১৯ নভেম্বর ২০১৮

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৭

দুর্ঘটনায় কবলিত বিআরটিসির বাসটি। - ছবি: নয়া দিগন্ত

রংপুর মহানগরীর সিও বাজার এলাকায় মহাসড়কের ওপর রোববার দুপুরে বিআরটিসি বাসের সাথে লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৭ ।

রংপুর মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহীনুর রহমান নয়া দিগন্তকে জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ১০ টায় মারা গেছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তালুক বেলকা গ্রামের খসরু মাহমুদের পুত্র রাজিব (১২)। এছাড়াও রোববার রাত ১১ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট গ্রামের এসআই মামুন মিয়ার স্ত্রী সুমি আক্তার (২২)।

এর আগে রোববার ঘটনাস্থলেই মারা যান, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তালুক বর্মন গ্রামের রুবেল মিয়ার স্ত্রী রোকসানা বেগম(২০), নীলফামারীর সৈয়দপুরের বোতলাগাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী অমিজন (৪৫), পঞ্চগড়ের সোহেল মিয়ার পুত্র শাহিন মিয়া(১০), ঠাকুরগাঁওয়ের ভুলী গ্রামের মৃত ইত্রাহিম মিয়ার পুত্র আব্দুর রহমান (৭০), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়নখাল গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নুরবানু (৪৫)।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) সাইফুর রহমান সাইফ নয়া দিগন্তকে জানান, দুপুর ১২ টার দিকে সিওবাজার বিডিআর ক্যাম্পের বিপরিতে সালেহীন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগোনোস্টিক সেন্টারের সামনে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ওপর বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী বিআরটিসির বাসের (বগুড়া-ব-১১-০০২৬) সাথে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা রংপুরগামী গেটলক বাসের (রংপুর-জ-০৪-০০২৫) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন মারা যান। হাসপাতালে নেয়ার পর ষোল ঘন্টার মধ্যে মারা যায় দুইজন। এ ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছে। এরে মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।


আরো সংবাদ