২২ মার্চ ২০১৯

ইমার্জিং কাপের সেমিতে বাংলাদেশ

-

মেঘ দেখে তুই করিসনে ভয় আড়ালে তার সূর্য হাসে। কথাটি শতভাগ প্রযোজ্য হয়ে গেল অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলের জন্য। ইমার্জিং কাপে শুরুতে আরব আমিরাতের বিপক্ষে হারলেও হংকংয়ের বিপক্ষে জয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তন হয় দলটির। টুর্নামেন্টে ক্রমেই উজ্জ্বল হয়ে উঠছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পারফরম্যান্স। এবার শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল মোসাদ্দেক ও জাকির হোসেনরা।
শীর্ষ দলকে হারানোর পর তিন ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে উঠেছে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্ট পেলেও রেটিং বেশি থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান। এ দিন সংযুক্ত আরব আমিরাত ও হংকংয়ের অন্য ম্যাচটি নিষ্পত্তি হয়নি। তাতে দুই দল একটি করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে। বাংলাদেশকে প্রথম ম্যাচে হারানো আমিরাত ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে।
করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপ ‘বি’ এর এ ম্যাচকেই চ্যালেঞ্জিং মনে করা হয়েছিল টাইগারদের জন্য। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচেই ব্যাটে-বলে সমান তালে জ্বলে উঠে ম্যাচটিকে মামুলি বানিয়ে দেয় বাংলাদেশের যুব টাইগাররা। আগে ব্যাট করতে নেমে তিন ফিফটিতে ভর করে ৫ উইকেটে ৩০৯ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জবাবে ৪৬.৫ ওভারে পাকিস্তান ২২৫ রানে অলআউট হলে ৮৪ রানে জয় পায় লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।
গতকাল টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ হয় বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতেই মিজানুর রহমানের সাথে ৪৮ রানের জুটি গড়েন জাকির হোসেন। ব্যক্তিগত ২৫ রানে মিজানুর ফিরলেও হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান জাকির। ৬৯ বলে ৮ চারে সমান ৬৯ রান করে মোহাম্মদ মুসার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। জাকিরের পর হাফ সেঞ্চুরির সুযোগ পান নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ৫৪ বলে ৪ চারে ৪৯ রানে তিনিও মোহাম্মদ মুসার এলবিডব্লিউর ফাঁদে পা দেন। ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরের পথে পা বাড়ান তিনি।
তবে শেষ দিকে দলকে টেনেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। পঞ্চম জুটিতে ইয়াসির সাথে অসাধারণ একটি জুটিতে দলীয় সংগ্রহ তিন শ’ পার করেন মোসাদ্দেক। তারা দু’জনই তুলে নেন অর্ধশতক। ৪৬ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫৬ রান করেন ইয়াসির আলী। অন্য দিকে ৭৪ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৫ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক। পাকিস্তান ৮ জনকে দিয়ে বল করিয়েও সুবিধা করতে পারেনি। পাকিস্তানের হয়ে খোশদিল শাহ ৩টি ও মোহাম্মদ মুসা ২টি উইকেট নেন।
৩১০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে খুব বেশি দূর যেতে দেননি বাংলাদেশী বোলার নাইম হাসান ও শরিফুল হাসানরা। স্বাগতিক পাকিস্তানের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন খোশদিল শাহ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন জিসান মালিক। এ ছাড়া অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৬ ও সোলেমান শাফকাত ১৬ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে নাঈম ইসলাম সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। এ ছাড়া শরিফুল ইসলাম ও মোসাদ্দেক দু’টি করে উইকেট নেন।

 


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al