১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

ভ্যানে সন্তান প্রসব

ভ্যানে সন্তান প্রসব - ছবি : সংগৃহীত

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার গুয়াবাড়ি গ্রামের মালেকা বেগম (২৫) স্বামী মোঃ আনোয়ারুল ইসলাস, বিয়ে হয়েছে পীরগাছা উপজেলার নাওডোরা গ্রামে, মালেকার পিতারা নাম মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়া। মালেকা সন্তান প্রসাব করার জন্য ৮ জুলাই রাত দুইটার দিকে ভর্তি হন পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
এদিকে রবিবার সকালে রোগীর নরমাল ডেলিভ্যারি হবে না বলে রোগীর ছাড়পত্র হাতে দিয়ে রংপুরে ক্লিনিকে চিকিৎসার মাধ্যমে বাচ্চা সিজার করার পরামর্শ দেন কর্তবরত চিকিৎসক।


এদিকে মালেকার পিতার হাতে মেয়েকে ক্লিনিকে ভর্তি করার মতো টাকা না থাকায় তিনি সিদ্ধান্ত নেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করাবেন। সেই হিসাবে ৫০০ টাকা দিয়ে এন্তা মিয়ার একটি ভ্যান ঠিক করেন, ভ্যানে করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারেন্দার কাছাকাছি পৌছাতেই ২য় সন্তান প্রসাব করেন মালেকা।


জন্মসমুখে মেয়ের সন্তান হওয়ার কারনে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আর ভর্তি না করেই বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন মালেকাকে।
এদিকে মালেকার পিতা আব্দুল মান্নান নয়া দিগন্তকে বলেন, হাসপাতাল হলো গরীব অসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার স্থান, সেখানেই আমরা চিকিৎসা না পেলেই চিকিৎসা কে পাবে? তিনি অসহায় মানুষদের চিকিৎসার সেবা নিচিৎত করার দাবি জানান।

মালেকার ভাই মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ৮ জুলাই রাত দুইটার দিকে আমার বোন ডেলিভারী সংক্রান্ত ব্যাপারে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে আমরা বোকে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করাই , রাতেই বোনের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরদিন সকালেই পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্র থেকে আমাদের হাতে রোগীর ছাড়পত্র দিয়ে বলা হয় আপনার বোনকে সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা ডেলিভেরি করতে হবে, আপনারা রংপুরের ধাপের ক্লিনিকে নিয়ে যান এবং সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা বের করেন।

আরো পড়ুন:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ৫ শিশু উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাঁচ শিশুকে উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। সোমবার ভোরে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃতরা হলো, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল গ্রামের উরমুস আলীর ছেলে জিহাদ (৮), ফজর আলীর ছেলে জুম্মান (৮) ও আরমান (১০), ইউসুফ আলীর ছেলে রমজান (৯) এবং চট্টগ্রাম মহানগরের সগরীকা এলাকার জসিম মিয়ার ছেলে শাকিব (৮)।

পুলিশ জানায় অরুয়াইল গ্রামের চার শিশু এবং চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে আসা শিশু শাকিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে এসে এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করছিল। পরে লোকজন তাদেরকে টহলরত পুলিশ সদস্যদের হাতে তুলে দেয়। উদ্ধার করা শিশুরা তাদের পিতার নাম ও ঠিকানা বলতে পারলেও তারা কেন, কীভাবে এখানে এসেছে তা বলতে পারেনি।

সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নবীর হোসেন বলেন, একজনের পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করতে পেরেছি। বাকিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যরা এলেই তাদের জিম্মায় শিশুদের তুলে দেয়া হবে।


আরো সংবাদ