১৮ আগস্ট ২০১৯

সন্ধ্যা থেকে চলছে অশ্লীল নৃত্য

বারুণী মেলায় সার্কাস-যাদু প্রদর্শনীর নামে অশ্লীল নৃত্য - ছবি : নয়া দিগন্ত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা টটুয়ার ডাঙ্গায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সার্কাস ও যাদু প্রদর্শনীর নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য। ফলে খোলামেলা এসব নাচ গানের আসরে পঙ্গপালের মতো হুমরি খেয়ে পড়ছে উঠতি বয়সের তরুনসহ যুবকরা। এব্যাপারে বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদ জেলা প্রশাসকসহ আইন প্রয়োগকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল।

জানা গেছে, হিন্দু সম্পদায়ের অষ্টমি স্নান উপলক্ষে প্রতিবছর বড়ভিটা ইউনিয়নের টটুয়ার ডাঙ্গায় ১৩ একর জমির উপর একটি মেলা বসে। মেলাটি উপজেলা পরিষদ থেকে (১৩ ও ১৪ এপ্রিল) শনি ও রোববার দুই দিনের জন্য ইজারা দেয়া হলেও ইজারাদার নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে (১২ এপ্রিল) শুক্রবার থেকে সার্কাস ও যাদু প্রদর্শনের নামে একদিন আগে থেকেই অশ্লীল নৃত্য শুরু করে।

শুক্রবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মেলার উত্তর পূর্ব দিক দিয়ে সারিবদ্ধভাবে ঢাকা একে সার্কাস, আশা সার্কাস, স্বপ্না যাদু প্রদশনী, রুপসী বাংলা যাদু প্রদর্শনীসহ ১২টি সার্কাসের প্যান্ডেলের ভিতরে মেয়েদের দিয়ে খোলামেলা অরুচিকর নাচগান প্রদর্শন করা হচ্ছে। এসব নাচগানের বেশির ভাগ দর্শক হচ্ছে উঠতি বয়সের তরুণ ও যুবকরা। অশ্লীল নাচগান বন্ধের জন্য বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পরিষদের প্যাডে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল। কিন্তু অভিযোগের গুরুত্ব আমলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ অশ্লীল নাচগানের অনুমতি প্রদান করে বলে জানান ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলার রহমান বলেন, মেলায় এর আগে থেকে অশ্লীল নৃত্য হয়ে আসছিল। এবারের মেলায় যেন অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন না হয় সেজন্য মেলায় শুরু হওয়ার আগে আমার পরিষদ জেলা প্রশাসকসহ আইন প্রয়োগকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। কিন্তু, বারুনীর ইজারাদার রনচন্ডী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান সরকারি দলের প্রভাব খাটিয়ে এসব অশ্লীল কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, গতকালের বিষয়টি আমি জানি না, আজকে আমি পুলিশ ফোর্স নিয়ে মেলায় আছি। এধরনের অশ্লীল কর্মকাণ্ড শুরু হলে সাথে সাথে প্রতিহত করা হবে।

 


আরো সংবাদ




bedava internet