১৬ অক্টোবর ২০১৮

ইসরাইলের পরমাণু বোমার কী হবে?

ইসরাইলের পরমাণু বোমার কী হবে? - ছবি : সংগৃহীত

২০১৫ সালে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য ও জার্মানির সাথে ইরানের সম্পাদিত, পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির হাওয়া বইছে মর্মে জাতিসঙ্ঘ হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থেই এই চুক্তি করা হয়েছে। এতে ইরানের পরমাণু বোমা বানানোর ইচ্ছাকে লাগাম দেয়া হয়েছে।’ ট্রাম্প চুক্তি থেকে সরে এসেছেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রতীয়মান হয়- ট্রাম্প প্রশাসন ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশ্ব জনমতকে উপেক্ষা করে, মিত্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে উপেক্ষা করে ট্রাম্প এককভাবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইসরাইল চুক্তির পর বিরোধিতা করে বলেছিল, এটা ‘ইরানের শয়তানির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নতজানু’ হওয়া। সত্য এই যে, ইসরাইলের কাছে পরমাণু বোমা রয়েছে; কিন্তু ইরানের কাছে কোনো পরমাণু বোমা নেই।

৫০ বছর ধরে ইসরাইল নিজের দিমোনা প্ল্যান্টে পরমাণু বোমা বানিয়ে আসছে। এতে মূল সহায়তা করেছে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল একমাত্র পরমাণু শক্তিধর দেশ। ইসরাইলে আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা কোনো পরিদর্শন করে না। কারণ ইসরাইল এনপিটি, নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফেরেশন ট্রিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ নয়, অথচ ইরান ৫০ বছর আগেই ওই চুক্তিতে সই করেছে।

ইসরাইলের দিমোনা পরমাণুকেন্দ্রে কাজ করেছেন এমন একজন হলেন, গড়ৎফবপযধর ঠধহঁহঁ যার তথ্য সানডে টাইমস পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় ১৯৮৬ সালের ৫ অক্টোবর সংখ্যায়। তিনি একজন নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞ। তাকে কুখ্যাত মোসাদ এজেন্টরা রোম থেকে অপহরণ করে ইসরাইলে নিয়ে যায়। তাকে ১৮ বছর ইসরাইলে বন্দিদশায় দিন কাটাতে হয়েছে। ২০০৪ সালে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয়।

ইসরাইলে নেগেভের মরুতে লুক্কায়িত আছে দিমোনা কেন্দ্র। আজ থেকে ২০ বছর আগেই পুরোদমে বোমা বানিয়েছে ইসরাইল; বিভিন্ন মডেলের বিভিন্ন ক্ষমতার। ইসরাইল আরো অগ্রসর হয়ে থার্মো-নিউক্লিয়ার অস্ত্র উৎপাদন করছে যা ব্যবহার করে কোনো শহর পুরো নিশ্চিহ্ন করে দেয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা হিসাব করে বলছেন, এখন ইসরাইলের হাতে ১০০-৪০০ পরমাণু বোমা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন প্রজন্মের মিনি পরমাণু বোমা এবং নিউট্রন বোমাও। ইসরাইল নিয়মিত প্লুটোনিয়াম ও ট্রাইটিয়াম উৎপাদন করছে যা দিয়ে আরো শত শত পরমাণু বোমা তৈরি করা যায়। সাবেক সেক্রেটারি অব স্টেট আমেরিকার কলিন পাওয়েল বলেছিলেন, ‘তেহরানের ছেলেরা জানে, ইসরাইলের ২০০ পরমাণু অস্ত্র তেহরানের দিকে তাক করা আছে, আর আমাদের আছে হাজারো।’
যুদ্ধ বাধলে ব্যালেস্টিক মিসাইলের মাধ্যমে ইসরাইল প্রাথমিকভাবে তার পরমাণু ওয়ারহেড নিক্ষেপ করবে। আমেরিকার সরবারহকৃত জেরিকো ৩, এফ-১৫ ও এফ-১৬ ফাইটার বোম্বার নিখুঁতভাবে মিসাইল ছুড়ে আঘাত করতে সক্ষম। এর সাথে যোগ হয়েছে এফ-৩৫, যা সক্ষমতা এবং নিখুঁতভাবে বোমা বর্ষণে এখন পর্যন্ত বিশ্বসেরা।

