film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কোরবানির গোশত সংরক্ষণ : রঙের ফিচার

-

গোশত এমন খাদ্য যা বেশিক্ষণ ফেলে রাখা যায় না। কারণ গোশত পচনশীল খাদ্য। নানা প্রকার অণুজীবের আক্রমণে গোশত পচে। অ্যানজাইম, চর্বি এবং রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণেও গোশত নষ্ট হয়। ময়লা ও অপরিচ্ছন্ন স্থানে গোশতে তাড়াতাড়ি অণুজীব জন্মায়। গরমের দিন হলে তো কথাই নেই, গোশত তাড়াতাড়ি নষ্ট হতে শুরু করে। কিন্তু কোরবানির এত গোশত তাড়াতাড়ি কিভাবে সামলানো যাবে। এ যুগে রেফ্রিজারেটর, ডিপফ্রিজ হয়ে গৃহিণীদের কিছুটা ভাবনা কমেছে। গোশতগুলো ডিপফ্রিজে ঢুকিয়ে নিশ্চিন্ত হওয়া যায়। তবে ফ্রিজে গোশত রেখেই সব সমস্যার সমাধান হয় না। অনেকে কোরবানির গোশত রাখতে চান এক মাস পর্যন্ত। তবে ভালো মতো তা না করতে পারলে গোশত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই গোশত সংরক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো হলো।
হ জবাই করার পর গোশত থেকে ভালোভাবে রক্ত নির্গত হলে গোশত সংরক্ষণের জন্য ভালো। গোশত ফ্রিজে রাখার সময় অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে রাখবেন, রক্ত যেন না ঝরে গোশত থেকে। তাজা গোশত পরিষ্কার পলিথিন ব্যাগে জমাট করে মুড়ে রেফ্রিজারেটরের মধ্যে ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখতে হবে। গোশত বরফে জমিয়ে বেশি দিন সংরক্ষণ করার জন্য ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিমতাপ প্রয়োজন।
হ গোশত ভালো করে ধুয়ে লবণ ও ভিনেগার মিশিয়ে রাখতে পারেন। এ ছাড়া গোশত সংরক্ষণের আরেকটি পদ্ধতি হলো, গোশত বড় টুকরো করে কেটে তেলে আদা-রসুন বাটা তেজপাতা ও লবণ দিয়ে গোশত এমনভাবে জ্বাল দিতে হবে যেন গোশতের ভেতর পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে সেদ্ধ হয় কিন্তু গলে না যায়। তারপর শীতের দিন হলে এক দিন অন্তর এবং গরমে প্রতিদিন জ্বাল দিলে পানি শুকিয়ে গোশত তেলের ওপর ওঠে আসবে। মাসখানেক জ্বাল দেয়ার পর গোশত ভেঙে ঝুরা হয়। সেই গোশত পেঁয়াজ, বেরেস্তা, গোলমরিচগুঁড়া, গরম মসলা ও কাঁচামরিচ দিয়ে ঢাকনা দেয়া পাত্রে ডিপফ্রিজে ১৫-২০ দিন পর্যন্ত রাখা যায়। শিক কাবাবের টাটকা গোশতের সাথে সব উপকরণ মিশিয়ে ২-৩ দিন ফ্রিজে রাখা যায়। গোশত ঘরে আনার ৫-৬ ঘণ্টা পর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে লবণপানি দিয়ে ফুটিয়ে ঝরিয়ে রেখে দিলে গোশত ভালো থাকবে। পরে মসলা ও তেল দিয়ে কষিয়ে নিতে পারবেন। কড়া রোদে গোশত শুকিয়ে আর্দ্রতা কমিয়েও সংরক্ষণ করতে পারেন।
হ কলিজা ভালো করে ধুয়ে কেটে গরম পানিতে দিয়ে হালকা সেদ্ধ করে নিন। তেলে গরম মসলা, তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে মসলা কমিয়ে কলিজা দিয়ে মাঝারি আঁচে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে তেলে মাখা মাখা হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। কোরবানির গরু-খাসির পায়া অনেকের অতি পছন্দের। পায়া নিতে হয়। রান্না করে এটিও ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়। এক দিনে কোরবানির গোশত সামলাবার জন্য প্রয়োজন পূর্বপ্রস্তুতি। কোরবানির ঈদের দু-তিন দিন আগে থেকে পরিকল্পনা নিয়ে কাজে এগুলে সব দিক গুছিয়ে কম পরিশ্রমে টাটকা গোশত বেশ কিছু দিন রেখে খাওয়া যাবে।

 


আরো সংবাদ