২৩ অক্টোবর ২০১৮

বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা তালিকাভূক্ত মাদক কারবারী : ডিআইজি

-

মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে রংপুর বিভাগের আট জেলায় গত ১২ দিনে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ১৬ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এই সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ১ হাজার ৩০৫ জনকে। এই তথ্য জানিয়ে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম, পিপিএম বলেছেন, এই অঞ্চলে বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা মাদকের তালিকাভুক্ত কারবারি।

বুধবার রংপুর পুলিশ লাইন কমিউনিটি হলে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের করনীয় ও ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রেঞ্জ এর অতিরিক্ত ডিআইজি বশির আহমেদ পিপিএম (বার), অতিরিক্ত ডিআইজি মজিদ আলী বিপিএম, রংপুরের পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান পিপিএম, দিনাজপুরের পুলিশ সুপার হামিদুল আলম পিপিএম, ঠাকুরগাও পুলিশ সুপার ফরহাত আলী, গাইবান্ধার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো: আশরাফুজ্জামান, কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মেহেদুল করীমসহ রংপুর রেঞ্জের ৬১ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রংপুর বিভাগের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান সম্পর্কে তথ্য দিয়ে ডিআইজি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত মাসের ১৮ তারিখ পরিচালিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় বিভিন্নস্থানে বন্দুক যুদ্ধে গত ১২ দিনে ১৬ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ১৪ জন এবং র্যা বের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৬ মাদক ব্যবসায়ী। এছাড়াও এই অভিযানে এই সময়ে ১ হাজার ৩০৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে মাদকের মামলা দায়ের করা হয়েছে ১ হাজার ৬৪টি এবং ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদী সাজা প্রদান করা হয়েছে ২১৭ জনকে।

রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আরও বলেন, মাদকের ব্যবসার সাথে যেসব গডফাদার যুক্ত আছে। তাদেরকেও সনাক্ত করা হচ্ছে। রংপুর বিভাগের কোন একটি এলাকাতে একজনও যদি মাদক ব্যবসায়ী থাকে তাহলে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। এজন্য রংপুর রেঞ্জ এর আওতায় যেসব থানা রয়েছে সেসব থানার অফিসার ইনচার্জদের ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় দিক নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। তিনি মাদক বিরোধী অভিযান সফল করতে সমন্বিত উদ্যোগ দাবী করেন।


আরো সংবাদ