১৯ নভেম্বর ২০১৮

উত্তপ্ত বিশ্ব

উত্তপ্ত বিশ্ব -

বিশ্ব এখন সব অবস্থানেই উত্তপ্ত, তবে কখনো সরব আবার কখনোবা প্রচ্ছন্ন। এর ভৌগোলিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, এমনকি আত্মিক অবস্থানের কোথাও নিরবচ্ছিন্ন শান্তি নেই।

কেন নেই, তার জবাব অবশ্য বিস্তৃত এবং ব্যাপক। আর বহুমাত্রিকও বটে। তবে আজকের আলোচনায় ভৌগোলিক অবস্থানের বিপর্যয়ের প্রাধান্য পাবে। তার প্রধান কারণ, ভৌগোলিক অস্তিত্ব অপর সব অবস্থানের নিশ্চয়তা দেয়। এখন এই ভৌগোলিক অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে এবং এর প্রতিরোধ না হলে, মানববিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী ও অপ্রতিরোধ্য হবে।

এটা সত্য, ভৌগোলিক বিপর্যয় এক দিনে ঘটেনি। বিন্দু বিন্দু পানি নিয়ে যেমন সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় এই বিপর্যয়গুলো জন্ম নিয়ে ঘনিয়ে আসছে।

তবে এই বিপর্যয়ের মূল শক্তি মানুষ নিজেই। তার বেশির ভাগ কর্মকাণ্ড বর্তমানকে নিয়ে। তারা ভবিষ্যৎ বা অতীত নিয়ে ভাবতে ভালো বাসে না। বর্তমানের লাভটা তার কাছে সব পাওয়ার ঊর্ধ্বে মনে হয়। তবে প্রতিটি অবস্থানের যেমন ব্যতিক্রম থাকে, যা বেশির ভাগ সময় রাস টেনে ধরে অনিবার্য পতন রোধ করে, তেমনি পৃথিবীও ভাগ্যবান। নানা ঘটনা এবং মানুষ নিজেও এমন চেষ্টা করে থাকে। বহু বিপর্যয় থেকে মানুষ, জাতি এবং রাষ্ট্রকে রক্ষা করেছে। এখন আবার তেমনি অবস্থায় এসে পড়েছে। অবশ্য মনে রাখতে হবে, ইতিহাসের কোনো ঘটনাই একই অবয়বে পুনরাবৃত্তি হয় না।

তবে যে জাতি তার অতীতকে মনে রাখে না বা স্মরণ করে না, সে জাতির ভাগ্যে তার পুরনো ইতিহাস ফিরে আসে, তবে কখনো কখনো ভয়ঙ্কর এবং বিকৃতভাবে। বিজ্ঞজনেরা এ মন্তব্য করে আরো সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন ক্ষমতাবান এবং ক্ষমতাপ্রয়াসীদের জন্য ইতিহাসের ঘটনাবলি উদ্ধৃত করে। বিজ্ঞজনেরা দেখিয়েছেন, যারা ক্ষমতা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দখল করে অথবা জবরদখল করে, তাদের কখনোই জনগণ ক্ষমতা পাদপীঠ থেকে সরাতে পারে না। অথচ এরা সবাই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্মমভাবে। এদের সরিয়েছে তাদের কাছের লোকেরা। ক্ষমতা-উন্মত্তরা কখনোই জনগণের ইচ্ছাকে মূল্য দিতে চায় না।

যেহেতু সময় এগিয়েছে, তাই ক্ষমতালিপ্সু এবং ক্ষমতাসীনদের দেখাতে হয়, তারা জগণের ইচ্ছার প্রতিফলনের জন্য গণতন্ত্রের চর্চা করে। তা কি সত্য? রাজনীতিবিদ এবং রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্টরা কি এখন সত্যই গণতন্ত্রের চর্চা করেন? ম্যাবিল্যান্ড ও উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক এবং বহু গ্রন্থপ্রণেতা অ্যানড্রু লেভিন এর চমৎকার জবাব দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, (তার বই- ইন ব্যাড ফেইথ) ‘গণতন্ত্রের অর্থ হলো জনগণের শাসন (কারণ ডেমোক্র্যাসির ডেমস অংশটির অর্থ জনগণ)। এরা সমাজের সম্ভ্রান্ত বলে পরিচিতদের থেকে পৃথক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যত্র ‘ডেমোক্র্যাসির এই জনসম্পৃক্ততা অনেক আগেই হারিয়ে গেছে। আত্মপ্রচারিত গণতান্ত্রিক দেশ বলে পরিচিত দেশগুলোতে জনগণের শাসন বলে প্রচার বা দাবি করা হলেও, এটা শুধু তত্ত¡। গণতন্ত্র হারিয়ে গেছে।’ লেভিন আরেকটি সত্য তুলে ধরেছেন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সব গণতান্ত্রিক দেশ বলে দাবিদারেরা দাবি করে। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন ইত্যাদি হয়।

সে হিসেবে গণতান্ত্রিক। কিন্তু এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মানুষেরা জনগণের কত অংশ এবং নির্বাচনগুলো কি কখন নিরপেক্ষ হতে পারে? সর্বত্র রাজনৈতিক এলিটরা (সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা) এটা নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে ভালো মানুষেরা, জনগণের সত্যিকারের বন্ধুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কর্মকাণ্ডে জড়াতে চায় না।’  

লেভিনের আরেকটি তথ্য সর্বজনবিদিত। যদিও তিনি এই তথ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিত্র এঁকেছেন। তিনি সেই সাথে বলেছেন, বিশ্বের সব দেশই এমনটিতে অন্তর্ভুক্ত। তথ্যটি হলো ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার (কখনো কৌশলে বা কখনো প্রকাশ্যে) দেশের বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। বিশেষ করে যে দল ক্ষমতায় থাকে, সে এটা করতে পারে। রিপাবলিকানরা ক্ষমতায় থাকলে বিচারক নিযুক্ত হন তাদের দলের আইনজ্ঞদের দ্বারা।

যেহেতু একজন বিচারক সারা জীবনের জন্য নিযুক্ত হন, তিনি ক্ষমতায় বদল হলেও, তার দলের জন্য কাজ করতে পারেন। ফলে বিচার কখনোই নিরপেক্ষ হতে পারে না।’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা এমনটি হলে, তৃতীয় বিশ্বের অবস্থা শুধু কল্পনাই করা যায়। এর প্রতিরোধ কখনোই জনগণের দ্বারা সম্ভব নয়। কারণ সে কর্মকাণ্ড করার ক্ষমতা এবং অন্যান্য বিষয় সবই ক্ষমতাসীনদের হাতে।

অধ্যাপক লেভিনের আরেকটি মন্তব্যও সর্বজনবিদিত। তা হলো- আইন নির্মাণ। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বের সর্বত্রই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা (যারা বেশির ভাগ সময় সমাজের এলিট) আইনসভায় আইন নির্মাণ করেন। কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই এই আইনগুলো প্রথমে শাসকদের এবং তার পরে এলিটদের স্বার্থেই হয়ে থাকে। ফলে জনগণ যেখানে ছিল, সেখানেই থাকে।’

নেভিন বিশ্বসরকারগুলো সম্পর্কে আরেকটি মন্তব্যে তিনটি শব্দ ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেছেন, এরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ‘চিন্তাহীন (থটলেসনেস), বেপরোয়া (রেকলেসনেস) এবং অযোগ্য (ইনকমপিটেন্স)’। তিনি বলেন, এখন এর প্রকাশ ও ব্যবহার হচ্ছে সর্বোচ্চ। এগুলো ক্রমাগত ব্যবহার করে, এই ক্ষমতাসীনেরা মানুষকে বিশেষ করে সাধারণ মানুষকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছেন যে, জীবনটা এমনভাবেই চলে। সেখানে সাধারণ মানুষের অবস্থা এলিটদের নির্দেশ অনুসারে চলে এবং তাদের অধিকার সীমিত।

