film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ত্বক থাকুক সুন্দর কাভার স্টোরি

-

তরতাজা সুন্দর ত্বক আপনার সৌন্দর্যের চাবিকাঠি। নিজের প্রতি একটু যতœশীল হলে দীর্ঘ দিন ত্বক সুন্দর থাকে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ঠিক কী কী করলে আপনার ত্বক হবে ঝকঝকে ও প্রাণবন্ত। যতটা কঠিন ভাবছেন, ততটা কঠিন নয় কিন্তু।
লিখেছেন কাজী তানজিলা মেহনাজ

আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু
ভুলেও ভাববেন না যে, ত্বক সুন্দর ও তরতাজা রাখার জন্য পদক্ষেপ শুরু করতে হবে মধ্যবয়সী হওয়ার পর থেকে। এ প্রক্রিয়াটি আসলে শুরু করতে হবে টিনেজ বয়স থেকেই। কারো ত্বক তো একদিনেই অসুন্দর হয়ে যায় না, আবার প্রাণহীন ত্বক রাতারাতিই সুন্দর করে ফেলা যায় না। তাই শুরু থেকেই যতœবান হতে হবে, যেন সুন্দর ত্বকের সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে না পারে, আর প্রাণহীন ত্বক যেন প্রাণ ফিরে পেতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীর ক্রনিক ডিহাইড্রেশনের শিকার হয়। ক্রনিক ডিহাইড্রেশন চামড়ার মসৃণতা নষ্ট হওয়ার ও চামড়া কুঁঁচকে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। পানি আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়, পেট পরিষ্কার রাখে, শরীরের সব কোষকে তাজা রাখে, ত্বকের ইলাস্টিসিটি ধরে রাখে, যা আমাদের ত্বককে তরুণ রাখে। সকালে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করুন, সারা দিন চেষ্টা করবেন কিছুক্ষণ পরপরই পানি পান করার। বাইরে গেলে সাথে এক বোতল খাবার পানি সাথে নিতে ভুলবেন না। যদিও ব্যক্তিভেদে মানুষের শরীরে পানির চাহিদা বিভিন্নরকম হতে পারে, কিন্তু একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস বা দুই লিটার পানি পান করা উচিত।
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখুন
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য ময়েশ্চার খুব জরুরি। বেশিক্ষণ এয়ারকন্ডিশনে থাকলে আরো বেশি করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। অতিরিক্ত গরমে বা ঠাণ্ডায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বক ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। দিনে কমপক্ষে দু’বার ত্বক পরিষ্কার করুন। যতবার মুখ ধোবেন, ততবারই ময়েশ্চারাইজ করা জরুরি। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার করা খুবই জরুরি।
চোখের যতœ
রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে অবশ্যই চোখের চার পাশে আই রোল-অন বা আই ক্রিম লাগাতে হবে। চোখের আশপাশের অংশও খুবই নরম ও স্পর্শকাতর হয়, এই অংশে কোনো তেলগ্রন্থি থাকে না, ফলে খুব সহজে রুক্ষ হয়ে যায় ও কুঁঁচকে যায়। তাই চোখের চার পাশের ত্বকের যতœ নিতে হবে একটু বেশি।
নজর দিন হাতে ও গলায়
স্ক্রিন কেয়ার রুটিনে ত্বকের বিশেষ অংশগুলোর দিকে নজর দিতে ভুলবেন না। ঘাড়, গলা ও হাতের অংশগুলো সাধারণত চোখে পড়ে বেশি। গোসলের পর গলায় ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজার লাগান। কারণ গলার চামড়ায় তেলগ্রন্থি না থাকার কারণে এই চামড়া খুব সহজেই রুক্ষ হয়ে যায়। তাই গলার প্রতি হোন বিশেষ যতœবান। যেহেতু শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় হাতের ওপর ধকল যায় সবচেয়ে বেশি, তাই বাসন ধোয়া, কাপড় কাচার সময় রাবার গ্লাভস পরতে পারেন। গোসল বা বাড়ির কাজ করার পর হাতে ভালোভাবে ক্রিম ম্যাসাজ করে নিন।
প্রতিদিন সানস্কিন
রোদ হোক বা বৃষ্টি, হোক সেটা যেকোনো ঋতু সানস্কিন ব্যবহার করা হোক আপনার প্রতিদিনের রুটিনের একটি অংশ। দ্য আমেরিকান একাডেমি অব ডারমাটোলজির তথ্য অনুযায়ী, এমন সানস্কিন ব্যবহার করতে হবে, যাতে আছে কমপক্ষে এসপিএফ ৩০ এবং গায়ের লেবেলে ‘নৎড়ধফ-ংঢ়বপঃৎঁস’ লেখা আছে। এর মানে হলো এটি সূর্যের ইউভিএ ও ইউভিবি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। সূর্যের ইউভিএ রশ্মি ত্বকের ইলাস্টিন ও কোলাজেন নষ্ট করে ত্বককে কালো করে ফেলে ও তাড়াতাড়ি কুঁচকে দেয়, এমনকি ত্বকে ক্যান্সার কোষ পর্যন্ত সৃষ্টি করতে পারে। আপনার সানস্কিনটি হতে হবে পানি প্রতিরোধক, যাতে ঘামলে সানস্কিন ধুয়ে না যায়। পর্যাপ্ত পরিমাণ সানস্কিন ব্যবহার করুন। হাত, ঘাড়, গলা কিছুই যেন বাদ না যায়।
রোদচশমা, ছাতা ও অন্যান্য
রোদে যাওয়ার আগে তাই শুধু সানস্কিন লাগালেই চলবে না, ভালো মানের একটি রোদচশমা পরাও খুবই জরুরি। ব্যাগে সবসময় একটি ছাতা রাখুন যাতে এটি ব্যবহার করে শরীরের অন্যান্য অংশকেও রোদের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন।
ধূমপান করবেন না
ধূমপান কিন্তু ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি ত্বকের কোলাজেনকে ভেঙে দেয়। এ ছাড়া ধূমপানের কারণে দেহের রক্তকণিকা ত্বকে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন পৌঁছাতে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। এতে করে ত্বক নিষ্প্রাণ ও লাবণ্যহীন হয়ে পড়ে। ধূমপায়ীদের ত্বকই শুধু তাড়াতাড়ি বলিরেখার শিকার হয় তাই নয়, তাদের নখও একসময় হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
ডায়েটিংয়ে সাবধানতা
২০-৩০ বছরের তরুণদের মধ্যে একটি প্রবণতা দেখা যায়, তাদের অনেকেই না বুঝে শুনে, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই ডায়েটিং করে থাকেন ওজন কমানোর জন্য। ওজন কমে গেলে আবার যা খুশি তাই খেতে থাকেন। আবার ওজন বেড়ে গেলে আবার ডায়েটিং করে ওজন কমান। না বুঝে ডায়েটিং করলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না, যার ফলে শরীর ও ত্বকের নানা ক্ষতি হয়, গায়ের চামড়া রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে যায়। এ ছাড়া বারবার ওজন বাড়লে এবং কমলে ত্বক দ্রুত ঝুলে পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ডায়েটিং করা যাবে না, ওজন কমে গেলে সেটা ধরে রাখতে হবে। ইচ্ছামতো খাবার খেয়ে ওজন বাড়িয়ে ফেলা যাবে না।
চিনিকে না বলুন
চিনি আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর তা আমরা সবাই জানি। চিনি ত্বকের লাবণ্য নষ্ট করে ফেলে, ত্বকের কোলাজেন ও ইলাস্টিনকে পানিশূন্য করে ত্বককে প্রাণহীন করে। তাই চিনি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। বন্ধ করতে না পারলে অন্তত চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। বাইরের খাবার যেমন কেক, বিস্কুট ইত্যাদিতে চিনি থাকে। এসব খাবারও বাদ দিতে হবে। চিনি খাওয়া বন্ধ করলে ব্রণের প্রকোপও কমে যায়।
এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং পেপ্টিড
২০ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের স্কিনকেয়ার রুটিনের সবচেয়ে কমন অংশটি হলো ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধোয়া এবং মুখ মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগানো। চেষ্টা করবেন এমন একটি ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে যাতে এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং পেপ্টিড আছে। এই উপাদান দুটি ত্বকের ড্যামেজ থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ময়েশ্চারাইজারের গায়ের লেবেলে মৎধঢ়ব ংববফ বীঃৎধপঃ/ৎবংাবৎধঃৎড়ষ/মৎববহ ঃবধ, ধহফ ারঃধসরহং অ, ঈ, ধহফ ঊ লেখা আছে কি না দেখে কিনবেন।
দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন
দুশ্চিন্তার কারণে করটিসল হরমোন নিঃসরণ হয়, যা আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগের জন্ম দেয়, চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়, বলিরেখা, চুল ঝরে যাওয়া, ডার্ক সার্কেল ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি করে। মেডিটেশন, ব্রিদিং এক্সারসাইজ, যোগব্যায়াম, সাঁতার, সাইক্লিং, খোলা বাতাসে কিছুক্ষণ হাঁটা বা জিমে কিছুক্ষণ এক্সারসাইজ করাÑ এর সবই দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস দূর করতে খুবই কার্যকর। আপনার সুবিধামতো যেকোনো একটি বেছে নিন এবং নিয়মিত করার চেষ্টা করুন। এতে ত্বক যেমন সুন্দর দেখাবে, শারীরিক ও মানসিকভাবেও ভালো থাকবেন।
ঘুম ও বিশ্রাম
পর্যাপ্ত ঘুম সারা দিনের সব ক্লান্তি দূর করে আমাদের তরতাজা করে তোলে। ঘুমের মধ্যে শরীরের কোষের ক্ষতিপূরণ হয়, শরীর টক্সিন দূর করে। আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র এক ঘণ্টা কম ঘুমালেই আমাদের করটিসোল হরমোন ১০ গুণ বেড়ে যায়, যা আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য কেড়ে নিতে পারে খুব কম সময়েই। কম ঘুম হলে চোখের নিচের অংশ ফুলে যায়, বলিরেখা বৃদ্ধি পায়। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে হলে প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
বাড়তি কিছু সতর্কতা
মুখ ধোয়ার পর খুব আলতোভাবে চেপে চেপে মুখ মুছতে হবে। জোরে ঘষে মুখ মুছলে তরুণ বয়সেই চেহারা বলিরেখা দেখা দেয় যাকে প্রিম্যাচিউরড রিংকেল বলে। এ ছাড়া খেয়াল রাখতে হবে যেন ঘুমানোর সময় উপুড় হয়ে যেন না ঘুমান। এতে মুখের চামড়া দ্রুত ঝুলে যায় এবং চামড়া কুঁচকে যায়। অকারণে চেহারায় হাত দেয়া, চামড়া বা গাল ধরে টানাটানি করা যাবে না। এতে ত্বকে ব্যাকটেরিয়া বিস্তার লাভ করে, যার ফলে ব্রন হয়।

