২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কোটা সংস্কার আন্দোলন : শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের স্বরূপ

কোটা সংস্কার আন্দোলন : শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের স্বরূপ - ছবি : নয়া দিগন্ত

তদানীন্তন পূর্ববাংলার পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এর লক্ষ্য ছিল পূর্ববাংলার কৃষক চাষি ও মজুরের সন্তানরা যাতে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে পারেন এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে যেন তাদের অংশগ্রহণ বাড়ে। কলকাতার বর্ণ হিন্দুরা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করেছিলেন। সময়ের পরিক্রমায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমা ছাড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওঠে পূর্ববাংলার মুক্তির সংগ্রাম আর অধিকার প্রতিষ্ঠার বাতিঘর। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অদ্ভুত আঁধার নেমে এসেছে। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাম থেকে পড়তে আসা এক কৃষকের সন্তান আক্রমণের শিকার হয়ে রক্তাক্ত হয়েছে। আর একজন রাজমিস্ত্রির ছেলেকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে এসে রিমান্ডে দিয়েছে। আরেকজন গুম হয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্রীরা লাঞ্ছিত হয়েছে। তাদের গায়ে হাত তুলে এমনকি, ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের ‘অপরাধ’ তারা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সমান সুযোগ চেয়েছে সংবিধান মোতাবেক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাদের বাপ-দাদার আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল জনগণের সমান অধিকারের জন্য। সেই আন্দোলন দমনে তখনকার রাষ্ট্রশক্তি যেভাবে নিপীড়ন চালিয়েছিল, স্বাধীন দেশ হলেও এখনো সেভাবে চালাচ্ছে। বিস্ময়কর ঘটনা হলো, তখন ছাত্রদের পাশে শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীরা দাঁড়িয়েছিলেন। আর এখন স্বেচ্ছায় মূক বধির এই শিক্ষকেরা সামান্য খুদকুঁড়োর আশায় সন্তানতুল্য ছাত্রের রক্তাক্ত শরীরের সামনে দাঁড়িয়ে নিশ্চুপ হয়ে গেছেন। পটুয়াখালী থেকে ঢাকায় পড়তে আসা কৃষকের ছেলে নুরুল হক নুরু একজন শিক্ষকের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি করেছেন। রাজমিস্ত্রির ছেলে রাশেদ খান গোয়েন্দা পুলিশের তাড়া খেয়ে ফেসবুকে লাইভে এসে ‘আমাকে বাঁচান বাঁচান’ বলে আর্তনাদ করেছে অসহায় হয়ে। কতজন ছাত্র পুলিশের হেফাজতে আছেন তা নিশ্চিত নয়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সন্ত্রাসীরা বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রকাশ্যে অবাধ তাণ্ডব চালানোর পরও শিক্ষক নামে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসকরা নাকি কোনো খবর জানতে পারছেন না।

একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার, ছাত্ররা চাকরির কোটা বাতিলের দাবি করেনি। তারা চাচ্ছে, এর সংস্কার। মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো সুযোগ সুবিধা বা কোটার বিরুদ্ধেও তারা কথা বলেনি। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত; এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পাঁচ শতাংশ, প্রতিবন্ধী এক শতাংশ। কোটার পরিমাণ ১০ শতাংশে কমিয়ে আনার দাবিতে ছাত্ররা আন্দোলন করছে বেশ কযেক মাস যাবৎ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও তাদের পোষ্যদের জন্য বরাদ্দ কোটা কমানোর দাবি করেছে তারা। কিন্তু তাদের এই দাবিকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধিতা হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে।

এই ছাত্রদের পেটানো, গ্রেফতার ও রিমান্ডের পর এখন সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটাপদ্ধতি পর্যালোচনা করতে সরকার কমিটি গঠন করেছে। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘোষণার’ ২ মাস ২২ দিন পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই কমিটি গঠন করল। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে, বাতিল যদি হবে তা হলে পর্যালোচনার প্রশ্ন আসে না। বাস্তবতা হচ্ছে, কোটাব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করা সম্ভব নয়। তবে এর সংস্কার দরকার। ছাত্রছাত্রীদের এই দাবি অত্যন্ত ন্যায্য বলে জনগণ মনে করে। পর্যালোচনার এই কমিটি গঠন করার পর সরকারের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে, উল্লিখিত আন্দোলনের সাথে যারা জড়িত তাদের মুক্তি দেয়া এবং যারা আন্দোলনকারীদের ওপর অত্যাচার করেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা।

গত এপ্রিলে কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন তীব্র রূপ নেয়, ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটাপদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দিয়ে ছিলেন। তিনি সংসদে স্পষ্ট করে বলেছিলেন, যখন কেউই কোটাপদ্ধতি চায় না, তখন এটা রাখার আর কোনো দরকার নেই। কোটাপদ্ধতি বাতিল, এটা আমার পরিষ্কার কথা। এ সময় তিনি বলেন, বারবার যেন রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন না হয়, বারবার যাতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ না হয়, তা বন্ধ করতে এই কোটাপদ্ধতি বাতিলই করে দিতে চাই। এখন থেকে মেধার ভিত্তিতেই সব নিয়োগ দেয়া হবে। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে যা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। কেউ যদি কোটা না-ই চায়, তাহলে কোটা আমরা বন্ধ করেই দেবো।’

ক্ষুব্ধ ও অভিমানী কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী কোটাপদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, কোটা থাকলেই সংস্কারের প্রশ্ন আসবে। এখন সংস্কার করলে আগামীতে আরেক দল আবারো সংস্কারের কথা বলবে। তাই কোটা থাকলেই ঝামেলা। সুতরাং কোনো কোটারই দরকার নেই। কোটাব্যবস্থা বাদ, এটাই আমার পরিষ্কার কথা (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১২ এপ্রিল, ২০১৮)।
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার আগে ছাত্রলীগ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানিয়েছিলেন, সরকারি চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিল হতে চলেছে। সকালে ছাত্রলীগ নেতারা এ ঘোষণা জানানোর পর একই দিন সন্ধ্যায় সংসদে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর ছাত্রলীগ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছিল। এ ঘোষণা দেয়ায় তাদের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করে। অপর দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছিল।
এই ইস্যুতে কথিত বুদ্ধিজীবী এবং শিক্ষক নামধারী মুক্তচিন্তার মানুষেরা সংকীর্ণ স্বার্থপরতা ও দলান্ধতার পরিচয় দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এই আন্দোলন যখন দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তারা ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনে সমর্থনও দিয়েছিলেন। এখন তাদের সন্তানের মতো, ছাত্রদের যখন ক্যাডারেরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পিটিয়ে রক্তাক্ত করছে কিংবা রহস্যজনকভাবে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করছে তখন তারা নিশ্চুপ।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আগের দিন কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। ভাইস চ্যান্সেলরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে ‘অপরাজেয় বাংলা’র পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির, সরকারপন্থী সভাপতি মাকসুদ কামাল বলেন, ‘কোটা সংস্কারে শিক্ষার্থীদের নৈতিক দাবির প্রতি সমর্থন আছে। আগামী ৭ মের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে যেন এর সমাধান হয়, সমস্যাটি দীর্ঘায়িত যেন না হয়, সেটাই আশা করি।’ তিনি আরো ঘোষণা দেন, কোটা সংস্কারে আন্দোলনের সময় আহত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে। তিনি বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে যদি ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকে, তার নিন্দা জানাই। আন্দোলনের সময় একটি অংশ ভিসি ভবনে এসে হামলা চালায় এবং যে ভাষা প্রয়োগ করে, সে ভাষা কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদের জানতে হবে শিক্ষকদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করতে হয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসভবনে হামলার ঘটনার আজ পর্যন্ত তদন্ত হয়নি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এই হামলার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা জড়িত নয়। গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে পুরান ঢাকা এবং ঢাকা কলেজ থেকে ক্যাম্পাসে যাওয়া বহিরাগতরা এই হামলার সাথে জড়িত। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের, বহিরাগত এই সন্ত্রাসীদের কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি এত দিনেও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক সমিতি মূলত ক্ষমতাসীন মহলের একটি অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এই সমিতির নেতাদের সাথে ছাত্রলীগের নেতাদের নিবিড় যোগাযোগ। সাধারণ ছাত্রদের প্রতি তাদের আদৌ দায়বদ্ধতা আছে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিল করবেন- এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর এই দাবির প্রতি তারা সমর্থন জানিয়েছিলেন। তারা যে দলীয় আনুগত্যের কারণে এসব কথা বলেছিলেন, এখন তাদের ভূমিকা থেকে স্পষ্ট। বর্বরোচিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদের পেটানো হচ্ছে, তবুও তাদের সমর্থনে শিক্ষকরা এগিয়ে আসছেন না।

শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নন, দেশের কথিত বুদ্ধিজীবী ও নারীবাদীরা পর্যন্ত মুখে কুলুপ এঁটেছেন। কোথায় কোন মাদরাসা শিক্ষক নারীশিক্ষা নিয়ে কটূক্তি করেছেন কিংবা ওয়াজে কী বলেছেন তাতে বিবৃতির ঝড় বয়ে যায়। নারীর মর্যাদা আর অধিকার প্রতিষ্ঠায় শহীদ মিনার কাঁপিয়ে তোলা হয়। অথচ রাজধানীতে প্রকাশ্যে ছাত্রীদের পিটিয়ে, টানাহেঁচড়া করার পরও তারা কোনো প্রতিবাদ করার প্রয়োজন বোধ করছেন না। খুদকুঁড়ো খাওয়া অভিলাষী শিক্ষক কিংবা বুদ্ধিজীবীরা অতীতেও স্বৈরশাসকদের পদলেহন করেছেন। স্বাধীনতার পর শোষণ বঞ্চনামুক্ত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে এ দেশ গড়ে ওঠার যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল তা নস্যাৎ করতে স্বার্থশিকারি এই বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা কোনো অংশে কম নয়।

প্রখ্যাত লেখক সাহিত্যিক আহমদ ছফা তার ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ বইয়ে তাদের স্বরূপ তুলে ধরে লিখেছেন, সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশে জাতীয় মধ্যশ্রেণীভুক্ত বুদ্ধিজীবীরা সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং ধর্মনিরপেক্ষতা- রাষ্ট্রীয় এই চতুঃস্তম্ভের জয়ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে ফেলেছিলেন। রেডিও-টেলিভিশনে তোষামোদ, চাটুকারিতা, নির্লজ্জ আত্মপ্রচার মানুষের সুস্থ কাণ্ডজ্ঞানকে একরকম মুছে ফেলতে উদ্যত হয়েছিল। সন্ত্রাস, গুম-খুন, ছিনতাই, দস্যুতা, মুনাফাখোরি, কালোবাজারি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্বিচারে হত্যা একান্তই নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মানুষের হনন প্রবৃত্তি, লোভ, রিরংসার এরকম নির্লজ্জ আত্মপ্রকাশের সিংহ দুয়ার খুলে দেয়ার ব্যাপারে তৎকালীন সরকার মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল। অন্যরা সরকারি কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করতে গিয়ে একই রকম নিষ্ঠুর অমানবিক কর্মকাণ্ডের অনুষ্ঠান করেছে। এ ধরনের একটি মাৎস্যন্যায় পরিস্থিতিতে বুদ্ধিজীবীদের অবশ্যই একটি পালনীয় ভূমিকা ছিল, একটি দায়িত্ব ছিল। কিন্তু তারা সেদিন তাদের ওপর আরোপিত দায়িত্ব কর্তব্য বিস্মৃত হয়ে যাবতীয় অমানবিক কর্মকাণ্ডে সরকারের মদদ দিয়ে নিজেদের আখের গুছানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।’

স্বাধীনতার পর বুদ্ধিজীবীদের যে ভূমিকা ছিল বর্তমান সময়ে অবস্থার কোনো হেরফের হয়নি। এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর উন্নয়নের নামে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লুটপাট, গুম-খুন, নিপীড়ন চলছে। তোষামোদ ও চাটুকারিতার মাধ্যমে আখের গোছাতে অনেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারপন্থী শিক্ষকেরাও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। শুধু মেধার ভিত্তিতে চাকরি পাওয়ার অধিকারের স্বার্থে কথা বলার জন্য ছাত্রকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়, ছাত্রীকে নিপীড়ন করা হয় এ কারণে তখন তারা চোখ বন্ধ করে থাকেন। নিজের আখের গোছানের জন্য রাষ্ট্রীয় নিপীড়নকে সমর্থন দেন। হাওয়া বদলের সাথে সাথে এরা আবার রঙ বদলাবেন কিংবা গর্তে লুকাবেন।

alfazanambd@yahoo.com


আরো সংবাদ