অবশ্য এগুলোর সাথে ভৌগোলিক অবস্থান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রকাশ পেয়েছে বারবার। বিশ্বের সব সঙ্ঘাত, যুদ্ধ ও সংঘর্ষের পেছনে থাকে এই ভৌগোলিক অবস্থান। দখল, নিয়ন্ত্রণ এবং তার ভোগের মূল ভিত্তিই হলো এটা।

বিখ্যাত নিউ সাইনটিস্ট এবং আর্কটিক নিউজ পত্রিকাগুলো বিশ্বের আবহাওয়ার বর্তমান অবস্থায় এক ভয়াবহ প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে বলেছে, বাস্তবতা ক্রমেই না ফেরার অবস্থার দিকে যাচ্ছে। এক দিকে শিল্পোন্নত দেশগুলো বলছে আবহাওয়া নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি হচ্ছে। এটা বলার প্রধান কারণ, বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা বলছেন, বিপর্যয়মুখী আবহাওয়ায় জন্য প্রধানত দায়ী শিল্পায়ন এবং উন্নত দেশগুলো যারা এর ওপর ভর করে শক্তিশালী ও ধনী হয়েছে। তাই তারা মানুষকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে আবহাওয়ার বিপর্যয়ের মূলে শিল্পায়ন নয়। বরং শিল্পের অগ্রগতির সাথে জনগণের সুন্দর জীবন আরো অগ্রসর হবে।

তবে এর বিপরীতেও তথ্য-প্রমাণসহ বক্তব্য এসেছে। সেখানে সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে কিঞ্চিত। আর এ দিকে বিশ্ব জ্বলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি ব্রিটেনের খবরের কাগজগুলোর খবরের অন্যতম শিরোনাম হলো, বিশ্ব জ্বলছে (দি ওয়ার্ল্ড অন ফায়ার)। তারা লিখেছে, দু’টি কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়ছে।

একটি হলো সমগ্র ইউরোপে, আফ্রিকা ও এশিয়ায় জঙ্গল, ঘরবাড়ি ও শিল্পে আগুনের কারণে বিশাল তাপমাত্রার উদ্ভব। এই তাপ বিশ্ব আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে। অন্য দিকে বিশাল মানবগোষ্ঠী নিঃশ্বাসসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ড দিয়ে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। এভাবে বিশ্বে তাপমাত্রা বেড়ে চলেছে। নাসার হিসাব অনুসারে অন্য দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একাই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‘গ্রিনহাউস গ্যাস’ উৎপাদন করে থাকে।

ব্রিটিশ ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকা ২ জুলাই এক নিবন্ধে উলেখ করেছে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে ‘পুনরাবৃত্তি শক্তি’ (রিনিউয়েবল এনার্জি) ব্যবহার করতে হবে। চীন এ দিক দিয়ে সবার আগে। এ পরিকল্পনায় দেশটি গত বছর ১৫০ লাখ কোটি ডলারের ব্যবস্থা করেছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউর বরাদ্দের চেয়ে অনেক বেশি। যদিও এরা আজ বিশ্বের উত্তপ্ত হওয়ার জন্য প্রধানত দায়ী।
এই উত্তপ্ত আবহাওয়ার কারণে মানুষ মরছে, অসুস্থ হচ্ছে এবং বিজ্ঞানীরা সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, জীবনধারণ প্রণালীর পরিবর্তন না হলে এর তীব্রতা কমবে না।

ফলে আগামী দিনগুলো হবে আরো অসহনীয় এবং পরিশেষে বিশ্ব মহাদুর্যোগে পতিত হবে। উষ্ণতার তথ্যগুলো অবিশ্বাস্য দাবি করেছেন অনেকেই। অথচ এগুলো বাস্তব এবং প্রতিদিন বিজ্ঞানী এবং বিভিন্ন সংস্থাগুলো পরিমাপ করছে। যেমন উন্নত জাপানেই এই ‘হিট স্ট্রোকে’ মারা গেছে ৮০ জন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩০ হাজার এবং এ সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। বাংলাদেশসহ এই উষ্ণবলয়ের গরিব দেশগুলোর কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও, অবস্থার ভয়াবহতা শুধু কল্পনা করা যায়। আফ্রিকার ওয়ারাগলায় তাপমাত্রা ওঠে ১২৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট। উত্তর মেরুর সবচেয়ে কাছের আবহাওয়া কেন্দ্র গ্রিনল্যান্ডের কেপ মরিস জেছাপ বলেছে, ‘এখন এখানের (গ্রিনল্যান্ডের) তাপমাত্রা কখনো কখনো লন্ডন এবং জুরিখের চেয়ে বেশি। এ দু’টি শহর উত্তর মেরু থেকে হাজার মাইল দক্ষিনে। যেমন এ শীতে উত্তর মেরুর উত্তাপ ছিল ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অবশ্য এই উত্তাপ মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। তবে এমন বৃদ্ধি এই প্রথম। ফলে উত্তর মেরুর বরফের দ্রুত কমে যাচ্ছে, যা বিশ্ব আবহাওয়ার জন্য শঙ্কার কারণ।

২০১৪ সালে প্যারিস সম্মেলনে স্থির হয় বিশ্বের তাপমাত্রা ১.৫ সেন্টিগ্রেড বাড়লে তা সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করবে এবং তাকে বিপর্যয়ের প্রথম ধাপ বলে মনে করা হবে। আর্কটিক নিউজ জানাচ্ছে, এ বছর এ মাত্রা পেরিয়ে গেছে। বিশ্বের তাপমাত্রা ২০ সেন্টিগ্রেড বেড়েছে।

বিশ্বের ওপরে কত কার্বন ডাই-অক্সাইড ভর করে আছে? এগুলো জমেছে মানুষের নিঃশ্বাস এবং অন্যান্য এই Co2 উৎপাদনকারী কর্মকাণ্ডের ফলে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পরিমাণ কল্পনার বাইরে। উত্তর মেরুতে অবস্থিত এলাকাকে বলা হয় পারমাফ্রস্ট। সেখানে প্রায় ৯০০ গিগাটন কার্বন জমা আছে। এরপর আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন নিম্ন ভূমি, যাকে পিটল্যান্ড বলা হয়, সেখানে জমা আছে ৫০০ গিগাটন। এ ছাড়া আছে ১০ হাজার গিগাটন মিথেন হাইড্রেট (এক গিগাটন সমান এক লাখ কোটি মেট্রিক টন যা প্রায় ১০ কোটি হাতির ওজনের সমান)। আবহাওয়া উত্তপ্ত হলে এসব জায়গা থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে শুরু করবে। এর মধ্যেই সীমিত আকারে শুরু হয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা বলছেন।

এক হিসাবে দেখা গেছে, এই গ্রীষ্মে আমেরিকা-আফ্রিকা-এশিয়া-ইউরোপে অবিশ্বাস্য অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। কানাডাসহ শীতপ্রধান দেশগুলোতে ‘হিট স্ট্রোকে’ মানুষ মারা যাচ্ছে। লেখক কেন অরফান ‘লুকস লাইক অ্যাট দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন এই ভয়াবহ অবস্থার প্রধান উদগাতা-ইউরোপ এবং আমেরিকার মানুষের ও সরকারের মাঝে কোনো উৎকণ্ঠা বা উদ্বিগ্নের চিহ্ন লক্ষ্য করা যায় না। এদিকে খরা-বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি সৃষ্টি হচ্ছে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে। গার্ডিয়ান পত্রিকায় বলা হয়েছে ‘মহা দুর্যোগ’ (অ্যাপোক্যালিপস) দ্রুত এগিয়ে আসছে।

বিশ্বমন্দা, দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি পাওয়া যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্ট হচ্ছে ফ্যাসিজম এবং যুদ্ধ।

বরার্ট হুনজিকার তার ‘বার্নিং প্লানেটে’ লিখেছেন, ‘সময় দ্রুত গড়িয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশগুলোকে এখই জীবনপ্রণালী পরিবর্তন করতে হবে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড উদগিরণ বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে, যদি মানবকুল এবং বিশ্বকে বাঁচাতে চাও।’ 


আরো সংবাদ