঠানো হবে বাংলাদেশে।

ভারত সীমান্তে সর্বত্র রয়েছে বিএসএফের (ভারতের সীমান্তরক্ষী) সশস্ত্র পাহারা। এদের নজর এড়িয়ে কী করে বাংলাদেশ থেকে এত বাংলাভাষী মুসলমান আসামে যেতে পারল, সেটা বোঝা কঠিন। আর এদের যদি এখন বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া হয়, তবে যে ভয়ঙ্কর মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে- সেটা অনুমান করা খুবই সহজসাধ্য। তাই হর্ষবর্ধন শ্রিংলা যখন বলেন, ভারত বাংলাদেশের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবে, তখন তা আমাদের কাছে মনে হয়- প্রলাপ উক্তির মতো। আমরা বুঝতে অপারগ ভারত সত্যিই বাংলাদেশ সম্পর্কে নীতি অনুসরণ করতে চাচ্ছে।

বাংলাদেশে মুসলমানরা হিন্দুদের অত্যাচার করছে এমন নয়। কোনো বিদেশী পত্রপত্রিকায় এ রকম খবর প্রকাশিত হয়নি। কিসের ভিত্তিতে এসব কথা বলা হচ্ছে- আমরা তা জানি না। আর ভারত এই সময়কেই বেছে নিল এসব অভিযোগ ওঠাবার উপযুক্ত সময় হিসেবে। সেটাও তুলছে আমাদের মনে নানা প্রশ্ন। সুব্রাহ্মমানিয়াম স্বামী এসব অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশের একেবারে লাগোয়া রাষ্ট্র ত্রিপুরায় এসে। যে ত্রিপুরাকে বাংলাদেশ দিচ্ছে যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা।

সুব্রাহ্মমানিয়াম স্বামী ত্রিপুরায় এসে কেবল যে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর মুসলমানদের অত্যাচারের কথা বলেছেন তাই নয়, তিনি বর্তমান পাকিস্তান সরকারেরও করেছেন বিশেষ সমালোচনা। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিয়াজী আসলেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিচালক নন। পাকিস্তান পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মাধ্যমে। পাকিস্তানি বালুচরা চাচ্ছে স্বাধীন হতে। স্বাধীন হতে চাচ্ছে সিনধি এবং পাকতুনরা। পাকিস্তান ভেঙে যাবে। ভেঙে যাবে বাংলাদেশের খুব কাছে এসে- তিনি কেন এসব কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করছেন, সেটাও হলো একটা প্রশ্ন। কেননা, বাংলাদেশ এখন কোনোভাবেই নির্ভরশীল নয় পাকিস্তানের ওপর।

বাংলাদেশ কোনো রাষ্ট্রের মাধ্যমে আক্রান্ত হলে সে আত্মশক্তির ওপর নির্ভর করে যুদ্ধ করে যাবে। কিন্তু জাতিসত্তা সমস্যা কেবল যে পাকিস্তানেই আছে তা নয়, ভারতেও তা বিরাটভাবে বিরাজ করছে। কয়েক দিন আগে লন্ডনে ট্রাফালগ্রার স্কয়ারে শিখদের দেখা গেল বিরাট এক সমাবেশ করতে। এই সমাবেশে দাবি উঠল স্বাধীন শিখরাজ্য স্থাপনের। মনে করা যেতে পারে, ভারতের স্বাধীন শিখরাজ্য স্থাপনের আন্দোলন আবার বিশেষ প্রাবল্য পাবে। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ১৯৮৪ সালে কঠোর হস্তে স্বাধীন শিখরাষ্ট্র স্থাপনের আন্দোলনকে দমন করতে পেরেছিলেন, কিন্তু একই বছরে ৩১ আক্টোবর নয়া দিল্লিতে তার সরকারি বাসভবনের আঙিনায় খুন হন দুইজন শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে। যারা ছিলেন আসলেই শিখ স্বাধীন রাষ্ট্র স্থাপনের আন্দোলনের সাথে জড়িত।

শিখ স্বাধীনতা আন্দোলন আবার প্রবল হলে ভারতের জাতীয় ঐক্য যে বিপন্ন হবে সেটা সহজে অনুমেয়। হিন্দুত্ব দিয়ে সেটাকে ধরে রাখা যাবে না। কেননা, শিখরা হিন্দু নয়। ভাষার দিক থেকেও তারা হলেন স্বতন্ত্র। তারা গুরুমুখী অক্ষরে পাঞ্জাবি লেখেন এবং পাঞ্জাবি ভাষাকে নিয়ে গৌরব বোধ করেন। হিন্দু পাঞ্জাবিরা যা করেন না। হিন্দু পাঞ্জাবিরা এখন হিন্দিকে তাদের সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং তা তারা লেখেন নাগরি অক্ষরে। গুরুমুখী অক্ষরে নয়। ব্রিটিশ শাসন আমলে পাঞ্জাব প্রদেশ এখন হয়েছে ত্রিধা বিভক্ত। একভাগ পড়েছে পাকিস্তানে। আর দুই ভাগ পড়েছে ভারতে। শিখ অধ্যুষিত পাঞ্জাবকে ভারতে এখন বলা হয় পাঞ্জাব প্রদেশ। আর হিন্দু পাঞ্জাবি অধ্যুষিত সাবেক পাঞ্জাবের অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছে হরিয়ানা প্রদেশ।

