film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

পরিবর্তিত জীবনধারায় কমবে ওজন

-

ওজন নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। ডাক্তার বারবার বলে, ওজন কমান। তাহলে ভালো থাকবেন। বাড়তি ওজন ঝুঁকিপূর্ণ। বললেই কি হলো। ওজন কি হুট করে কমানো যায়। কম করে খেলেন। কই ওজন তো কমল না। মাঝে মাঝে ব্যায়ামও করেন। ওজন তো কমছে না। ওজন কমাতে নিয়ম মানতে হবে। তাহলেই না ওজন কমবে। আপনি চর্বিযুক্ত একটা খাবারও বাদ দেন না। তাহলে ওজন কমবে কিভাবে। আবার খাবার নিয়ে আদিখ্যেতা নেই আপনার। তবে শারীরিক পরিশ্রমে বেজায় অলস আপনি। দুই কদম হাঁটতে চান না। শুয়ে বসে কাটিয়ে দেন অলস সময়। আপনার ওজন কত, বয়স কত, উচ্চতা কত। সে অনুযায়ী আপনি দৈনিক কত ক্যালরি গ্রহণ করতে পারবেন। প্রথমে সেটা আপনাকে জানতে হবে। ইন্টারনেটে থেকে এটা জানা যায়। ধরা যাক আপনার লিমিট ১৫০০ ক্যালরি। দৈনিক ১৫০০ ক্যালরির বেশি গ্রহণ করতে পারবেন না। আপনি যদি ১৫০০ ক্যালরি বা এর চেয়ে সামান্য কম বেশি গ্রহণ করেন। তাহলে ওজন বাড়বেও না। কমবেও না। মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে। ১৫০০ ক্যালরির জায়গায় যদি ১০০০ ক্যালরি গ্রহণ করেন। তাহলে মাস শেষে কেজি দুয়েক ওজন কমতে পারে। মানুষভেদে একটু কম বেশি হতে পারে। আপনি যে ১০০০ ক্যালরি গ্রহণ করবেন। অবশ্যই তার মধ্যে পুষ্টিকর খাবার থাকতে হবে। ভিটামিন, মিনারেল,ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ইত্যাদি আছে এমন খাবার। ধরা যাক আপনার প্রিয় খাবার বিরিয়ানি। আপনি ১০০০ ক্যালরির ৫০০ ক্যালরি বিরিয়ানি খেলেন। এটা মোটেও ঠিক হবে না। বিরিয়ানিতে দরকারি সব ভিটামিন নেই। শুধু বিরিয়ানি খেলে বা বিরিয়ানিকে প্রধান্য দিলে শরীরের ভিটামিনের অভাব দেখা দেবে। ব্যালেন্স খাবার খেতে হবে। তাই জানতে হবে কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে। লোভটাকে বন্দী রাখা বাড়তি মেদ কমানোতে অপরিহার্য। কিছু খাবারের ক্যালরির পরিমাণ জেনে নিন। ৮০ গ্রাম (এক কাপ) ভাতে ২৭২, ১০০ গ্রাম মাছ রান্নায় ৩২৩ থেকে ৫০০, পোলাউ (এক কাপ) ২৫৮, চিকেন বিরিয়ানি (এক কাপ) ৪১৮, এক প্লেট খাসির বিরিয়ানিতে আছে ৪৭০, তেল দিয়ে করা ১টি ডিম পোচে ২০২, গরু ভুনা (এক কাপ) ৪৩৪, মিক্স সবজি (এক কাপ) ১১০, নুডুলস সিদ্ধ (এক কাপ) ২২০, পরোটা তেলে ভাজা ১টিতে ২৮৩ থেকে ২৯০, ১টি সিঙ্গারাতে ১২৩, প্লেইন কেক এক টুকরোতে ২১৮, কাজু বাদাম এক মুঠোতে ১৭৮, ১টি আপেলে ৫০-৬০, কলা মাঝারি সাইজের ১টিতে ৫০ থেকে ৬০, আম ১টি ছোট সাইজের ৫০ থেকে ৬০, আঙ্গুর ২০টি ছোটতে আছে ৫০ থেকে ৬০ ক্যালরি। ছোটকাল থেকেই আপনি ভোজনরসিক। এক বসায় এক কেজি গরু ভুনা সাবার করেন। তাহলে হুট করে আপনার জন্য খাবার কমানো একটু কঠিন। খেয়েও শরীরটা ফিট রাখা যায়। বাড়তি মেদ কমানো যায়। আপনার লিমিট ১৫০০ ক্যালরি। আপনি ১৫০০ ক্যালরির খাবার খাবেন। ব্যায়াম করে ৫০০ ক্যালরি বার্ন করতে হবে। তাহলে কিন্তু ১০০০ ক্যালরি গ্রহণের মধ্যেই থাকা হলো। ক্যালরি বার্ন করতে পারলে উত্তম। তাহলে খেলেও তা গায়ে লাগবে না। বেশির ভাগ মানুষ ঘাম ঝরিয়ে ব্যায়াম করতে চান না। প্রয়োজনের চেয়ে ক্যালরি কম গ্রহণ করে ওজন কমানো সহজ। ডায়েট মানে একদমই না খেয়ে থাকা নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই সকালে নাস্তা খাই না। ভাবি সকালে নাস্তা না খেলে মেদ কমবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। সকালের নাস্তা হবে রাজার মতো। রাতের খাবার হবে ফকিরের মতো। আমরা উল্টোটাই করি। সকালে দুটি রুটি, এক বাটি সবজি, একটি ডিম ভাজা উত্তম নাস্তা। ডিম ক্ষতিকর। এমন ধারণাও আছে আমাদের সমাজে। অথচ দৈনিক একটি ডিম মোটেই ক্ষতিকর নয়। দুপুরে সামান্য ভাত (এক কাপ),একটু সবজি, মাছ বা গোশত খাওয়া যায়। বিকালে তো ক্ষুধা লাগে। একটা বারগার খেয়ে নেবেন নাকি? একটা বারগারে ৪০০ ক্যালরি। খাবেন কি খাবেন না। আপনার ওপরই ছেড়ে দিলাম। বিকেলে এক টুকরো বিস্কুট,এক কাপ গ্রিন টি খাওয়া যায়। বিকালে ফল খেলেও অসুবিধা নেই। রাতের খাবার সারতে হবে সন্ধ্যা ৭টা হতে ৮টার মধ্যে। এক গ্লাস দুধ ও ফলমূল খেতে পারেন। যতটা সম্ভব রাতের খাবার হালকা হবে। খেয়ে হাঁটাহাঁটি করা ভালো। হয়তো মাঝরাতে ক্ষুধা লাগতে পারে। এটা সহ্য করতে হবে। তখন কয়েকটা কাজু বাদাম খাওয়া যায়। রিচ ফুড খাওয়া যাবে না। এমনটা ডাক্তাররা বলেন। কারণটা হলো রিচ ফুডে ক্যালরি বেশি। চর্বি থাকে, যা শরীরের জন্য ভালো নয়। প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন, লেবুর রস, একটু কালোজিরা, অল্প একটু মধু, অল্প বাদাম, আদা চা খাওয়া, কয়েক টুকরো শসা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। প্রাকৃতিক খাবার বেছে নিতে চেষ্টা করুন। ডাক্তাররা প্রতিদিন ৪০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দেন। অফিসের একটু আগে নামুন। তারপর হেঁটে যান। আবার বাসার খানিকটা আগে নেমে হেঁটে যাওয়া যায়। যাদের হাঁটার সময় থাকে না একদমই। তারা এমনটা করতে পারেন। ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি দরকার। প্রবল ইচ্ছা শক্তি। যত মজার খাবার হোক না কেন। খাবোই না। মনোবল এমন দৃঢ় করুন। অধিকাংশ মানুষ এখানেই ব্যর্থ হন। কয়েক দিন ডায়েট করেন বটে। পরে এক অনুষ্ঠানে মজার খাবার দেখে সব ভুলে যান। সাত দিনেরটা এক দিনে পুষিয়ে নেন।

 


আরো সংবাদ

বাণিজ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি : রুমিন ফারহানা (৯৩৪৪)ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আর যুদ্ধে জড়াতে চাই না : ইসরাইলি যুদ্ধমন্ত্রী (৮৬৩৫)সিরিয়া নিয়ে এরদোগানের হুমকি, যা বলছে রাশিয়া (৮১৭৫)শাজাহান খানের ভাড়াটে শ্রমিকরা এবার মাঠে নামলে খবর আছে : ভিপি নুর (৭৪২৫)খালেদা জিয়াকে নিয়ে কথা বলার এত সময় নেই : কাদের (৭১৮৩)আমি কর্নেল রশিদের সভায় হামলা চালিয়েছিলাম : নাছির (৬৫৫৩)ট্রাম্পের পছন্দের যেসব খাবার থাকবে ভারত সফরে (৫৫১১)ইদলিব নিয়ে যেকোনো সময় সিরিয়া-তুরস্ক যুদ্ধ! (৫৪৪০)ট্রাম্প-তালিবান চুক্তি আসন্ন, পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে চিন্তা দিল্লির (৫৪১৯)সোলাইমানির হত্যা নিয়ে এবার যে তথ্য ফাঁস করল জাতিসংঘ (৫৩২৪)