১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফুলবাড়ীতে উজানের ঢলে ধরলার ভাঙন বৃদ্ধি

-

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সাথে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে নদী ভাঙন।

দ্বিতীয় ধরলা সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে নদীর স্রোত সোজাসুজি উপজেলার ভুখন্ডে আঘাত করার কারণে গত দুই দিনের ভাঙনে নদী নিকটবর্তী সোনাইকাজী গ্রামের বেড়িবাঁধ, মসজিদ, আবাদি জমি, সুপারী বাগান, বাঁশঝাড়সহ প্রায় ১৫/২০টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘন্টায় উজানের ঢলে ধরলা নদীর পানি ৯৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দ্বিতীয় ধরলা সেতুর এক কিলোমিটার দক্ষিণে সোনাইকাজী এলাকায় ধরলা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে বাধা প্রাপ্ত হয়ে নদীর তীব্র স্রোত সোজাসুজি এই এলাকায় আছড়ে পড়ছে। ফলে অব্যাহত ভাঙনের ফলে সোনাইকাজী গ্রামের হোসেন আলী, শাহাদৎ হোসেন, নুরুল হক, জেলাল হক, বাচ্চানী বেগম, শাহাদত আলী, শহিদুল ইসলাম, ইসলাম মিয়া, কানা কাশেম, লাভলু মিয়া, বুলবুলি বেগম, লাকী বেগম, দুলাল হোসেন, মিজানুর রহমান, আনোয়ার হোসেন সহ ১৫/২০টি পরিবারের বসতভিটা ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আর নদী থেকে সামান্য দূরত্বে মারাত্মক ভাঙন হুমকির মুখে রয়েছে রামপ্রসাদ ও প্রাণকৃষ্ণ গ্রাম, মরানদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশকিছু গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠান।

ভাঙনকবলিতদের মধ্যে হাছেন আলী, নুরুল হক ও বাচ্চানী বেগম জানান, আগে থেকেও কিছুটা ভাঙন ছিল। কিন্তু গত দু’দিন থেকে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করে মুহূর্তের মধ্যে ১৫/২০টি বাড়িভিটা ভেঙ্গে ফেলে। ফলে অনেকেই বাড়ি সড়িয়ে অন্যত্র নিয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, ধরলাসহ কুড়িগ্রামের বেশক’টি নদ-নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো বিপদসীমা অতিক্রম করেনি।

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও বলেন, ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ভাঙন বৃদ্ধির খবর পেয়েছি। পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ




Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme