১৫ নভেম্বর ২০১৮

দমন, পীড়ন ও অত্যাচার

দমন, পীড়ন ও অত্যাচার - ছবি : সংগৃহীত

সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক অস্থিরতা আর রাজনৈতিক অকার্যকারিতা এ ধারণা যেকোনো মানুষের মনে জাগ্রত করতে পারে যে, এসব কিছুর পেছনে রয়েছে এক উন্মত্ততা। অনেকেই হয়তো বলবেন, এমন ধারণা প্রান্তিক।
যারা বলছেন আমরা এখন উন্মত্ত সময়ে বাস করছি, তারাও যেমন সত্যের মাঝে আছেন, তেমনি যারা বলছেন, বক্তব্যটি প্রান্তিক তারাও অসত্য বলছেন না। কারণ সাধারণভাবে বলা যায়, এমন অবস্থা সবসময়ই ছিল। একজন লেখক দাবি করেছেন, মানুষ যখন গোষ্ঠীবদ্ধ জীবনযাপন করতে শুরু করে তখন থেকেই এ অশান্ত সময়ের উদ্ভব। কেননা এক গোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করে সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে চাইত। ফলে শুরু হয় সঙ্ঘাত, অসংযত ব্যবহার। আর শেষ হয় না। শেষ হয় না এ জন্যই যে, প্রতিটি অসংযত ব্যবহার নির্মূল করতে যে প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়, তা কখনই শান্তিপূর্ণ হতে পারে না।

এ জন্যই সৃষ্টি হয়েছে দমন, পীড়ন ও অত্যাচারের সাম্রাজ্য। এ প্রক্রিয়ার মধ্যে জড়িত নেই, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো যারা এর সাথে জড়িত তারা দুই দলেরই- বিজয়ী ও বিজিত।
এটি সত্য, এ অবস্থার প্রকারভেদ হয়েছে। এটি নির্ভর করে বিজয়ীর প্রকৃতির ওপর। চেঙ্গিস খান বিজয়ী হয়ে প্রতিপক্ষকে নির্মূল করেছিলেন। কিন্তু ইসলামের প্রবর্তক বিজয়ী হয়ে সবাইকে মাফ করে দিয়েছিলেন।

তবে দুই শতাব্দী ধরে যে যন্ত্রণার অস্থিরতা চলছে, তার তুলনা ইতিহাসে নেই। কেন এমনটি হয়েছে তা নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। তবে সবাই একটি কারণের সাথে একমত হয়েছেন যে, তিনটি বিষয় এর পেছনে- তা হলো অর্থ, ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এর পেছনে ছুটছে। রাস্তায় যদি সঠিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে যানবাহনের সংঘর্ষ হতে পারে, ঠিক মানব সমাজেও এমনটি হয়। তবে পার্থক্য হলো যানবাহন নিজে সংঘর্ষ ঘটায় না। এর পরিচালক তার জন্য দায়ী। সে পরিচালক আজকের যুগে রোবট সম্পৃক্ত। অবশ্য তার পেছনে মানুষ তো থাকেই। তাই বলা যায় এক কথায়, মানুষ সব কিছুর পেছনে। তার নিজের দুর্গতির জন্য সম্পূর্ণভাবে সে নিজে দায়ী।

মানুষই সৃষ্টি করেছে এই দুর্গতি উদ্ভবের পথগুলো। অবশ্য এটি সত্য যে, সে ইচ্ছা করে এগুলো করেনি। সে তার সুখের জন্য, ক্ষমতাকে নিশ্চিত করতে গিয়েই এসব ভুল করেছে। তখন সে ভুলের জন্য কখনো প্রকৃতিকে বা কখনো ব্যবস্থাকে দায়ী করেছে। বর্তমানকালে ধর্মকে অভিযুক্ত করে মতামতের একাংশ। এ কথা অস্বীকার করা যাবে না যে, মানব ইতিহাসের সব অনাচার-অবিচার-অত্যাচার পরিচালনা করে এসেছে তাদেরই এক ক্ষুদ্রাংশ। যারা ক্ষমতাবান বলে পরিচিত।

এই ক্ষমতাবানেরা সৃষ্টি করেছে নানা পদ্ধতি গোষ্ঠীজীবন পরিচালনার জন্য। এরা অত্যন্ত ধীসম্পন্ন মানুষ। তাই তারা যে পদ্ধতিগুলো সমাজের সাধারণ মানুষের সুখী সুন্দর জীবনের জন্য নির্মাণ করেছেন বলে দাবি করেন, তা সত্য নয়। কারণ এসবই তাদের কাজেই নিয়োজিত। তারা কিছু আপ্তবাক্য সৃষ্টি করে বিশাল প্রচার করেন, যা সাধারণ মানুষ সত্য বলে গ্রহণ করে। একদা তারা নিজেদের রাজা-সম্রাট বলে প্রচার করে মানুষের সুখ-সমৃদ্ধির কাজ করছেন বলে প্রচার করত। আবার এখন তাদের নেতা হয়ে সেই একই প্রচার করছে। কোনো পদ্ধতিই সাধারণ মানুষের অবস্থাকে উন্নত করে না। তা হলে কেন সাধারণ মানুষ বিদ্রোহ করে না? এর উত্তরে সমাজবিজ্ঞানী ও অনুসন্ধানকারীরা বলেছেন, ‘সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা, অধিকার ইত্যাদি বিশাল বিষয় নিয়ে ভাবে না। তারা ভাবে একটু শান্তি বা স্বস্তিতে থাকতে পারতাম।’

শক্তিমানরা সাধারণ মানুষের এ ভাবনাকে পুঁজি করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে। ‘গ্লোবাল রিসার্চে’ অধ্যাপক জন কজি এক নিবন্ধে লিখেছেন, ‘সরকার আইন তৈরি এবং এর ব্যবহার করে জনগণের ক্ষতি করার জন্য এবং ক্ষমতাবানদের রক্ষা করার জন্য।’

এসব পদ্ধতির মাঝে এখন রাজত্ব করছে দু’টি পদ্ধতি। তবে তারা অবিমিশ্র নয়। এরা হলো ধনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র। আসলে ধনতন্ত্র একচ্ছত্র বললেই হয়তো সত্যিকারের অবস্থা বর্ণনা হতো। কারণ সমাজতন্ত্র আর তার প্রকৃতরূপে বিরাজ করে না। সে এখন ধনতন্ত্রের আবরণে সমাজতন্ত্র। আর ধনতন্ত্রের মূল হলো ‘মুনাফা’। লাভ বা ক্ষতি।
এই লাভ বা ক্ষতি বিশ্বের সব মানুষকে সম্পূর্ণভাবে আবৃত করে রেখেছে। যেমন দুই বন্ধুর মাঝে আলাপ হচ্ছে। এক বন্ধু অন্য জনকে কোনো একটি কাজ করতে বলল বা বিষয় মানতে বলল, তার তাৎক্ষণিক জবাব হয়, ‘তাহলে আমার লাভ’। কোনো ঘটনার দর্শককে যদি সে বিষয়ে বলতে বলা হয়, তাহলে দেখা যায় সে এই লাভ-ক্ষতি বিবেচনা করেই জবাব দেবে। এভাবে সত্য লাভ-ক্ষতির নিক্তিতে প্রায়ই মাপা হয়। সত্য বললে যদি লাভ হয়, তাহলে তার অনুরক্ত পাওয়া সহজ। নতুবা কঠিন।

এভাবেই রাজনৈতিক প্রভাবগুলো কাজ করে থাকে। সাধারণ মানুষের সামনে এক মিথ্যা এতবার এমনভাবে প্রচার করা হয়ে থাকে যে, তখন মিথ্যাটাই প্রকৃত বলে মনে হয়। রাজনীতিতে এটি এখন সাধারণ মাপকাঠি। একবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক জরিপে দেখা যায়, সে দেশের শতকরা ৯০ ভাগ লোক বিশ্বাস করে রাজনীতিবিদরা সত্য বলে না। তখন পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, ‘তা হলে তাদের (রাজনীতিবিদদের) কথায় বিশ্বাস করা হয় কেন?’ অধিকাংশ জবাবদাতা প্রায় একই জবাব দেয়। ‘কারণ আমরা যেমনটি কল্পনা করি, আকাক্সক্ষা করি, তারা সেটা সুন্দর করে বলে। যদিও জানি তারা এগুলো বাস্তবায়ন করবে না।’ জরিপে মন্তব্য করা হয়, বিশ্বব্যাপী এ বক্তব্য সত্য। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে। তবে তৃতীয় বিশ্বে প্রচারণার সাথে শক্তির ব্যবহারও হয়। সাধারণত শক্তির আধার সরকার, তাই ক্ষমতাসীনেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শক্তি ব্যবহার করে জনগণকে তাদের মতাবলম্বী করার চেষ্টা করে থাকে। এ জন্যই তৃতীয় বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গ এত সঙ্ঘাতপূর্ণ। আসলে সমাজতন্ত্র যে বক্তব্য নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিল এবং যার জন্য মানুষ আকৃষ্টও হয়েছিল, সেখানে এ মতবাদ স্থির থাকলে, অন্য পদ্ধতিগুলো হয়তো হারিয়ে যেত। কিন্তু এর প্রবক্তারা এ মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যে ধ্বংস এবং হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল, তার নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। যেমন ভারতের শ্রেণিবিভাগ পদ্ধতি সে দেশের সাধারণ মানুষকে দাস বানিয়ে রেখেছে।

গণতন্ত্র যখন এলো তখন সাধারণ মানুষ ভাবল হয়তো নিপীড়ন-অত্যাচারের সময়ের অন্ত হতে যাচ্ছে। ইংরেজিতে গণতন্ত্র হলো ‘ডেমোক্র্যাসি’। এটি এসেছে গ্রিক ‘ডেমোস’ শব্দ থেকে। যার অর্থ ‘সাধারণ মানুষের’। অর্থাৎ এমন ব্যবস্থা যা সাধারণ মানুষের। লেখক অ্যান্ড্রু লেভিন সম্প্রতি ‘ইন সিভিলিটি নাউ’ (এখন অসভ্যতা) প্রবন্ধে বলেছেন, “বিশ্বের কোথাও গণতন্ত্র নেই। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সে দেশের দুই দলের গণতন্ত্র এই দলপতিরাই ভোগ করে। এমনকি দলের সদস্যরাও নয়।” গণতন্ত্রের সর্গ-বলে পরিচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থা হলে বিশ্বের, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের কী অবস্থা, তা শুধু কল্পনাই করা যেতে পারে। অর্থাৎ গণতন্ত্রের আবরণে এখানে বিরাজ করে দলতন্ত্র, রাজতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র, শক্তিমানতন্ত্র ইত্যাদি, যেখানে ‘ডেমোস’ বা জনগণ অনুপস্থিত। লেভিন তাই বলেছেন, “প্রয়োজনে জনগণকে ‘অভদ্র’ হতে হবে দাবি আদায়ের জন্য। নতুবা তারা দাস হয়েই বাস করবে।”

একটি ভালো পরামর্শ দিয়েছেন টাফট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসের ঘায়েমি তার ‘এ ফার্সট রেট ম্যাডনেস’ বইয়ে। প্রথমেই তিনি সতর্ক করেছেন এই বলে, ‘আজকের বিশ্বে ক্ষমতারোহণের যে প্রতিযোগিতা চলছে, তার প্রত্যেক সদস্যই মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ অথবা অসুস্থ। তাই এদের কাছ থেকে স্বস্তি কামনা করা অবান্তর। আবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে সুইজারল্যান্ডের সেইন্ট গ্যালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপ। এই জরিপে দাবি করা হয়েছে শুধু রাজনীতিবিদ নয়, ধনী ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরাও মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ তা না হলে ধনসম্পদ তারা বাড়াতে পারত না। এদের এ জরিপ বলেছে ধনের জন্য যারা কেবল কাজ করছে তারা ‘সাইকোপ্যাথ’। এরপর দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়-ইউনিভার্সিটি অব কলাম্বিয়া ও গ্লাসগো ক্যালিডোনিয়ান ইউনিভারসিটি- ব্যাপক জরিপ চালিয়ে মন্তব্য করে “শিল্প, বাণিজ্য ও ক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্টদের অধিকাংশ মানসিকভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি।” আসলে আধুনিক বিশ্বের প্রচারণা ও পরিচালনা ওপর জার্মানমন্ত্রী ড. যোশেফ গোয়েরলসের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব অপরিসীম। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীনেরা কখনো সত্য বলবে না, তবে ছোট মিথ্যা বলবে না। বড় মিথ্যা বারবার বলবে এবং রাষ্ট্র তাদের রক্ষা করবে এ মিথ্যার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ফলাফল থেকে।’