শিখেরা স্বাধীন হলে, তারা হবে বর্তমান পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধু ভাবাপন্ন, শত্রু ভাবাপন্ন নয়। সুব্রাহ্মমানিয়াম স্বামীর পক্ষে যেটা কল্পনা করা হবে যথেষ্ট কঠিন। ভারতে একসময় যে প্রদেশকে বলা হতো মাদ্রাজ, এখন তাকে বলা হচ্ছে তামিলনাড়ু। মাদ্রাজ প্রদেশের নাম তামিলনাড়ু করা হয়েছে ১৯৬৯ সালে। তামিল ভাষায় ‘নাড়ু’ মানে হলো দেশ। তামিলনাড়ু মানে হলো তামিল ভাষীদের দেশ। ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার পর তার ছেলে রাজিব গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন। তবে তিনি নিহত হন (১৯৯১ সালের ২১ মে) তামিলনাড়ুতে। তামিলনাড়ুতে তিনি নিহত হন একজন তামিল নারী ঘাতকের হাতে। যিনি ছিলেন শ্রীলঙ্কার তামিল নেতা প্রভাকরণের অনুসারী। প্রভাকরণ আন্দোলন করছিলেন শ্রীলঙ্কার বসবাসকারী তামিলদের স্বাধীন আবাসভূমি গঠনের।

তামিলরা মনে করছিলেন রাজিব গান্ধী এর পক্ষে নন; তাই তারা সিদ্ধান্ত নেন রাজীব গান্ধীকে হননের। বিজেপির কোনো প্রভাব নেই তামিলদের ওপর। তামিলরা নিকট ভবিষ্যতে ভারতে তামিল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আরম্ভ করতেই পারেন। তামিলরা নিজেদের ভাবেন দ্রাবিড় বংশোদ্ভূত। উত্তর ভারতের হিন্দুদের মতো তারা নিজেদের আর্য বংশের বলে মনে করেন না। আমরা সাধারণত মনে করি, এ উপমহাদেশে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ সৃষ্টি হতে পেরেছে প্রথম বাংলাদেশে, কিন্তু তা নয়। ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের অভিব্যক্তি প্রথম ঘটে ব্রিটিশ আমলের মাদ্রাজ প্রদেশে। ১৯৩৭ সালে তখনকার মাদ্রাজ প্রদেশের আইন পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে কংগ্রেস দল।

কংগ্রেস দল ক্ষমতায় এসে মাদ্রাজের স্কুলগুলোয় হিন্দি ভাষা শিক্ষা করাকে বাধ্যতামূলক করে। সারা মাদ্রাজজুড়ে আরম্ভ হয় এর বিরুদ্ধে আন্দোলন। পুলিশ একটি মিছিলে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়। ফলে দুই ব্যক্তি নিহত হন। এই উপমহাদেশে ভাষা নিয়ে গোলযোগের ক্ষেত্রে এই দুইজনকে বলা চলে ভাষাশহীদ। ১৯৪০ সালে কংগ্রেস প্রাদেশিক মন্ত্রিপরিষদগুলো (আটটি প্রদেশে তারা ক্ষমতায় ছিল) থেকে কংগ্রেস সদস্যরা পদত্যাগ করেন। কারণ ব্রিটিশ সরকারের সাথে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে সহায়তা করতে তারা অপারগ হন।

মাদ্রাজ প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা থেকে কংগ্রেস সদস্যরা পদত্যাগ করার পর, মাদ্রাজ প্রদেশের গভর্নর লর্ড এরেস্কিন ১৯৪০ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ওই প্রদেশে স্কুলগুলো থেকে বাধ্যতামূলক হিন্দি শিক্ষার হুকুম বাতিল করেন। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৬৫ সালে হিন্দিকে ভারতের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করা হয়; কিন্তু তামিলভাষীদের বিদ্রোহের কারণে এটা করা যায় না। মাদ্রাজ প্রদেশে পুলিশ বিদ্রোহী জনতার ওপর গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে নিহত হন ৬০ জন। প্রধানত, তামিলদের বিদ্রোহের কারণেই ভারতে হিন্দিকে একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা করা যায়নি। তামিলনাড়ুতে সরকারি কাজকর্ম চলে তামিল ও ইংরেজি ভাষায়, হিন্দি ভাষায় নয়। তামিলরা আর্য হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাস করেন না। গোব্রাহ্মণে তাদের ভক্তি নেই। রামায়ণ-মহাভারত তাদের কাছে পবিত্র গ্রন্থ নয়। তাই সুব্রাহ্মমানিয়ামের ডাকে তামিল সৈন্যরা বাংলাদেশের ওপর এসে ঝাঁপিয়ে পড়বে এমন নয়। প্রসঙ্গত, উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পলাশীর যুদ্ধে ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিল তিন হাজার। এর মধ্যে ৮০০ জন ছিলেন ইউরোপীয় এবং ২ হাজার ২০০ জন ছিলেন ভারতবর্ষীয়। দেশীয় সিপাহিদের মধ্যে ৫০০ ছিলেন তামিল।

