film izle
esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রংপুরে ধর্ষণের দায়ে কৃষি কর্মকর্তার যাবজ্জীবন

ধর্ষণ
রংপুরে ধর্ষণের দায়ে কৃষি কর্মকর্তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - ছবি : নয়া দিগন্ত

এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জাকিরুল ইসলাম মিলন (৪৫) নামের এক কৃষি কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক রোকনুজ্জামান এই রায় দেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের পাঠানপাড়া গ্রামের আনছার আলীর পুত্র জাকিরুল ইসলাম মিলন ২০০৫ সালের ৪ জুলাই জ্বরে আক্রান্ত তার অসুস্থ মায়ের মাথায় পানি দেয়ার জন্য প্রতিবেশী স্কুলপড়ুয়া এক মেয়েকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর মিলন হাত বেঁধে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে এ ঘটনার নয় দিন পর মিলনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতে মামলা হয়।

দীর্ঘ ১৩ বছর ৯ মাসের বেশি সময় ধরে এ মামলায় আদালত আসামি ও বাদীপক্ষের ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার রায় দেন। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মিলনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ এবং আসামির কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে নির্যাতিতা ছাত্রীকে দেয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।

এ ব্যপারে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর জাহাঙ্গীর হোসেন তুহিন জানান, ঘটনার সময় আসামি মিলন কৃষি ডিপ্লোমা নিয়ে পড়াশোনা করতেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। রায় কার্যকর করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছি।

মিলনের আইনজীবি রশীদ চৌধুরী ও এমদাদুল হক জানান, এ ব্যাপারে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

আরো পড়ুন :
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকাকে ধর্ষণ
আদালত প্রতিবেদক, ২০ মার্চ ২০১৯
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত মাই টিভির স্টাফ রিপোর্টার আবু সাঈদ অপুর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম আশেদ ইমানের আদালতে আসামিকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্য দিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল করে জামিন দেয়ার আবেদন করে। আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে এ নির্দেশ দেন। গত ১০ মার্চ অপুকে গ্রেফতার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

মামলার বাদি তার আরজিতে উল্লেখ করেছেন, আবু সাঈদ অপু তার পূর্বপরিচিত। বিয়ের প্রলোভন দেয়ায় হাতিরঝিলের মহানগর প্রজেক্টে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আমরা চার বছর আমরা বসবাস করছি। এ সময় আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করত অপু। আমি রাজি না হলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত। একপর্যায়ে অপু বাসা থেকে চলে বাড্ডা এলাকায় বসবাস করতে থাকে। গত ৬ মার্চ আমার বাসায় এসে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে আবারো ধর্ষণ করে। এরপর সে পালিয়ে যায়। পরে গত ১০ মার্চ বাদি হয়ে ঢাকার হাতিরঝিল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় এ মামলা করি।


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat