২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এরশাদ ঈদ করবেন রংপুরে

সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ - সংগৃহীত

পবিত্র ঈদ উল আজহা উৎসব পালনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে উত্তরের বিভাগীয় নগরী রংপুরে। এবার ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়। এখানে সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, এলজিইআরডি প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে, রংপুরের ঈদের প্রধান জামায়াত সকাল সাড়ে ৮টায় কালেক্টরেট ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। আবহওয়া খারাপ থাকলে কোর্ট জামে মসজিদে সকাল ৯টায় প্রথম জামাত আর সাড়ে ৯টায় দ্বিতীয় জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও রংপুর পুলিশ লাইন মাঠে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে হবে জামায়াত। আবহাওয়া খারাপ থাকলে পুলিশ লাইন জামে মসজিদে একই সময়ে জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, মুন্সিপাড়া ঈদগাহ ও মুলাটোল আলীয়া মাদ্রাসায় সকাল ৯টায়, শালবন মিস্ত্রিপাড়া জামে মসজিদে প্রথম জামায়াত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামায়াত সকাল সাড়ে ৮টায়, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে সকাল ৮টায় এবং সাতমাথা জামে মসজিদ ও দামুদরপুর ছোট ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়, ধাপ ষ্টাফ কোয়ার্টার জামে মসজিদ, বাবুখাঁ ঈদগাহ মাঠ ও খটখটিয়া জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে গঙ্গাচড়ার তালুক হাবু ঈদগাহ মাঠে সকাল ৯ টায়। এখানে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এছাড়াও রংপুর সদর উপজেলা ও মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদ ঈদগাহে এবং পীরগাছা কারবালা মাঠ, তারাগঞ্জ চৌপথী ঈদগাহ ও গঙ্গাচড়ার পাইকান জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। কাউনিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, গঙ্গাচড়া ও পীরগঞ্জে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৯ টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। বদরগঞ্জের চান্দামারী কারামতিয়া ঈদগাহে সকাল ১০টায় ঈদের প্রধান জামায়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এদিকে ঈদকে ঘিরে পুরো নগরীকে বর্ণিল সাজে সাজিয়েছে সিটি করপোরেশন। কোরবানীর পশুর বর্জ যাতে ঠিকঠাক মতো অপসারণ করা যায় সেজন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সিটি করপোরেশন। ঈদে মানুষের নিরাপত্বা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিয়েছে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্বা বলয়।

সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা নয়া দিগন্তকে জানান, সিটি মেয়র হিসেবে পবিত্র ঈদ উল আযহার নামাজ আদায় করার সৌভাগ্য আমার এবারই প্রথম। এই ঈদ উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঈদের আনন্দ যেন সব স্তরে সবার মাঝে পৌছে যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এই ঈদের ত্যাগের শিক্ষার মাধ্যমে আগামীর নগরী গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা তার।

অন্যদিকে রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান সাইফ জানান, ঈদে মানুষের সব কিছু নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ।


আরো সংবাদ