এ যুদ্ধে নবাবের সৈন্য মারা যান ৫০০। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্য মারা যান ২৪ ও আহত হন ৪০ জন। আমরা মনে করি, কেবল মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সিরাজউদ্দৌলা যুদ্ধে হেরেছিলেন; কিন্তু যুদ্ধের জয়-পরাজয় নির্ভর করেছিল রণকৌশলের ওপরেও। আর্থার ওয়েলেসলি মারাঠাদের সাথে যুদ্ধ করে জেতেন। তিনি পরে ইউরোপে যেয়ে ওয়াটার লু’র যুদ্ধে নেপোলিয়ানকে পরাজিত করেন। তিনি খ্যাত হন ডিউক অব ওয়েলিংটন হিসেবে। ইংরেজরা যদি ইউরোপে নেপোলিয়ানকে হারাতে না পারত, তবে এই উপমহাদেশে ফরাসিদের ঠেকাতে পারার মতো কোনো শক্তি ছিল না। আমরা হয়তো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে না গিয়ে ফরাসি বাণিজ্য কোম্পানিরই রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে যেতাম। আমাদের ইতিহাস কেবল আমাদের দেশের ঘটনা দিয়েই যে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে, তা নয়। তা জড়িত হয়ে পড়েছে ইউরোপের ইতিহাসেরও সঙ্গে।

সুব্রাহ্মমানিয়াম স্বামী বাংলাদেশকে যুদ্ধের ভয় দেখাচ্ছেন। কিন্তু যুদ্ধ বাধলে তা কেবল যে বাংলাদেশের সীমানার মধ্যেই থাকবে তা বলা যায় না। বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত বাংলাদেশ দখল করতে চাইলে চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুপ করে থাকতে চাইবে না। ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল সমরাস্ত্র কিনছে। সমরাস্ত্র নির্মাণে ভারত এখনো স্বাবলম্বী হতে পারেনি। কিন্তু চীন পেরেছে। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনো সমরাস্ত্র নির্মাণে হয়ে আছে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী দেশ। তারা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে এখনো পাঠাতে সক্ষম বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ-রসদ আকাশপথে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই। ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হিমালয় ফ্রন্টে ভারত-চীন যুদ্ধ হয়েছিল। এই যুদ্ধে চীনের কাছে ভারত পরাজিত হয়েছিল শোচনীয়ভাবে। ১৯৬২ সালের তুলনায় ভারত এখন সামরিক দিক থেকে পরিণত হয়েছে অনেক শক্তিশালী দেশ হিসেবে। কিন্তু তবুও সে সামরিক দিক থেকে চীনের সমক্ষক হতে পারেনি। হাসিনা সরকার ভারতের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও চীনের কাছ থেকে খুব স্বল্পমূল্যে দু’টি সাবমেরিন কিনেছে।

প্রয়োজনে চীন বাংলাদেশকে স্বল্পমূল্যে আরো অস্ত্র সরবরাহ করতে পারবে। ভারতের পক্ষে যা আদৌ করা সম্ভব নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের স্ট্যাটাস অব ফোর্স এগ্রিমেন্ট হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশ ইচ্ছা করলেই সেটা করতে পারবে। ১৯৭১ সালের অবস্থা আর আজকের অবস্থা এক নয়। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের বহু মানুষ ভারতীয় বাহিনীকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষের মন-মানসিকতা আর সে রকম নয়। ব্রিগেডিয়ার আর এন মিশ্র, যিনি ভারতীয় সৈন্য নিয়ে প্রথম ঢাকায় প্রবেশ করেন; তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভারতের যুদ্ধ জয় অনেক সহজ হতে পেরেছে বাংলাদেশের মানুষের সহযোগিতার কারণে। যেমন : গ্রামের মানুষ আমাদের সৈন্যকে নদী পার হতে সাহায্য করেছে ডিঙি নৌকা দিয়ে। সাহায্য করেছে বিল অঞ্চল পেরোতে। সংবাদ সরবরাহ করেছে শত্রুসৈন্যের অবস্থান সম্পর্কে। কোথায় তারা স্থল মাইন পেতে রেখেছে সে সম্বন্ধে। যার ফলে জীবনরক্ষা হয়েছে বহু ভারতীয় সৈন্যের। ভারতীয় সৈন্য এখন বাংলাদেশে এলে ব্রিগেডিয়ার মিশ্র যে ধরনের সাহায্য-সহযোগিতার কথা তার সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন তা যে পাবে না, সেটা সহজেই অনুমান করা চলে।
লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme