২৩ এপ্রিল ২০১৯

ক্রোয়েশিয়াকে ৬ গোলে বিধ্বস্ত করেছে স্পেন

-

বিশ্বকাপের রানার্স-আপ ক্রোয়েশিয়াকে পাত্তাই দেয়নি স্পেন। উয়েফা নেশন্স লিগে মঙ্গলবার নিজেদের মাঠে মার্কা আসেনসিওর উজ্জীবিত পারফরম্যান্সে ৬-০ গোলে ক্রোয়েটদের উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন।
জুলাইয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে একটু আগে ভাগে বিদায়ে কোচ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় স্পেন। ওই আসরে স্পেনের বিখ্যাত টিকি-টাকা পাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু নেশন্স লিগের প্রথম ম্যাচে ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজয়ের পরে দ্বিতীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় জয় বিশ্বকাপ পরবর্তী নতুন কোচ লুইস এনরিকেকে ইতোমধ্যেই অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তুর্কি আসেনসিওর দু’টি লম্বা দূরত্বের শট এবং সাওল নিগুয়েজের গোলে এলচেতে ঘরের মাঠে বিরতির আগে স্প্যানিশরা ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। এর মধ্যে ৩৫ মিনিটে গোলরক্ষক লোভরে কালিনিচের ভুলে আত্মঘাতী গোলের লজ্জায় ডুবে ক্রোয়েশিয়ানরা। বিরতির পরেই ক্রোয়েটরা তাদের ভাগ্য বদলাতে পারেনি। রডরিগো মোরেনোকে দিয়ে চতুর্থ গোল করানোর পরে সেই আসেনসিওর কর্নারে সার্জিও রামোস দলের পক্ষে পঞ্চম গোল করেন। আবারো আসেনসিওর সহায়তায় ইসকো ৭০ মিনিটে ম্যাচের ষষ্ঠ গোলটি করেছেন।
চার দিনের ব্যবধানে দু’টি বড় দলের বিপক্ষে দু’টি জয় স্পেনকে নেশন্স লিগের গ্রুপ-টুতে পূর্ণ ছয় পয়েন্টসহ শীর্ষে নিয়ে গেছে। গ্রুপের অপর দুই দল ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া স্পেনের কাছে হেরে এখনো কোনো পয়েন্ট অর্জন করতে পারেনি। আগামী মাসে এই দুই দল একে অপরের মোকাবেলা করবে।
বিশ্বকাপের শীর্ষ চারটি দলের মধ্যে দু’টি দলের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে যে ধরনের আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন তার সবটাই ছিল লা রোজাদের বিপক্ষে। কিন্তু বিশেষ করে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এই ধরনের জয় সবাইকে হতবাকই করেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এনরিকের নিজস্ব কৌশল এখানে সবার চোখে পড়েছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সব দিক থেকে স্পেন আধিপত্য বিস্তার করেছে, পুরো ম্যাচেই তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে। পুরো ম্যাচে কোনোভাবেই বোঝা যায়নি বিশ্বকাপের হতাশার পরে প্রত্যাশার দারুণ একটি চাপ রয়েছে স্পেনের ওপর। এমনকি একসাথে জেরার্ড পিকে, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও ডেভিড সিলভাদের মতো অভিজ্ঞদের অবসরও যেন আসেনসিওদের থামাতে পারেনি। তাদের অনুপস্থিতিতে প্রতিটি খেলোয়াড়ই যেন নিজেদের প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছিল।
বিশেষ করে ২২ বছর বয়সী তরুণ মিডফিল্ডার আসেনসিওর কথা আলাদা করে বলতেই হয়। নিজে গোল করা ছাড়াও দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোলেই তার সহায়তা এটাই প্রমাণ করেছে ইয়াগো আসপাসকে রেখে মূল একাদশে এই রিয়াল তারকার অন্তর্ভুক্তি কতটা যৌক্তিক ছিল। তবে মধ্যমাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জ্বলে ওঠা সাওলও ছিলেন দুর্দান্ত। ৬৫ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় নিজ জন্মভূমির মাঠ এস্তাদিও মার্টিনেজ ভালেরোর দর্শকেরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানাতে ভুল করেনি।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat