১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সৈকত রাহীকে নিয়ে রোডসের উচ্চাশা

-

ত্রিদেশীয় সিরিজে শিরোপা জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলার জন্য ইংল্যান্ডে গেছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য এখন লেস্টারে অবস্থান করছেন টাইগাররা। শুধু নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের জন্যই নয়, পুরো সিরিজে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলার আত্মবিশ্বাসও বাড়তি শক্তি হিসেবে জোগান দিচ্ছে দলকে। আসর শুরুর আগে দলের বিশ্বকাপ সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন কোচ স্টিভ রোডস। আলাপচারিতায় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের পাশাপাশি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও আবু জায়েদ রাহীদের মতো তরুণদের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন ইংলিশ এই কোচ।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ মাঠে পায়নি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। চোটের কারণে না খেলা সাকিবের বদলে সুযোগ পান ডানহাতি অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন। সুযোগ পেয়েই মাঠে সর্বোচ্চ ব্যবহার করেন। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ফাইনাল ম্যাচে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ২৪ বলে অপরাজিত ৫২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলের শিরোপা জয় নিশ্চিত করেন। কোচ স্টিভ রোডস আরো মনে করেন বাংলাদেশ এখন আর কেবল সিনিয়র খেলোয়াড়দের দল নয়। দায়িত্ব পেলে তরুণরাও প্রত্যাশা মেটাতে সক্ষম। জায়েদ-মোসাদ্দেকদের পারফরম্যান্স বিশ্বকাপের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
তরুণ এই ক্রিকেটারের এমন ফর্ম দলের সিনিয়র খেলোয়াড় এবং অন্যদেরও তাতিয়ে দেবে বলে মনে করেন কোচ রোডস, ‘মোসাদ্দেকের উদাহরণ দিয়েই বলা যায়, আমাদের দলটার গভীরতা কতটুকু। ফাইনালে ওর পারফরম্যান্স অন্যদেরও সেরা পারফর্ম করতে তাতিয়ে দেবে। বিশ্বকাপে ওর মতো একজন যদি একাদশে সুযোগ না পায়, তাহলে বুঝতে হবে ওর চেয়েও ভালো কেউ খেলবে। এই অনুভূতিটা আমাদের বড় ম্যাচও জেতার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী করছে।’
নিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নেমেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করেন ডানহাতি পেসার আবু জায়েদ রাহী। তবে ফাইনাল খেলা হয়নি তার। রাহীকে নিয়েও উচ্চাশা রোডসের, ‘পাঁচটা উইকেট পেলেও আমরা জায়েদকে দলে নিতে পারিনি। এটা ওর জন্য মেনে নেয়া কষ্টকর। কিন্তু ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, স্কোয়াডে থাকা অন্য খেলোয়াড়রা কতটা অসাধারণ।’

 


আরো সংবাদ