পরমাণু সংস্থা, আইএইএ বিভিন্ন সময় ইরানে অনুসন্ধান চালিয়ে ঘোষণা দিয়েছে ইরানের কোনো পরমাণু বোমা নেই। তা ছাড়া ইরান ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা পরমাণু বোমা তৈরি করবে না। তবুও পাশ্চাত্য ইরানকে চেপে ধরেছে যেন কোনোভাবে পরমাণু বোমা তৈরি করতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় মিত্ররা ইরানের সাথে চুক্তি করলেও তাদের অবস্থান ইসরাইলের সারিতে। জার্মানি ইসরাইলকে এর মধ্যে ছয়টি ডলফিন সাবমেরিন দিয়েছে এবং এগুলোকে এভাবে উন্নীত করেছে যাতে এগুলো থেকে পারমাণবিক ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করা যায়। ২০১৭ সালে ব্লু ফ্ল্যাগ মহড়ায় আমেরিকার সাথে জার্মানি ফ্রান্স, ইতালি, গ্রিস ও পোলান্ড অংশগ্রহণ করে। ইসরাইলের ইতিহাসে এটি বড় মহড়া। ইতালির সাথে ইসরাইলের সামরিক চুক্তি আছে। ফলে ইতালি পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম আমেরিকার বি-৬১ বোমারু বিমান জরুরি প্রয়োজনে প্রেরণ করবে। অচিরেই বি-৬২ বিমান দিয়ে আগের বিমানগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে মর্মে ডিফেন্স ম্যাগাজিন খবর দিয়েছে।

আমেরিকা ও ইসরাইলের কয়েক দফা মহড়ার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, জুনিপার কোবরা ফাইটারগুলো ইতালির ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলের সহায়তা করে অংশ নেবে। সিদ্ধান্ত নেয়া হলে মুহূর্তেই তা কার্যকর হবে। এগুলোর প্রাথমিক কাজ হলো, ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে আঘাত করে নিরাপদে ফিরে আসা। বলা যায়, অনেকটা ১৯৮১ সালে ইরাকের ওসিরাক পরমাণু যেভাবে ধূলিসাৎ করে দেয়া হয়েছিল চুল্লি, সেরকম আক্রমণ। ইরান এগুলোতে আঘাত করলে, ইসরাইল পরমাণু হামলা চালাবে। পরিণাম কী হবে তা বলা যাচ্ছে না।
আরো মারাত্মক হলো, ইসরাইলি নিউক্লিয়ার ফোর্স ডিভিশন ন্যাটোর ইলেকট্রনিক সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত। ইসরাইল ন্যাটোর কোনো সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ব্রাসেলসে ন্যাটো প্রধান কার্যালয়ে স্থায়ী মিশনের মর্যাদা লাভ করেছে। অবস্থা দেখে মনে হয়, সম্ভাব্য কোনো যুদ্ধে ন্যাটো জোটও ইসরাইলের পক্ষে নামবে।

বিশ্ব ধ্বংস করার অস্ত্র কোনটি? অনেকেই বলেন, পরমাণু বোমা। ইরান যেন এ অস্ত্র না বানাতে পারে সেজন্য ইসরাইল ও আমেরিকার ক্লান্তি-শ্রান্তি নেই। অথচ ইসরাইলের অন্তত ২০০ পরমাণু ওয়ারহেড ইরানের দিকে তাক করা আছে। এসবই যদি সঠিকভাবে ইরানের মাটিতে আঘাত হানে, পুরো ইরান ঘন ধোঁয়া, কালো মেঘ, আগুন ও পোড়া মানুষজনের গন্ধে ভরে যাবে। বেঁচে থাকার মতো কোনো পরিবেশ থাকবে না। কোনো কিছুর অস্তিত্ব থাকবে না। কোনো মানুষের জন্য এ অঞ্চল বসবাসের যোগ্য থাকবে না। সুপেয় পানি থাকবে না, ফলবে না কোনো ফল-ফসল। ইরানকে এমনভাবে একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ইসরাইল।