তবে এসব ধারণার বিপরীতেও বক্তব্য পাওয়া যায়। এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে ‘অধিকাংশ সৃষ্টিশীল ব্যক্তি সতর্ক ও মানসিকভাবে অস্থির নন।’ তারা বলেছেন, এটি সত্য ক্ষমতাসীনেরা প্রায় অস্থির মস্তিষ্ক হন এ জন্য যে, জনগণ তাদের এমনটি দেখতে চায়। এক বিখ্যাত লেখক বলেছিলেন, ‘একজন মিথ্যাবাদী যখন সত্যও বলে, তা (জনগণ) বিশ্বাস করে না।’ অধ্যাপক কজি আরো শক্ত বলেছেন, ‘আইন কখনো জনগণকে রক্ষা করে না। এটি এলিটদের জন্য।’ উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন, কেউ যদি অত্যাচারের শিকার হয়, তখন পুলিশ আসে সে অত্যাচারিত হওয়ার পর। লুণ্ঠিত হওয়ার পর অথবা হত্যাকাণ্ডের পর। কারণ সে সব সময় ব্যস্ত থাকে ‘এলিটদের রক্ষার জন্য’।

অধ্যাপিকা ভ্যালেরি রেনোসো তার ‘পলিটিকস অব মাছ ইনকারসারেশন (জন কারাবরণ) প্রবন্ধে চমৎকারভাবে কালো ও বাদামি মানুষদের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যে কর্মকাণ্ড চলে তার বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ সংখ্যক লোক আটক আছে- প্রায় ২২ লাখ এবং এসব কারারুদ্ধ ব্যক্তির প্রায় সবাই কালো ও বাদামি রঙের মানুষ। মার্কিন সিনেটর জিম ওয়েব তার এক নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেছিলেন, “আমরা (মার্কিনিরা) বিশ্বের মাত্র পাঁচ ভাগ মানুষ, কিন্তু আমাদের কারাগারে আছে বিশ্বের ২৫ ভাগ কারারুদ্ধ ব্যক্তি।” নিউজ উইকের হিসাবে বিশ্বের প্রথম কারারুদ্ধকারী দেশ হলো- ১. ইউএস ২. রাশিয়া ৩. চীন ৪. রুয়ান্ডা ৫. ব্রাজিল ৬. অস্ট্রেলিয়া। আছে স্পেন অর্থাৎ উন্নত দেশ বলে পরিচিত দেশগুলোতে কারারুদ্ধকরণ সবচেয়ে বেশি।

কেভিন জিসে ও মার্গারেট ফ্লাওয়ারস (পপুলার রেজিসটেন্সের কো-ডাইরেকটর) এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে লিখেছেন, ‘সারা বিশ্বে এখন প্রতিবাদী বা ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে সরকার ও করপোরেশনগুলো একযোগে আক্রমণ শুরু করেছে।’ কেমনভাবে তা পরিচালনা করা হচ্ছে তার একটি নমুনা দিয়েছেন। পিটসবার্গে এক নার্সকে ৬০ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। তার অপরাধ সে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দিত।

কেভিন ও মার্গারেট লিখেছেন, ‘সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে সংবাদমাধ্যমের ওপর। সব চেষ্টা চলছে যেন জনগণ সত্য খবর না পায়। ইন্টারনেটের প্রতিষ্ঠাতা টিম বার্নাস লি এক মন্তব্যে বলেছেন, ‘এটি এখন এক ঝড়ের মধ্য দিয়ে চলছে।’ তিনি নেটকে একেবারে নিরপেক্ষ থাকবে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেখতে পাচ্ছেন সেই নিরপেক্ষতা হারিয়ে যাচ্ছে বা গেছে এবং নানাভাবে একে প্রভাবিত করা হচ্ছে। যেমন গুগল ও ফেসবুক মার্কেটের ৫৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এখন এখানে প্রতিবাদ বা ভিন্নমতকে প্রায়ই উপেক্ষা করা হচ্ছে। এসবই দমন, পীড়ন ও অত্যাচারের তিন অবস্থা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাই এক কথায় বলা যায় দমন, পীড়ন ও অত্যাচার যে অতীত থেকে শুরু হয়েছিল, তা তার খোলস বারবার পাল্টিয়েছে মানুষকে তার কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করতে।


আরো সংবাদ