ফেশিয়াল ইয়োগা
মুখের চামড়া সজীব ও টানটান করতে নিয়মিত ফেশিয়াল ইয়োগা খুব ভালো কাজ করে। ফেশিয়াল ইয়োগা করতে সময় লাগে কম, এবং এটি অন্যান্য ব্যায়ামের মতো কষ্টসাধ্য নয়। ইউটিউবে অস্যংখ্য ফেশিয়াল ইয়োগার টিউটোরিয়াল আছে। পছন্দমতো বেছে নিন। মুখের কোনো এক্সারসাইজ করার আগে মুখ ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজ করে নিতে হবে, যেন চামড়ায় টান না লাগে এবং চামড়া ফেটে না যায়।
পুষ্টিকর খাবার
আপনি যা খাবেন, আপনার ত্বক তেমন হবে। খেয়াল রাখবেন; যেন আপনার খাবারে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। বেশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার খেলে বেশি ব্রণ ও ফুসকুড়ি হবে, চামড়া কুঁঁচকে যাবে, তাই এগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড যেমন ওমেগা ৩ শরীরের জন্য খুবই জরুরি। এটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ও ত্বক প্রাণহীন হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয়। যথাসম্ভব ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খেতে হবে, যাতে হাড় ও দাঁত মজবুত থাকে সবসময়। যেসব খাবার বেশি বেশি খেতে হবে তা হলোÑ ডিম, তরমুজ, মধু, দুধ, বাদাম ও বিভিন্ন বীজ ও সিমের বীচি, চিনি ছাড়া চা, রসুন, পালং শাক ও অন্যান্য শাক সবজি, তৈলাক্ত মাছ, রসুন, কলা, গাজর, আপেল, আলু বোখারা, ডার্ক চকলেট, টকদই, লাল চাল ইত্যাদি। যেসব খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে তা হলোÑ ভাজাভুজি, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার, প্রসেসড মিট, চিনি, এলকোহল, লবণ, ক্যাফেইন, আরটিফিশিয়াল সুইটনার ও রঙ, রেড মিট।

প্রোটিন খান বেশি বেশি
প্রোটিন আমাদের ব্লাড সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে, ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে, শরীরের টিস্যুর ক্ষতিপূরণ করে, নতুন টিস্যু জন্ম দেয়। বেশি বেশি প্রোটিন খেলে ত্বকে কোলাজেন বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ত্বক ও চুল সুন্দর হয়। প্রোটিন একদিকে যেমন আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ করে, অন্য দিকে আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ।

প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি পণ্য বেছে নিন
আমরা আমাদের ত্বকে যা কিছু মাখি, সেটা আমাদের ত্বকে ভেতরে গিয়ে রক্তের সাথে মিশে যায়। তাই যেসব পণ্য কিনছেন, খেয়াল রাখবেন তা যেন হয় প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। এখন বাজার সয়লাব ক্ষতিকর কেমিক্যালে তৈরি পণ্য দিয়ে, যাতে আছে প্যারাবেন ও বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভ ও টক্সিক কেমিক্যাল। এসব পণ্য ব্যবহার করার ফলে শুধু যে আপনার রক্ত শুষে নিচ্ছে বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান তা নয়, আপনার ত্বকও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অকালেই। এসব ক্ষতি থেকে বাঁচতে ইন্টারনেটে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন ফেসিয়াল ক্লিনজার, ফেসপ্যাক, টোনার, ফেসওয়াশ ও ময়েশ্চারাইজার। এটি যেমন উপকারী, তেমনি সাশ্রয়ী।
ত্বকের সমস্যায় ডাক্তারের পরামর্শ নিন
তরুণ বয়সে অনেকের চেহারা, বুকে ও পিঠে ব্রণের প্রকোপ দেখা দেয় যা শারীরিক সৌন্দর্যকে কমিয়ে দেয়। এরকম সমস্যাকে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, এতে চেহারায় স্থায়ী দাগ ও গর্ত সৃষ্টি হতে পারে।
ব্রণ মাঝে মধ্যে দু-একটি হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু সবসময় মুখে ব্রণ থাকা সাভাবিক নয়। ব্রণ যদি বেশি দেখা দেয়, দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

 


আরো সংবাদ