স্যামসন অপশন থিওরিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলের অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হলে পরমাণু হামলা চালাবে, সেটি যে দেশ হোক না কেন। কিন্তু এই দেশ সবসময়ই সত্যকে অস্বীকার করে বলে আসছে, তার কাছে কোনো পরমাণু বোমা নেই। ১৯৭৩ এর ইয়ুম কিপ্পুর (ইহুদিদের প্রায়শ্চিত্তের দিন) আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আরবরা ইসরাইলিদের কোণঠাসা করেছিল। যেকোনো সময় ইসরাইলের পতন হবে, তখন এমন অবস্থা বিরাজ করছিল। তখনকার প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মায়ার ১৩টি পরমাণু বোমা প্রস্তুত করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেগুলো মিসাইল বা বোম্বার যুদ্ধবিমানে করে হামলা করার কথা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সন ইসরাইলি অনুমোদন দিয়েছিলেন। গোল্ডা মায়ার ইসরাইলের মহিলা প্রধানমন্ত্রী বলতেন, ‘আরবরা অসভ্য।’ ভিডিওগুলো তিনি আরব নেতাদের এমন করে দেখেছেন যেন কোনো শ্রমিককে দেখছেন এবং তার সাথে কথা বলছেন। পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক সীমুর হার্শ বলেছেন, এখন যদি মধ্যপ্রাচ্যে আবার কোনো যুদ্ধ শুরু হয়, মিসর ও সিরিয়া যদি আক্রমণ চালায়, যদি কোনো দেশ মিসাইল ছুড়ে, তবে যেকোনো সময় পরমাণু হামলা চালাবে ইসরাইল। সমালোচকরা বলছেন, আসলে হার্শ ইসরাইলের সমর্থক। তিনি লেখার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে সতর্ক করছেন ইসরাইল সম্পর্কে নতুনভাবে চিন্তা ভাবনা করার জন্য।

২০১১ সালের নভেম্বরে ইসরাইল উন্নতমানের মিসাইল পরীক্ষা চালায়। এটি এমন ধরনের মিসাইল যা দিয়ে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো স্থানে পরমাণু হামলা করা যায়। আর ইরান যখন সম্প্রতি মিসাইল পরীক্ষা করল, তখন ট্রাম্প প্রশাসন পরমাণু চুক্তি থেকে সরে এল। এসব মিসাইল ১০ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। ইরানকে ছাড়িয়ে আরো দূরে আঘাত করার ক্ষমতাসম্পন্ন এগুলো; যেমন- রাশিয়া, চীন ও ইউরোপের কিছু অংশ। সাধারণ লোকরাও এখন জানে, ইসরাইলের ২০০ থেকে ৩০০ পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে। এগুলোর ব্যাপারে ইসরাইল মুখ খুলছে না।

সীমুর হার্শ তার বই ‘দি স্যামসন অপশন’ (১৯৯১) বলেন, বহুলালোচিত ইসরাইলি সমর নেতা মোশে দায়ান ১৯৬৮ সালের শুরুতে নিউক্লিয়ার কার্যক্রম শুরু করে ছিলেন। তখন থেকে ইসরাইল প্রতি বছর তিন থেকে পাঁচটি পরমাণু বোমা বানাচ্ছে। দিমোনায় ১৯৫০ সালেই এ কাজ শুরু করা হয়। এ বক্তব্য সঠিক হলে ইসরাইলের কাছে কমপক্ষে ২০০টি পরমাণু বোমা রয়েছে। ফ্রান্সের সাথে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক যন্ত্রপাতি ও ডিজাইন ফ্রান্স দিয়েছে। ১৯৬২ সালে ইসরাইলে ভূগর্ভে ফ্রান্স প্লুটোনিয়াম প্রসেসিং প্ল্যান্ট বানানো শুরু করে, যা ১৯৬৫ সালে শেষ হয়। ১৯৭৩ সালে ইসরাইল লিবিয়ার যাত্রীবাহী প্লেন ভূপাতিত করে। বিমানের ১০৪ জন যাত্রীর সবাই মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার পর ইসরাইল পরমাণু বোমার দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়। পরমাণু বোমা বানানোর অন্যান্য উপকরণ- মূলত ওয়েপন গ্রেড ইউরেনিয়াম ও হেভি ওয়াটার-নরওয়ে, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশটি পেয়ে থাকে।

একটি জার্মান জাহাজ ২০০ টন ইউরেনিয়াম অক্সাইডসহ গায়েব হয়ে যায়। পরে দেখা গেল, তুরস্কের এক বন্দরে সেটা ভিড়েছে। পরে তা সেখান থেকেও উধাও। ততক্ষণে ইউরেনিয়াম অক্সাইড ইসরাইলি জাহাজে চালান হয়ে গেছে। মোসাদ ও লাকাম (ইসরাইলের ডিফেন্স মিনিস্ট্রির একটি সংস্থা, সায়েন্স লিয়াজোঁ ব্যুরো, যারা বিশ্বের সুবিধাজনক স্থান থেকে যেকোনো টেকনোলজি চুরি করে) এ কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেছিল।

ভানুনু যিনি ইসরাইলে সামরিক স্থাপনায় কাজ করতেন, তিনি ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন ছিলেন, তিনি ১৯৮৬ সালে দিমোনা পরমাণুকেন্দ্রের ডজন খানেক ছবি ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হাতিয়ে নিয়ে লন্ডনে বিখ্যাত পত্রিকা সানডে টাইমসের হাতে দেন। এসব ছবি ও ডকুমেন্ট প্রমাণ করে যে, ইসরাইলের হাতে পরমাণু বোমা রয়েছে অনেক। ভানুনুকে ইসরাইলি গোয়েন্দারা গ্রেফতার করে এবং তাকে ১৮ বছরের জেল খাটতে হয়। এরমধ্যে ১১ বছর তাকে নিঃসঙ্গ অন্ধকারে কাটাতে হলো। ১৯৬৮ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মায়ারের মধ্যে এই চুক্তি হয় যে, যতক্ষণ ইসরাইল ঘোষণা দেবে না বা পরমাণু বোমার বিস্ফোরণ ঘটাবে না, ততক্ষণ আমেরিকা বিষয়টি গোপন রাখবে। এ বিষয়ে ইসরাইলও মুখ খুলবে না। কিন্তু ২০০৬ সালে আমেরিকার তৎকালীন ডিফেন্স সেক্রেটারি রবার্ট গেটস বিষয়টি সিনেট কমিটিতে ফাঁস করে দেন।

অতি সম্প্রতি আলজাজিরায় প্রচারিত এক অনুষ্ঠান সঞ্চালক মেহেদি হাসান ড্যানি আয়ালোনকে প্রশ্ন করেন- ইরানের কোনো পরমাণু বোমা আছে কি না। তিনি বলেন, ‘না নেই’। ইসরাইলের আছে কি না প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘জানি না।’। আয়ালোন দুই দশক ধরে ইসরাইলের তিনজন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তারা হলেন, কুখ্যাত অ্যারিয়েল শ্যারন, এহুদ বারাক ও কট্টরপন্থী বর্তমান নেতানিয়াহু। অথচ তিনি ইসরাইলের পরমাণু বোমার বিষয়ে বলেছেন ‘জানি না’। তিনি সত্য লুকাচ্ছেন।

ইসরাইল এভাবে বৃহৎ শক্তির সহায়তায় পরমাণু শক্তিধর একটি দেশে পরিণত হলো অনেক আগে। অথচ আরব বিশ্ব ও মুসলিম বিশ্ব তিন দশক ধরে কোনো প্রতিবাদ করে কিংবা কোনো বিশ্ব ফোরামে আপত্তি তুলতে পারেনি। শুধু ইরান এর ব্যতিক্রম। ইসরাইলি পরমাণু বোমার টার্গেট হবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। আজো কেন তাদের কোনো সমন্বিত কার্যক্রম নেই, তা বিস্ময়কর ও উদ্বেগজনক।
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব, বাংলাদেশ সরকার ও গ্রন্থকার


আরো সংবাদ